১১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় যা বললেন সাবেক সেনাপ্রধান

 

দুর্নীতির সঙ্গে ব্যাপকভাবে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আজিজ আহমেদ। তিনি বলেছেন, “নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি আমাকে ‘অবাক’ করেছে। আমি এমন কোনো অপরাধ করিনি যে শাস্তি পেতে হবে।”

মঙ্গলবার (২১ মে) বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আজিজ আহমেদ বলেন, “নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আগে কিছু জানানো হয়নি। সরকারকে বিব্রত ও হেয় করার চেষ্টায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে।”

সাবেক সেনাপ্রধান আরও বলেন, “দায়িত্ব থাকা অবস্থায় এমন কিছু করিনি, যা সেনাবাহিনী ও বিজিবির সুনাম ক্ষুণ্ন হয়। অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।”

এর আগে সোমবার (২০ মে) রাতে নিজেদের ওয়েবসাইটে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট। এতে দুর্নীতিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগে বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথা জানান দেশটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, জেনারেল আজিজ আহমেদের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের বিশ্বাসকে ক্ষুণ্ন করেছে। আজিজ আহমেদ তার ভাইকে বাংলাদেশে অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য জবাবদিহিতা এড়াতে বেশ কিছু ক্ষেত্রে দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন। সামরিক চুক্তির বিষয়ে আজিজ তার ভাইয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছিলেন এবং তার ব্যক্তিগত স্বার্থে সরকারি নিয়োগের বিনিময়ে ঘুষ গ্রহণ করেছিলেন।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও আইনের শাসন শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার পুনরায় নিশ্চিত করা হলো। সরকারি সেবা আরও স্বচ্ছ ও নাগরিকদের সেবা লাভের সুযোগ তৈরি, ব্যবসা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মুদ্রা পাচার ও অন্যান্য অর্থনৈতিক অপরাধের অনুসন্ধান ও বিচার নিশ্চিতে সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী প্রচেষ্টায় সহায়তা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

বাংলাদেশের সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট, ফরেন অপারেশন অ্যান্ড রিলেটেড প্রোগ্রামস অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস অ্যাক্টের ৭০৩১ (সি) ধারার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। এই পদক্ষেপের ফলে আজিজ আহমেদ এবং তার পরিবারের সদস্যরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ডিগ্রী কলেজ ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় যা বললেন সাবেক সেনাপ্রধান

প্রকাশিত : ০৪:৫৬:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

 

দুর্নীতির সঙ্গে ব্যাপকভাবে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আজিজ আহমেদ। তিনি বলেছেন, “নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি আমাকে ‘অবাক’ করেছে। আমি এমন কোনো অপরাধ করিনি যে শাস্তি পেতে হবে।”

মঙ্গলবার (২১ মে) বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আজিজ আহমেদ বলেন, “নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আগে কিছু জানানো হয়নি। সরকারকে বিব্রত ও হেয় করার চেষ্টায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে।”

সাবেক সেনাপ্রধান আরও বলেন, “দায়িত্ব থাকা অবস্থায় এমন কিছু করিনি, যা সেনাবাহিনী ও বিজিবির সুনাম ক্ষুণ্ন হয়। অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।”

এর আগে সোমবার (২০ মে) রাতে নিজেদের ওয়েবসাইটে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট। এতে দুর্নীতিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগে বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথা জানান দেশটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, জেনারেল আজিজ আহমেদের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের বিশ্বাসকে ক্ষুণ্ন করেছে। আজিজ আহমেদ তার ভাইকে বাংলাদেশে অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য জবাবদিহিতা এড়াতে বেশ কিছু ক্ষেত্রে দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন। সামরিক চুক্তির বিষয়ে আজিজ তার ভাইয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছিলেন এবং তার ব্যক্তিগত স্বার্থে সরকারি নিয়োগের বিনিময়ে ঘুষ গ্রহণ করেছিলেন।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও আইনের শাসন শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার পুনরায় নিশ্চিত করা হলো। সরকারি সেবা আরও স্বচ্ছ ও নাগরিকদের সেবা লাভের সুযোগ তৈরি, ব্যবসা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মুদ্রা পাচার ও অন্যান্য অর্থনৈতিক অপরাধের অনুসন্ধান ও বিচার নিশ্চিতে সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী প্রচেষ্টায় সহায়তা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

বাংলাদেশের সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট, ফরেন অপারেশন অ্যান্ড রিলেটেড প্রোগ্রামস অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস অ্যাক্টের ৭০৩১ (সি) ধারার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। এই পদক্ষেপের ফলে আজিজ আহমেদ এবং তার পরিবারের সদস্যরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ