০৯:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

বেড়েছে ইফতার সামগ্রীর দাম, মান নিয়ে প্রশ্ন ক্রেতাদের

দিনভর রোজা রেখে ইফতারিতে তেলেভাজা বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ, বুন্দিয়া, জিলাপির মতো মুখরোচক খাদ্যগ্রহণ দেশে সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে। পাড়া-মহল্লার হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতে তৈরি ভাজাপোড়ার মচমচে আইটেম অধিকাংশ মানুষের ইফতারির অংশ হয়ে উঠছে। বাহারি পদের এসব খাবারের বেশিরভাগই অতিরিক্ত তেলে ভাজা থাকে। এসব খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তোয়াক্কা নেই সাধারণ মানুষের।

কারওয়ান বাজারে দেখা যায়, দুপুর হলেই বাহারি পদের খাবারের পসরা নিয়ে বসেন দোকানিরা। বিকেল হলেই ইফতার সামগ্রী কিনতে এসব দোকানে ভিড় করেন সাধারণ মানুষ। এরমধ্যে আলুর চপ ১০ টাকা, ব্গেুনি ১০ টাকা, পেঁয়াজু ১০ টাকা, ভেজিটেবল রোল ৩০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

এছাড়াও চিনির জিলাপি কেজি প্রতি ৩৮০ টাকা, গুড়ের জিলাপি ৩৫০ টাকা, হালিম বাটি প্রতি ১৪০ টাকা থেকে শুরু করে ২২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে।

গতবারের চেয়ে এবার ইফতার সামগ্রীর দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ সাধারণ মানুষের। খাবারের মান কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত তা নিয়েও তাদের প্রশ্ন রয়েছে।
আবুল কালাম নামের এক ক্রেতা বলেন, “গতবারের চেয়ে এবার জিলাপির দাম অনেক বেশি। কেন বেশি দামে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা তা সঠিক বলতে পারছি না। তবে চিনির বা গুড়ের যে দেশে সংকট আছে, এমন খবর আমরা দেখেনি।”

আবুল কালাম আরও বলেন, “ফুটপাতে তৈরি এসব খাবারের মান নিয়েও প্রশ্ন থাকে। কিন্তু কি আর করার ইফতারের প্রধান খাবারগুলোর মধ্যেই কিন্তু এসব খাবার থাকে। সে হিসেবে এসব খাবার ছাড়া আবার ইফতারও হয় না।”

 

বিজনেস বাংলাদেশ/BH

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

বেড়েছে ইফতার সামগ্রীর দাম, মান নিয়ে প্রশ্ন ক্রেতাদের

প্রকাশিত : ০৭:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪

দিনভর রোজা রেখে ইফতারিতে তেলেভাজা বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ, বুন্দিয়া, জিলাপির মতো মুখরোচক খাদ্যগ্রহণ দেশে সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে। পাড়া-মহল্লার হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতে তৈরি ভাজাপোড়ার মচমচে আইটেম অধিকাংশ মানুষের ইফতারির অংশ হয়ে উঠছে। বাহারি পদের এসব খাবারের বেশিরভাগই অতিরিক্ত তেলে ভাজা থাকে। এসব খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তোয়াক্কা নেই সাধারণ মানুষের।

কারওয়ান বাজারে দেখা যায়, দুপুর হলেই বাহারি পদের খাবারের পসরা নিয়ে বসেন দোকানিরা। বিকেল হলেই ইফতার সামগ্রী কিনতে এসব দোকানে ভিড় করেন সাধারণ মানুষ। এরমধ্যে আলুর চপ ১০ টাকা, ব্গেুনি ১০ টাকা, পেঁয়াজু ১০ টাকা, ভেজিটেবল রোল ৩০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

এছাড়াও চিনির জিলাপি কেজি প্রতি ৩৮০ টাকা, গুড়ের জিলাপি ৩৫০ টাকা, হালিম বাটি প্রতি ১৪০ টাকা থেকে শুরু করে ২২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে।

গতবারের চেয়ে এবার ইফতার সামগ্রীর দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ সাধারণ মানুষের। খাবারের মান কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত তা নিয়েও তাদের প্রশ্ন রয়েছে।
আবুল কালাম নামের এক ক্রেতা বলেন, “গতবারের চেয়ে এবার জিলাপির দাম অনেক বেশি। কেন বেশি দামে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা তা সঠিক বলতে পারছি না। তবে চিনির বা গুড়ের যে দেশে সংকট আছে, এমন খবর আমরা দেখেনি।”

আবুল কালাম আরও বলেন, “ফুটপাতে তৈরি এসব খাবারের মান নিয়েও প্রশ্ন থাকে। কিন্তু কি আর করার ইফতারের প্রধান খাবারগুলোর মধ্যেই কিন্তু এসব খাবার থাকে। সে হিসেবে এসব খাবার ছাড়া আবার ইফতারও হয় না।”

 

বিজনেস বাংলাদেশ/BH