০৩:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কু-চক্র মহলের অপপ্রচারের স্বীকার হচ্ছেন “আলহাজ্ব গনি আহাম্মদ

সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাস্থ ফেনী সমিতির নির্বাচন ঘিরে একটি কু-চক্র মহল নিজস্ব স্বার্থ হাসিল করার লক্ষে বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক ও দ্বীন গ্রুপের চেয়ারম‍্যান আলহাজ্ব গণি আহমেদের বিরুদ্ধে উদ্দ‍্যোশ‍্য প্রণোদিতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ‍্যম ফেইসবুকে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক দানবীর গণি আহমেদ ঢাকাস্থ ফেনী সমিতির তৎকালীন নির্বাচনে ফেনীবাসীর ৮৫% শতাংস ভোট পেয়ে ঢাকাস্থ ফেনী সমিতির তিনবারের সিনিয়র সহসভাপতি ও তিনবারের সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়ে সফলতার সহিত ১৮ বছর ফেনী সমিতির নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

আলহাজ্ব গনি আহমেদ এর বক্তব‍্য হুবহুব তুলে ধরা হলোঃ
প্রিয় ফেনীবাসী আসসালামু-আলাইকুম আমি আলহাজ্ব গনি আহাম্মদ,আল্লাহর অশেষ রহমতে অত্যান্ত সুনামের সহিত ১৯৭৯ সাল থেকে রাজধানীর সেই নয়াবাজার থেকে আমি ব্যবসার সাথে জড়িত । আপনাদের দোয়ায় ও ভালোবাসায় আমি ১৯৮৩ সাল থেকেই একজন সফল ব্যবসায়ী।আমি ১৯৮৩ সাল থেকে দ্বীনের পথে মানবসেবা ও সমাজসেবা করে আসছি এবং বর্তমানেও তাহা চলমান রেখেছি। আমার ব্যবসার একটা অংশ আমি প্রতিনিয়ত সমাজসেবায় ব্যয় করে আসছি।আমি একজন ব্যবসায়ী,আমার কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই।

তবে ব্যবসায়িক স্বার্থে সকল রাজনৈতিক ব্যাক্তি বর্গের সাথে আমার চলাফেরা এবং সু-সম্পর্ক রয়েছে।কিছু কু-চক্র মহল টি তাদের নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশে আমাকে ফেনী জেলার আওয়ামীলীগের জেলা কমিটির সদস্য বানিয়ে সামাজিক মাধ‍্যম ফেইসবুকে প্রচার করে যাচ্ছেন যাহা সম্পূন্ন উদ্দ‍্যেশ‍্য প্রণোদিত মিথ‍্যা ও ভিত্তিহীন ।

আমি আমার নিজ ব‍্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়ে প্রতিনিয়ত ব‍্যস্ত থাকি রাজনৈতিক কোনো মিছিল মিটিং বা সভা-সমাবেশে কোন কিছুতেই নিজেকে জড়াই নি।বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন প্রোগ্রামে শতশতবার আমাকে আমন্ত্রন পত্র পাঠালেও আমি কখনও কোনো রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে যাইনি।

ঢাকা মহানগর বিএনপির কার্যালয় আমার নয়াবাজার অফিসের সাথে হওয়ায় সেই সুবাদে বিএনপির বর্তমান নেতাকর্মীরা ফ্রি সময়ে ১৯৮৩ সালে আমার নয়াবাজার অফিসে মাঝেমধ‍্যে আসতেন চা-কপি খেয়ে চলে যেতেন।

বিএনপির দুরসময়ে আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে নেতাকর্মীদের সহযোগিতা করতাম । সুধু সহযোগিতা নয় আমার অফিসের আমার ব‍্যবহুত ২টি লাল টেলিফোন বিএনপির সিনিয়র নেতাকর্মীগণ ব্যবহারের মাধ্যমে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঢাকার সাবেক সফল মেয়র মরহুম সাদেক হোসেন খোকা ভাই, মির্জা আব্বাস ভাই, মীর শওকত আলী ভাই, মেজর মান্নান ভাই ও হান্নান শাহ ভাই ছাড়াও আরও অনেকেই আমার অফিসে প্রতিনিয়ত আসতেন।

আজকে যারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে তাদের ও আমার এই বিষয় গুলো জানা উচিত আমি বিএনপির জন‍্য তৎকালিন যা করেছি তখন তাদের জন্ম হয়নাই।অথচ আমার হাত ধরেই তাদের অনেকেরই উত্থান।

আলহামদুলিল্লাহ আমি এখনও আপনাদের সকলের দোয়া ভালোবাসায় একজন সফল ব‍্যবসায়ী। ব্যবসার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমার সাথে কোনো মন-মালিন্ন হয়নি আশা করি কখনও হবে না।

আমি বিগত ১৮ বছর ঢাকাস্থ ফেনী জেলা সমিতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম ।তাদের মধ্যে আমি ৮৫% ভোটে নির্বাচিত হয়ে সিনিয়র সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি এবং পরবর্তীতে ৯ বছর জেনারেল সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করি।এর মধ্যে আমি ১৯৯১ সাল থেকে বিএনপির শাসন আমলের প্রায় ১০ বছর অত্যান্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি এবং মুস্তাফিজুর রহমান দুলাল ভাইসহ তোপখানা রোডের ফেনী সমিতির স্থায়ী অফিস ক্রয় করি। এবং ফেনী সমিতির চেয়ার-টেবিল থেকে শুরু করে পর্দা পর্যন্ত আমার নিজস্ব অর্থায়নে করা, যাহা এখনও ব্যাবহারিত হচ্ছে।

১৯৯১ সালে তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতে ফেনী সমিতির ব্যানারে শীতবস্ত্র বিতরন করি। আমাদের ফেনী সমিতির যেকোনো অনুষ্ঠানে প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, জনাব আব্দুল আওয়াল মিন্টু ,জনাব এহসানুল হক মিলন, প্রয়াত জনাব নাজমুল হুদাসহ বিএনপির তৎকালীন বহু সিনিয়র নেতা কর্মী উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান গুলোকে সাফল্যমণ্ডিত করেছেন।

সম্প্রতি সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ষড়যন্ত্রকারী আমার নামে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন।আমি নাকি ২০ লক্ষ টাকা এবং কিছু উপহার সামগ্রীর বিনিময়ে ঢাকাস্থ ফেনী সমিতির সভাপতির পদ প্রত্যাশী,যাহা সম্পূর্ণ বানোয়াট,ভিত্তিহীন,মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমুলক।কুচক্রি মহলটি আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার পায়তারা করছে ।টাকা দিয়ে পদ কেনার প্রশ্ন উঠেনা।টাকা দিয়ে পদ-পদবী নেওয়ার ইচ্ছা থাকলে বিগত সরকারের আমলে সভাপতি হতে পারতাম। কারন আমি নীতিতে অটল।

ডিএস//

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

১২ ফেব্রুয়া‌রির নির্বাচন স্বাধীনতা রক্ষা করার নির্বাচন

কু-চক্র মহলের অপপ্রচারের স্বীকার হচ্ছেন “আলহাজ্ব গনি আহাম্মদ

প্রকাশিত : ০৩:৫৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫

সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাস্থ ফেনী সমিতির নির্বাচন ঘিরে একটি কু-চক্র মহল নিজস্ব স্বার্থ হাসিল করার লক্ষে বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক ও দ্বীন গ্রুপের চেয়ারম‍্যান আলহাজ্ব গণি আহমেদের বিরুদ্ধে উদ্দ‍্যোশ‍্য প্রণোদিতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ‍্যম ফেইসবুকে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক দানবীর গণি আহমেদ ঢাকাস্থ ফেনী সমিতির তৎকালীন নির্বাচনে ফেনীবাসীর ৮৫% শতাংস ভোট পেয়ে ঢাকাস্থ ফেনী সমিতির তিনবারের সিনিয়র সহসভাপতি ও তিনবারের সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়ে সফলতার সহিত ১৮ বছর ফেনী সমিতির নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

আলহাজ্ব গনি আহমেদ এর বক্তব‍্য হুবহুব তুলে ধরা হলোঃ
প্রিয় ফেনীবাসী আসসালামু-আলাইকুম আমি আলহাজ্ব গনি আহাম্মদ,আল্লাহর অশেষ রহমতে অত্যান্ত সুনামের সহিত ১৯৭৯ সাল থেকে রাজধানীর সেই নয়াবাজার থেকে আমি ব্যবসার সাথে জড়িত । আপনাদের দোয়ায় ও ভালোবাসায় আমি ১৯৮৩ সাল থেকেই একজন সফল ব্যবসায়ী।আমি ১৯৮৩ সাল থেকে দ্বীনের পথে মানবসেবা ও সমাজসেবা করে আসছি এবং বর্তমানেও তাহা চলমান রেখেছি। আমার ব্যবসার একটা অংশ আমি প্রতিনিয়ত সমাজসেবায় ব্যয় করে আসছি।আমি একজন ব্যবসায়ী,আমার কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই।

তবে ব্যবসায়িক স্বার্থে সকল রাজনৈতিক ব্যাক্তি বর্গের সাথে আমার চলাফেরা এবং সু-সম্পর্ক রয়েছে।কিছু কু-চক্র মহল টি তাদের নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশে আমাকে ফেনী জেলার আওয়ামীলীগের জেলা কমিটির সদস্য বানিয়ে সামাজিক মাধ‍্যম ফেইসবুকে প্রচার করে যাচ্ছেন যাহা সম্পূন্ন উদ্দ‍্যেশ‍্য প্রণোদিত মিথ‍্যা ও ভিত্তিহীন ।

আমি আমার নিজ ব‍্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়ে প্রতিনিয়ত ব‍্যস্ত থাকি রাজনৈতিক কোনো মিছিল মিটিং বা সভা-সমাবেশে কোন কিছুতেই নিজেকে জড়াই নি।বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন প্রোগ্রামে শতশতবার আমাকে আমন্ত্রন পত্র পাঠালেও আমি কখনও কোনো রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে যাইনি।

ঢাকা মহানগর বিএনপির কার্যালয় আমার নয়াবাজার অফিসের সাথে হওয়ায় সেই সুবাদে বিএনপির বর্তমান নেতাকর্মীরা ফ্রি সময়ে ১৯৮৩ সালে আমার নয়াবাজার অফিসে মাঝেমধ‍্যে আসতেন চা-কপি খেয়ে চলে যেতেন।

বিএনপির দুরসময়ে আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে নেতাকর্মীদের সহযোগিতা করতাম । সুধু সহযোগিতা নয় আমার অফিসের আমার ব‍্যবহুত ২টি লাল টেলিফোন বিএনপির সিনিয়র নেতাকর্মীগণ ব্যবহারের মাধ্যমে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঢাকার সাবেক সফল মেয়র মরহুম সাদেক হোসেন খোকা ভাই, মির্জা আব্বাস ভাই, মীর শওকত আলী ভাই, মেজর মান্নান ভাই ও হান্নান শাহ ভাই ছাড়াও আরও অনেকেই আমার অফিসে প্রতিনিয়ত আসতেন।

আজকে যারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে তাদের ও আমার এই বিষয় গুলো জানা উচিত আমি বিএনপির জন‍্য তৎকালিন যা করেছি তখন তাদের জন্ম হয়নাই।অথচ আমার হাত ধরেই তাদের অনেকেরই উত্থান।

আলহামদুলিল্লাহ আমি এখনও আপনাদের সকলের দোয়া ভালোবাসায় একজন সফল ব‍্যবসায়ী। ব্যবসার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমার সাথে কোনো মন-মালিন্ন হয়নি আশা করি কখনও হবে না।

আমি বিগত ১৮ বছর ঢাকাস্থ ফেনী জেলা সমিতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম ।তাদের মধ্যে আমি ৮৫% ভোটে নির্বাচিত হয়ে সিনিয়র সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি এবং পরবর্তীতে ৯ বছর জেনারেল সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করি।এর মধ্যে আমি ১৯৯১ সাল থেকে বিএনপির শাসন আমলের প্রায় ১০ বছর অত্যান্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি এবং মুস্তাফিজুর রহমান দুলাল ভাইসহ তোপখানা রোডের ফেনী সমিতির স্থায়ী অফিস ক্রয় করি। এবং ফেনী সমিতির চেয়ার-টেবিল থেকে শুরু করে পর্দা পর্যন্ত আমার নিজস্ব অর্থায়নে করা, যাহা এখনও ব্যাবহারিত হচ্ছে।

১৯৯১ সালে তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতে ফেনী সমিতির ব্যানারে শীতবস্ত্র বিতরন করি। আমাদের ফেনী সমিতির যেকোনো অনুষ্ঠানে প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, জনাব আব্দুল আওয়াল মিন্টু ,জনাব এহসানুল হক মিলন, প্রয়াত জনাব নাজমুল হুদাসহ বিএনপির তৎকালীন বহু সিনিয়র নেতা কর্মী উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান গুলোকে সাফল্যমণ্ডিত করেছেন।

সম্প্রতি সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ষড়যন্ত্রকারী আমার নামে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন।আমি নাকি ২০ লক্ষ টাকা এবং কিছু উপহার সামগ্রীর বিনিময়ে ঢাকাস্থ ফেনী সমিতির সভাপতির পদ প্রত্যাশী,যাহা সম্পূর্ণ বানোয়াট,ভিত্তিহীন,মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমুলক।কুচক্রি মহলটি আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার পায়তারা করছে ।টাকা দিয়ে পদ কেনার প্রশ্ন উঠেনা।টাকা দিয়ে পদ-পদবী নেওয়ার ইচ্ছা থাকলে বিগত সরকারের আমলে সভাপতি হতে পারতাম। কারন আমি নীতিতে অটল।

ডিএস//