০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

৩০ মণ ওজনের বিশালদেহী ‘জায়েদ খান’ বিক্রি হবে গাবতলীর হাটে

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত-সমালোচিত অভিনেতা জায়েদ খান মানেই ডিগবাজি, সাম্প্রতিক সময়ে এটা সিগনেচার স্টেপে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউলতিয়ায় ফ্রিজিয়ান জাতের একটি গরু কেনেন চুআক্তার হোসেন। ওই গরু নাকি খুব চঞ্চল ও অনেক লাফালাফি করে আর ডিগবাজি দিতে চায়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে জায়েদ খানকে যেমনটা দেখা যায়। তাই এ অভিনেতার সঙ্গে এ গরুটির অনেকটা মিল থাকায় মালিক এর ছেলে নাম রেখেছে জায়েদ খান।

প্রায় ৩০ মণ ওজনের বিশালদেহী ‘জায়েদ খান’ নামে এই গরুটিকে এক নজর দেখতে প্রতিনিয়ত ভিড় জমাচ্ছে মানুষ। বিষয়টি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত গরুর মালিক আক্তার হোসেন বলেন, যেহেতু গরুটা খুব পাগলামি করে, লাফালাফি করে। পরে আমার ছেলে মোবাইলে জায়েদ খানের ভিডিও দেখে। সে নাকি ওই ভিডিওতে দেখেছে জায়েদ খান খালি লাফ দেয়, বিভিন্ন স্থানে ডিগবাজি দেয়। এই গরুটাও লাফ দেয়, তাই গরুর নাম জায়েদ খান রেখেছে। আক্তার হোসেন এক বছর আগে ফ্রিজিয়ান জাতের এ গরুটি কেনেন। এরপর লালন পালন শুরু করেন। প্রতিদিন দেড় হাজার টাকার খাবার খাওয়া মস্ত বড় ষাঁড় গরুটি এখন প্রায় ৩০ মণ ওজনের। ইচ্ছে আছে আসন্ন ঈদুল আজহায় গাবতলীর হাটে নিয়ে বিক্রি করব।

এদিকে যারা গরুটিকে দেখতে আসছেন অদের কেউ কেউ বলছেন, আমরাও দেখলাম বিশাল এই গরু খুব পাগলামি করে। কোনো ভাবেই স্থির থাকে না, তাই এর নাম দেয়া হয়েছে জায়েদ খান। আরেকজন দর্শনার্থী বলেন, জায়েদ খানকে কখনো সামনা সামনি দেখিনাই, শুনলাম গরুটির নাম জায়েদ খান রাখা হয়েছে। তাই এই গরুটিকে দেখতে আসছি। গরুটি আসলেই খুব সুন্দর।

আক্তার হোসেনের বড় ছেলে সিহাব বলেন, ভিডিওতে দেখেছি জায়েদ খান ডিগবাজি দেয়, লাফ দেয়। এই গরুটাও লাফ দেয়। দেখার পর ‘সঠিক নাম রাখা হয়েছে’ বলেও মন্তব্য করছেন অনেক দর্শনার্থীরা। ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি আমাদের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে আমরা পালছি। ছোট ভাই, আমি, মা-বাবা সবাই গরুর যত্ন নেই। গরুর প্রতি মায়া পড়ে গেছে। বিক্রির পর কিছুদিন খারাপ লাগবে বলেও জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/BH

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

৩০ মণ ওজনের বিশালদেহী ‘জায়েদ খান’ বিক্রি হবে গাবতলীর হাটে

প্রকাশিত : ০৬:০২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত-সমালোচিত অভিনেতা জায়েদ খান মানেই ডিগবাজি, সাম্প্রতিক সময়ে এটা সিগনেচার স্টেপে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউলতিয়ায় ফ্রিজিয়ান জাতের একটি গরু কেনেন চুআক্তার হোসেন। ওই গরু নাকি খুব চঞ্চল ও অনেক লাফালাফি করে আর ডিগবাজি দিতে চায়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে জায়েদ খানকে যেমনটা দেখা যায়। তাই এ অভিনেতার সঙ্গে এ গরুটির অনেকটা মিল থাকায় মালিক এর ছেলে নাম রেখেছে জায়েদ খান।

প্রায় ৩০ মণ ওজনের বিশালদেহী ‘জায়েদ খান’ নামে এই গরুটিকে এক নজর দেখতে প্রতিনিয়ত ভিড় জমাচ্ছে মানুষ। বিষয়টি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত গরুর মালিক আক্তার হোসেন বলেন, যেহেতু গরুটা খুব পাগলামি করে, লাফালাফি করে। পরে আমার ছেলে মোবাইলে জায়েদ খানের ভিডিও দেখে। সে নাকি ওই ভিডিওতে দেখেছে জায়েদ খান খালি লাফ দেয়, বিভিন্ন স্থানে ডিগবাজি দেয়। এই গরুটাও লাফ দেয়, তাই গরুর নাম জায়েদ খান রেখেছে। আক্তার হোসেন এক বছর আগে ফ্রিজিয়ান জাতের এ গরুটি কেনেন। এরপর লালন পালন শুরু করেন। প্রতিদিন দেড় হাজার টাকার খাবার খাওয়া মস্ত বড় ষাঁড় গরুটি এখন প্রায় ৩০ মণ ওজনের। ইচ্ছে আছে আসন্ন ঈদুল আজহায় গাবতলীর হাটে নিয়ে বিক্রি করব।

এদিকে যারা গরুটিকে দেখতে আসছেন অদের কেউ কেউ বলছেন, আমরাও দেখলাম বিশাল এই গরু খুব পাগলামি করে। কোনো ভাবেই স্থির থাকে না, তাই এর নাম দেয়া হয়েছে জায়েদ খান। আরেকজন দর্শনার্থী বলেন, জায়েদ খানকে কখনো সামনা সামনি দেখিনাই, শুনলাম গরুটির নাম জায়েদ খান রাখা হয়েছে। তাই এই গরুটিকে দেখতে আসছি। গরুটি আসলেই খুব সুন্দর।

আক্তার হোসেনের বড় ছেলে সিহাব বলেন, ভিডিওতে দেখেছি জায়েদ খান ডিগবাজি দেয়, লাফ দেয়। এই গরুটাও লাফ দেয়। দেখার পর ‘সঠিক নাম রাখা হয়েছে’ বলেও মন্তব্য করছেন অনেক দর্শনার্থীরা। ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি আমাদের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে আমরা পালছি। ছোট ভাই, আমি, মা-বাবা সবাই গরুর যত্ন নেই। গরুর প্রতি মায়া পড়ে গেছে। বিক্রির পর কিছুদিন খারাপ লাগবে বলেও জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/BH