০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪

বৃষ্টিপাতজনিত জলাবদ্ধতা মোকাবেলায় দক্ষিণ সিটির নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু: কাজ করছে ৯১টি দল

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবজনিত বৃষ্টিপাতের ফলে জলাবদ্ধতা নিরসনে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এছাড়াও করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় বৃষ্টিপাতজনিত জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে ৯১টি দল। এসব দলে ৫ জন করে কর্মী রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের ফলে করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় কোথাও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে সম্মানিত নগরবাসীকে ০১৭০৯৯০০৮৮৮ নম্বরে ফোন করার অনুরোধ করা হলো। নগরবাসীর এ সংক্রান্ত ফোন পেলে করপোরেশন হতে দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্যদিকে মাঠ পর্যায়ে করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৮০টি এবং প্রকৌশল বিভাগের ১১টি দল কাজ করছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ হতে প্রতিটি ওয়ার্ড ১টি করে এবং কয়েকটি ওয়ার্ডে ২/৩টি করে দল কাজ করছে। পাশাপাশি করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলে প্রকৌশল বিভাগ হতে ১১টি দল কাজ করছে।

করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাগণ এবং প্রকৌশল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ গঠিত এসব দলের কার্যক্রম তদারকি করছে, প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছে। একইসাথে করপোরেশনের কাউন্সিলরবৃন্দও বৃষ্টির পানি যাতে জমে থাকতে না পারে, সেজন্য মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছে।

এখানে উল্লেখ যে, অনেক জায়গায় নর্দমাগুলোর ক্যাচপিটে (যেদিক দিয়ে পানি সড়ক হতে নর্দমায় প্রবেশ করে) পলিথিন ও প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্যাদির জন্য পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হতে বাধা সৃষ্টি করছে। তাই, নগরবাসীর কাছে জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের সুফল পৌঁছে দিতে ঢাকাবাসীকে যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলার অনুরোধ করা হলো।

বিজনেস বাংলাদেশ/DS

জনপ্রিয়

বৃষ্টিপাতজনিত জলাবদ্ধতা মোকাবেলায় দক্ষিণ সিটির নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু: কাজ করছে ৯১টি দল

প্রকাশিত : ০৬:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবজনিত বৃষ্টিপাতের ফলে জলাবদ্ধতা নিরসনে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এছাড়াও করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় বৃষ্টিপাতজনিত জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে ৯১টি দল। এসব দলে ৫ জন করে কর্মী রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের ফলে করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় কোথাও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে সম্মানিত নগরবাসীকে ০১৭০৯৯০০৮৮৮ নম্বরে ফোন করার অনুরোধ করা হলো। নগরবাসীর এ সংক্রান্ত ফোন পেলে করপোরেশন হতে দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্যদিকে মাঠ পর্যায়ে করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৮০টি এবং প্রকৌশল বিভাগের ১১টি দল কাজ করছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ হতে প্রতিটি ওয়ার্ড ১টি করে এবং কয়েকটি ওয়ার্ডে ২/৩টি করে দল কাজ করছে। পাশাপাশি করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলে প্রকৌশল বিভাগ হতে ১১টি দল কাজ করছে।

করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাগণ এবং প্রকৌশল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ গঠিত এসব দলের কার্যক্রম তদারকি করছে, প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছে। একইসাথে করপোরেশনের কাউন্সিলরবৃন্দও বৃষ্টির পানি যাতে জমে থাকতে না পারে, সেজন্য মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছে।

এখানে উল্লেখ যে, অনেক জায়গায় নর্দমাগুলোর ক্যাচপিটে (যেদিক দিয়ে পানি সড়ক হতে নর্দমায় প্রবেশ করে) পলিথিন ও প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্যাদির জন্য পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হতে বাধা সৃষ্টি করছে। তাই, নগরবাসীর কাছে জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের সুফল পৌঁছে দিতে ঢাকাবাসীকে যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলার অনুরোধ করা হলো।

বিজনেস বাংলাদেশ/DS