সিলেট নগরীতে মধ্যরাত থেকে অতিবৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে সুরমা নদীর পানি উপচে প্রবেশ করেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সিলেট নগরীর বেশকিছু এলাকার বাসিন্দারা। নির্ঘুম রাত পার করতে হয়েছে বাসিন্দাদের।
সোমবার (৩ জুন) প্রথম প্রহর থেকেই সিলেট নগরীর তালতলা, শেখঘাট, কলাপাড়া মজুমদার পাড়া, লালদীঘি, উপশহর, যতরপুর, মেন্দিবাগ, জামতলা সহ অনেক এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
হঠাৎ মধ্যরাতে বাসাবাড়িতে পানি প্রবেশ করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরের বাসিন্দারা। শহরাঞ্চলে এমনিতেই জরাজীর্ণ পরিবেশে বেশিরভাগ মানুষের বসবাস তার ওপর এই বন্যা।
উপশহরের বাসিন্দা গোলাম সারোয়ার ফেইসবুকে পোস্ট করেন, “মেঘ কি বন্ধ হইব না? আরো ঘন্টাখানিক দিলে একদম ভাসিয়া যামু,দোয়ায় সামিল রাখবেন।”
গত রোববার (২ জুন) বিকেলে সিলেট নগরীর বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির বিষয়টি জানান পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ। তার বরাত দিয়ে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, গতকাল বিকেল তিনটা পর্যন্ত সিলেট নগরী সংলগ্ন সুরমা নদীর পানি বিপদসীমা থেকে ১ সে.মি. নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। কিন্তু টাকা প্রায় ছয় ঘন্টার রাতের এই অতি বৃষ্টিতে নতুন করে বন্যার শঙ্কা উকি দিচ্ছে।





















