১২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

হরিপুরে কচুর বাম্পার ফলন, দমও বেশি কৃষকের মুখে হাঁসি

ঠাকুরগাঁয়ের হরিপুর কচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। হাটে-বাজারে নতুন কচু একশত টাকা করে বিক্রয় হচ্ছে। বাজারে দাম বেশ ভাল হওয়ায় উপজেলার কচু চাষীর মুখে হাঁসি ফুটেছে।

হরিপুর কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কচুর আবাদ কম হলেও আবহাওয়াঅনুকূলে থাকায় এবার ৭হেক্টর জমিতে লতিকচু ও দেশী কচু সহ বিভিন্নজাতের কচুর আবাদ হয়েছে। হরিপুর উপজেলার ডাঙ্গীপাড়া গ্রামের কৃষক আঃমালেক বলেন, আমি দুই বিঘা জমিতে কচু চাষ করেছি। কচু চাষে কীটনাশকব্যবহার না করলেও চলে। তবে ক্ষেতে পানি সেচ ও রাসায়নিক সার ব্যবহার করতে হয়।এবার কচু চষের জন্য উপযুক্ত আবহাওয়াও ছিল। তাই এবার কচুর ফলন গত বারের চেয়ে বেশি হচ্ছে।

বর্তমানে বাজারে দেশী কচু একশত টাকা কেজি বিক্রয়হচ্ছে। আর কচুর লতি ৫০ টাকা কেজি বিক্রয় হচ্ছে। কাচা মাল ব্যবসায়ীরাআমাদের ক্ষেতে এসে নিয়ে যাচ্ছে। কচু তুলার পর ওই জমিতে আমন ধানলাগানো হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হুসেন বলেন, কচু চাষের প্রতি এ উপজেলার কৃষকের দিন দিন অগ্রহ বারছে। কচু চাষের কম খরচে অল্প সময়ের মধ্যে অধিক ফলন ও দাম ও ভালো পাওয়া যায়।

এতে কৃষক অতি সহজেই তার ক্ষতি পূশিয়ে নিতে পারে।

বিজনেস বাংলাদেশ/DS

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হরিপুরে কচুর বাম্পার ফলন, দমও বেশি কৃষকের মুখে হাঁসি

প্রকাশিত : ০৪:৪৮:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুন ২০২৪

ঠাকুরগাঁয়ের হরিপুর কচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। হাটে-বাজারে নতুন কচু একশত টাকা করে বিক্রয় হচ্ছে। বাজারে দাম বেশ ভাল হওয়ায় উপজেলার কচু চাষীর মুখে হাঁসি ফুটেছে।

হরিপুর কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কচুর আবাদ কম হলেও আবহাওয়াঅনুকূলে থাকায় এবার ৭হেক্টর জমিতে লতিকচু ও দেশী কচু সহ বিভিন্নজাতের কচুর আবাদ হয়েছে। হরিপুর উপজেলার ডাঙ্গীপাড়া গ্রামের কৃষক আঃমালেক বলেন, আমি দুই বিঘা জমিতে কচু চাষ করেছি। কচু চাষে কীটনাশকব্যবহার না করলেও চলে। তবে ক্ষেতে পানি সেচ ও রাসায়নিক সার ব্যবহার করতে হয়।এবার কচু চষের জন্য উপযুক্ত আবহাওয়াও ছিল। তাই এবার কচুর ফলন গত বারের চেয়ে বেশি হচ্ছে।

বর্তমানে বাজারে দেশী কচু একশত টাকা কেজি বিক্রয়হচ্ছে। আর কচুর লতি ৫০ টাকা কেজি বিক্রয় হচ্ছে। কাচা মাল ব্যবসায়ীরাআমাদের ক্ষেতে এসে নিয়ে যাচ্ছে। কচু তুলার পর ওই জমিতে আমন ধানলাগানো হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হুসেন বলেন, কচু চাষের প্রতি এ উপজেলার কৃষকের দিন দিন অগ্রহ বারছে। কচু চাষের কম খরচে অল্প সময়ের মধ্যে অধিক ফলন ও দাম ও ভালো পাওয়া যায়।

এতে কৃষক অতি সহজেই তার ক্ষতি পূশিয়ে নিতে পারে।

বিজনেস বাংলাদেশ/DS