১১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪

১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মিষ্টি জান্নাতকে আইনি নোটিশ পাঠালেন তমা মির্জা

মানহানিকর মন্তব্যের অভিযোগ এনে জনসম্মুখে ক্ষমা চাওয়া এবং দশ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে অভিনেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মিষ্টিকে (মিষ্টি জান্নাত) আইনি নোটিশ দিয়েছে আরেক অভিনেত্রী মির্জা ফারজানা ইয়াসমিন তমা (তমা মির্জা)।

বৃহস্পতিবার (২৫ মে) রেজিস্ট্রি ডাক যোগে তমা মির্জার পক্ষে এ নোটিশ পাঠান তাঁর আইনজীবী ব্যারিস্টার সজীব মাহমুদ আলম।

আইনি নোটিশে সামাজিক মাধ্যমে থাকা দুটি ভিডিও বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ‘আপনার বয়ফ্রেন্ডকে বিয়ে করব না, তমা মির্জাকে খোঁচা দিয়ে মিষ্টি জান্নাত’ এবং ‘ নায়িকা হয়েছে তমা মির্জা: জান্নাত’ শীর্ষক শিরোনামে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মানহানিকর বক্তব্য রয়েছে বলে দাবি করেছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার সজীব মাহমুদ আলম।

নোটিশে বলা হয়, এ ধরনের বক্তব্য তমার চরিত্র ও ব্যক্তিত্বে আঘাত হেনেছে। এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে ডিজিটাল মিডিয়ায় এসব মানহানিকর বক্তব্য হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এতে ১০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে।

তাই নোটিশে সাত দিনের মধ্যে জনসম্মুখে ক্ষমা চেয়ে দশ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া পরবর্তীতে এ ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। অন্যথায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মিষ্টি জান্নাতকে আইনি নোটিশ পাঠালেন তমা মির্জা

প্রকাশিত : ০৩:১৬:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

মানহানিকর মন্তব্যের অভিযোগ এনে জনসম্মুখে ক্ষমা চাওয়া এবং দশ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে অভিনেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মিষ্টিকে (মিষ্টি জান্নাত) আইনি নোটিশ দিয়েছে আরেক অভিনেত্রী মির্জা ফারজানা ইয়াসমিন তমা (তমা মির্জা)।

বৃহস্পতিবার (২৫ মে) রেজিস্ট্রি ডাক যোগে তমা মির্জার পক্ষে এ নোটিশ পাঠান তাঁর আইনজীবী ব্যারিস্টার সজীব মাহমুদ আলম।

আইনি নোটিশে সামাজিক মাধ্যমে থাকা দুটি ভিডিও বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ‘আপনার বয়ফ্রেন্ডকে বিয়ে করব না, তমা মির্জাকে খোঁচা দিয়ে মিষ্টি জান্নাত’ এবং ‘ নায়িকা হয়েছে তমা মির্জা: জান্নাত’ শীর্ষক শিরোনামে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মানহানিকর বক্তব্য রয়েছে বলে দাবি করেছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার সজীব মাহমুদ আলম।

নোটিশে বলা হয়, এ ধরনের বক্তব্য তমার চরিত্র ও ব্যক্তিত্বে আঘাত হেনেছে। এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে ডিজিটাল মিডিয়ায় এসব মানহানিকর বক্তব্য হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এতে ১০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে।

তাই নোটিশে সাত দিনের মধ্যে জনসম্মুখে ক্ষমা চেয়ে দশ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া পরবর্তীতে এ ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। অন্যথায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে