১১:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম ওয়াসা সুয়্যারেজ প্রকল্পের মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম

চট্টগ্রাম মহানগরের পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে চট্টগ্রাম ওয়াসার অধীনে বাস্তবায়িত  পয়োনিষ্কাশন ও স্যুয়ারেজ প্রকল্প। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডকে ৬টি জোনে ভাগ করা হয়েছিল। কাজ শুরুর আগেই ব্যয় বৃদ্ধির   প্রস্তাব করা চট্টগ্রাম ওয়াসার   সুয়্যারেজ প্রকল্প অনিশ্চয়তার মধ্যে   পড়েছে। এক হাজার কোটি টাকার ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব দুই বছর ধরে ঝুলে আছে। সর্বশেষ একনেক   সভাতেও এই প্রস্তাব গ্রহণযোগ্যতা   পায়নি। অন্যদিকে সুয়্যারেজ   প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে নানা প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।  এ  অবস্থায়  চট্টগ্রামের প্রথম  সুয়্যারেজ প্রকল্পের মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম।

প্রথম পর্যায়ের হালিশহর ক্যাচমেন্ট   এরিয়ার কাজের নির্মাণব্যয় নির্ধারণ   করা হয়েছিল ৩ হাজার ৮০৮ কোটি   টাকা। ২০১৮ সালের জুলাই থেকে   প্রকল্পের বাস্তবায়নের  মেয়াদ  জুন,  ২০২৪  পর্যন্ত।  সেই  হিসেবে প্রকল্পের বাস্তবায়নের মেয়াদ শেষ হয়েছে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে   করোনা ভাইরাস, কনসালট্যান্ট   নিয়োগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান   নিয়োগে বিলম্ব, প্রকল্পের ডিজাইনে   কিছু পরিবর্তনসহ ডলারের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। এসব বিবেচনায় এনে প্রকল্পের কাজ শুরুর আগেই ২০২২ সালে প্রকল্পের ব্যয় ও সময় বৃদ্ধির   প্রস্তাব করে ওয়াসা। এক হাজার কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধি করে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়ন সময়   প্রস্তাব করা হয় আরডিপিপিতে।

সর্বশেষ  অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম একনেক সভা (১৮   সেপ্টেম্বর) থেকে   চট্টগ্রাম ওয়াসার সুয়্যারেজ প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়া হয়। ওইদিন সভাশেষে পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা   ড.ওয়াহিদউদ্দিন   মাহমুদ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত প্রকল্প বাদ দেয়া হয়েছে   জানিয়ে বলেন, কিছু প্রকল্প অনেকদিন ধরে ঝুলে আছে,সেগুলো দেখা হবে। নিরপেক্ষভাবে অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য নতুন প্রকল্পকগুলোকেই শুধুমাত্র একনেকে অনুমোদন হবে। চলমান প্রকল্প কোন পর্যায়ে আছে সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে। ১৯৬৩ সালে ওয়াসা সুপেয় পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশনকাজ শুরু হলেও  এখনো ওয়াসা পানি সরবরাহের   মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।   পয়োনিষ্কাশন বিষয়টি বাস্তবায়িত হয়নি। দীর্ঘ ৫০ বছর পর ওয়াসা পয়োনিষ্কাশন-প্রকল্প গ্রহণ করে।   পরিকল্পিত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা   গড়তে ২০১৭ সালে একটি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করেছিল ওয়াসা। যেখানে চার দশকে এ খাতে ২৪০ কোটি ডলার বিনিয়োগের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। সে পরিকল্পনায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে ছয়টি ভাগে ভাগ করে তা বাস্তবায়নের   কথা বলা হয়।

প্রাথমিকভাবে প্রথমক্যাচমেন্টের   বাস্তবায়ন হাত দেয় ওয়াসা। কাজ শুরুতেই প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব করতে হয় সংস্থাটিকে। চলমান কাজের মধ্যেও নানা  ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি ও মানহীনতার প্রশ্ন   উঠছে। অন্যদিকে সুয়্যারেজ নিয়ে প্রথম প্রকল্পের কাজ শেষ না করেই আরো প্রকল্পের দিকে অগ্রসর হচ্ছে সংস্থাটি। প্রথম পর্যায়ের কাজের মূল্যায়ন না করে পরবর্তী প্রকল্প অনুমোদন পেলে লেজেগোবরে অবস্থার সৃষ্টি হবে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব  বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট সভাপতি এসএম নাজের   হোসাইন   বলেন, সুয়্যারেজ প্রকল্পে বিভিন্ন জায়গায় ফাটল ও মানহীন কাজের অভিযোগ উঠেছে। কাজ শুরুর  আগেই  যে  প্রকল্পের  ব্যয়  বৃদ্ধির  প্রস্তাব করতে  হয়, বুঝা যায় সেখানে অন্য কোনো কাহিনী আছে। ওয়াসার প্রতিটি প্রকল্পে লুটপাট হয়েছে। মোটা অংকের কমিশন বাণিজ্য হয়েছে।   অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব একনেকে নাকচ করেছে।

ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম ওয়াসার   সুয়্যারেজ প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব একাধিকবার একনেক সভা থেকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। সর্বশেষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম একনেক সভাতেও প্রস্তাবটি   গ্রহণযোগ্যতা হারায়।অধিকতর যাচাইবাচাইয়ের পর প্রকল্পের ভবিষ্যৎ বুঝা যাবে।চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম বলেন, একনেক   থেকে   প্রকল্পটি   ফিরিয়ে দেয়া হয়নি,যাচাই-বাচাইয়ের কথা বলেছেন। সুয়্যারেজ প্রকল্পের   এক হাজার কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। এরমধ্যে ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে ৩শ কোটি টাকা, ট্যাক্স-ভ্যাট বাবদ ২০০ কোটি টাকা এবং বাকিটা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রকল্প প্রস্তাবনায়, সুয়্যারেজ বজর্য   পাইপলাইন ও খাল নালার মাধ্যমে   সংগ্রহ করে তা হালিশহর কেন্দ্রীয় ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে   পরিশোধনের কথা বলা হয়েছে।

হালিশহর এলাকায়   ১৬৫   একর   জায়গায় প্রকল্পটি স্থাপন করা হবে। প্রকল্পের অধীনে মোট ২০০ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন, ১৫টি পাম্প স্টেশন, ১৪৪ কিলোমিটার সার্ভিসলাইন ও ৮০ হাজার   ঘনমিটার ধারণক্ষমতার পয়ঃশোধনাগার স্থাপন করা হবে। বাসাবাড়ির পয়ঃবজর্য সংগ্রহ করে পরিশোধন করা হবে। প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসেবে ধরা হয়েছে প্রায় ২০ লাখ মানুষ। একনেক  থেকে  প্রকল্পটি   ফিরিয়ে  দেয়ার   প্রসঙ্গে  জানতে স্যুয়ারেজ প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।যদিও ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব করার পর   আরিফুল ইসলাম জানিয়েছিলেন,   সময়ের ব্যবধানে প্রকল্পের নির্মাণ সামগ্রী ও ডলারের দাম  বেড়েছে। প্রকল্পের ডিজাইনে কিছু  পরিবর্তন আনা হয়েছে। তাই বর্তমান বাজারমূল্য বিবেচনা করে  প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে গেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ডিএস

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চট্টগ্রাম ওয়াসা সুয়্যারেজ প্রকল্পের মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম

প্রকাশিত : ১২:১৬:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

চট্টগ্রাম মহানগরের পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে চট্টগ্রাম ওয়াসার অধীনে বাস্তবায়িত  পয়োনিষ্কাশন ও স্যুয়ারেজ প্রকল্প। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডকে ৬টি জোনে ভাগ করা হয়েছিল। কাজ শুরুর আগেই ব্যয় বৃদ্ধির   প্রস্তাব করা চট্টগ্রাম ওয়াসার   সুয়্যারেজ প্রকল্প অনিশ্চয়তার মধ্যে   পড়েছে। এক হাজার কোটি টাকার ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব দুই বছর ধরে ঝুলে আছে। সর্বশেষ একনেক   সভাতেও এই প্রস্তাব গ্রহণযোগ্যতা   পায়নি। অন্যদিকে সুয়্যারেজ   প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে নানা প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।  এ  অবস্থায়  চট্টগ্রামের প্রথম  সুয়্যারেজ প্রকল্পের মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম।

প্রথম পর্যায়ের হালিশহর ক্যাচমেন্ট   এরিয়ার কাজের নির্মাণব্যয় নির্ধারণ   করা হয়েছিল ৩ হাজার ৮০৮ কোটি   টাকা। ২০১৮ সালের জুলাই থেকে   প্রকল্পের বাস্তবায়নের  মেয়াদ  জুন,  ২০২৪  পর্যন্ত।  সেই  হিসেবে প্রকল্পের বাস্তবায়নের মেয়াদ শেষ হয়েছে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে   করোনা ভাইরাস, কনসালট্যান্ট   নিয়োগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান   নিয়োগে বিলম্ব, প্রকল্পের ডিজাইনে   কিছু পরিবর্তনসহ ডলারের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। এসব বিবেচনায় এনে প্রকল্পের কাজ শুরুর আগেই ২০২২ সালে প্রকল্পের ব্যয় ও সময় বৃদ্ধির   প্রস্তাব করে ওয়াসা। এক হাজার কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধি করে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়ন সময়   প্রস্তাব করা হয় আরডিপিপিতে।

সর্বশেষ  অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম একনেক সভা (১৮   সেপ্টেম্বর) থেকে   চট্টগ্রাম ওয়াসার সুয়্যারেজ প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়া হয়। ওইদিন সভাশেষে পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা   ড.ওয়াহিদউদ্দিন   মাহমুদ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত প্রকল্প বাদ দেয়া হয়েছে   জানিয়ে বলেন, কিছু প্রকল্প অনেকদিন ধরে ঝুলে আছে,সেগুলো দেখা হবে। নিরপেক্ষভাবে অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য নতুন প্রকল্পকগুলোকেই শুধুমাত্র একনেকে অনুমোদন হবে। চলমান প্রকল্প কোন পর্যায়ে আছে সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে। ১৯৬৩ সালে ওয়াসা সুপেয় পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশনকাজ শুরু হলেও  এখনো ওয়াসা পানি সরবরাহের   মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।   পয়োনিষ্কাশন বিষয়টি বাস্তবায়িত হয়নি। দীর্ঘ ৫০ বছর পর ওয়াসা পয়োনিষ্কাশন-প্রকল্প গ্রহণ করে।   পরিকল্পিত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা   গড়তে ২০১৭ সালে একটি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করেছিল ওয়াসা। যেখানে চার দশকে এ খাতে ২৪০ কোটি ডলার বিনিয়োগের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। সে পরিকল্পনায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে ছয়টি ভাগে ভাগ করে তা বাস্তবায়নের   কথা বলা হয়।

প্রাথমিকভাবে প্রথমক্যাচমেন্টের   বাস্তবায়ন হাত দেয় ওয়াসা। কাজ শুরুতেই প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব করতে হয় সংস্থাটিকে। চলমান কাজের মধ্যেও নানা  ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি ও মানহীনতার প্রশ্ন   উঠছে। অন্যদিকে সুয়্যারেজ নিয়ে প্রথম প্রকল্পের কাজ শেষ না করেই আরো প্রকল্পের দিকে অগ্রসর হচ্ছে সংস্থাটি। প্রথম পর্যায়ের কাজের মূল্যায়ন না করে পরবর্তী প্রকল্প অনুমোদন পেলে লেজেগোবরে অবস্থার সৃষ্টি হবে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব  বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট সভাপতি এসএম নাজের   হোসাইন   বলেন, সুয়্যারেজ প্রকল্পে বিভিন্ন জায়গায় ফাটল ও মানহীন কাজের অভিযোগ উঠেছে। কাজ শুরুর  আগেই  যে  প্রকল্পের  ব্যয়  বৃদ্ধির  প্রস্তাব করতে  হয়, বুঝা যায় সেখানে অন্য কোনো কাহিনী আছে। ওয়াসার প্রতিটি প্রকল্পে লুটপাট হয়েছে। মোটা অংকের কমিশন বাণিজ্য হয়েছে।   অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব একনেকে নাকচ করেছে।

ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম ওয়াসার   সুয়্যারেজ প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব একাধিকবার একনেক সভা থেকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। সর্বশেষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম একনেক সভাতেও প্রস্তাবটি   গ্রহণযোগ্যতা হারায়।অধিকতর যাচাইবাচাইয়ের পর প্রকল্পের ভবিষ্যৎ বুঝা যাবে।চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম বলেন, একনেক   থেকে   প্রকল্পটি   ফিরিয়ে দেয়া হয়নি,যাচাই-বাচাইয়ের কথা বলেছেন। সুয়্যারেজ প্রকল্পের   এক হাজার কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। এরমধ্যে ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে ৩শ কোটি টাকা, ট্যাক্স-ভ্যাট বাবদ ২০০ কোটি টাকা এবং বাকিটা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রকল্প প্রস্তাবনায়, সুয়্যারেজ বজর্য   পাইপলাইন ও খাল নালার মাধ্যমে   সংগ্রহ করে তা হালিশহর কেন্দ্রীয় ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে   পরিশোধনের কথা বলা হয়েছে।

হালিশহর এলাকায়   ১৬৫   একর   জায়গায় প্রকল্পটি স্থাপন করা হবে। প্রকল্পের অধীনে মোট ২০০ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন, ১৫টি পাম্প স্টেশন, ১৪৪ কিলোমিটার সার্ভিসলাইন ও ৮০ হাজার   ঘনমিটার ধারণক্ষমতার পয়ঃশোধনাগার স্থাপন করা হবে। বাসাবাড়ির পয়ঃবজর্য সংগ্রহ করে পরিশোধন করা হবে। প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসেবে ধরা হয়েছে প্রায় ২০ লাখ মানুষ। একনেক  থেকে  প্রকল্পটি   ফিরিয়ে  দেয়ার   প্রসঙ্গে  জানতে স্যুয়ারেজ প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।যদিও ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব করার পর   আরিফুল ইসলাম জানিয়েছিলেন,   সময়ের ব্যবধানে প্রকল্পের নির্মাণ সামগ্রী ও ডলারের দাম  বেড়েছে। প্রকল্পের ডিজাইনে কিছু  পরিবর্তন আনা হয়েছে। তাই বর্তমান বাজারমূল্য বিবেচনা করে  প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে গেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ডিএস