০৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শনিবারও সাপ্তাহিক ছুটি

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে শিখন ঘাটতি পূরণ করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শনিবারে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ঈদের পর এই সিদ্ধান্ত আর থাকছে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

রোববার (১২ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ ইঙ্গিত দেন।

শনিবার স্কুল খোলা রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এটা পর্যায়ক্রমে ধারাবাহিকভাবে সিদ্ধান্তটা নিতে হবে। আমাদের বর্তমান কারিকুলামে একটি বিষয় ছিল শিক্ষার্থী একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা পাবে বাড়ির কাজ করার জন্য। সেটি বিবেচনায় নিয়েই শনিবার স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছিল। যেহেতু আমরা তাপপ্রবাহের কারণে প্রায় ৯টি কর্মদিবস পাইনি, সেহেতু আমরা চেষ্টা করছি শনিবার আপাতত একটি ব্যবস্থা করে আমরা কর্মদিবসগুলো যেন পাই। তবে এটি স্থায়ী কোনো সিদ্ধান্ত নয়।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরও বিশ্রামের প্রয়োজন আছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা বাড়ির কাজ যথাযথভাবে করছে কি না, সেটার জন্য সময় পাচ্ছে কিনা সেটাও দেখার দরকার আছে। অতিমাত্রায় চাপ দিয়ে প্রতিদিন তাদের শ্রেণিকক্ষে রেখে আমরা অনেক বেশি শিখন ফল অর্জন করব তা কিন্তু নয়। এটা একটি সাময়িক বিষয়। আমরা আশা করছি, আগামী ঈদুল আজহার পরে হয়তো বা চালিয়ে যেতে হবে না। এটা আমরা অবস্থা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেব।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর ৯টি সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৩.০৪ শতাংশ।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

জনপ্রিয়

রাসেলস ভাইপার সাপ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার আহবান: গোপালগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগ

ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শনিবারও সাপ্তাহিক ছুটি

প্রকাশিত : ০৩:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে শিখন ঘাটতি পূরণ করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শনিবারে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ঈদের পর এই সিদ্ধান্ত আর থাকছে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

রোববার (১২ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ ইঙ্গিত দেন।

শনিবার স্কুল খোলা রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এটা পর্যায়ক্রমে ধারাবাহিকভাবে সিদ্ধান্তটা নিতে হবে। আমাদের বর্তমান কারিকুলামে একটি বিষয় ছিল শিক্ষার্থী একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা পাবে বাড়ির কাজ করার জন্য। সেটি বিবেচনায় নিয়েই শনিবার স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছিল। যেহেতু আমরা তাপপ্রবাহের কারণে প্রায় ৯টি কর্মদিবস পাইনি, সেহেতু আমরা চেষ্টা করছি শনিবার আপাতত একটি ব্যবস্থা করে আমরা কর্মদিবসগুলো যেন পাই। তবে এটি স্থায়ী কোনো সিদ্ধান্ত নয়।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরও বিশ্রামের প্রয়োজন আছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা বাড়ির কাজ যথাযথভাবে করছে কি না, সেটার জন্য সময় পাচ্ছে কিনা সেটাও দেখার দরকার আছে। অতিমাত্রায় চাপ দিয়ে প্রতিদিন তাদের শ্রেণিকক্ষে রেখে আমরা অনেক বেশি শিখন ফল অর্জন করব তা কিন্তু নয়। এটা একটি সাময়িক বিষয়। আমরা আশা করছি, আগামী ঈদুল আজহার পরে হয়তো বা চালিয়ে যেতে হবে না। এটা আমরা অবস্থা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেব।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর ৯টি সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৩.০৪ শতাংশ।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে