সাতকানিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বোরো চাষাবাদ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। সরেজমিনে দেখা যায়, কেউ ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষাবাদের উপযোগী করছেন, কেউ আঁইল বাঁধছেন, আবার কেউ রোপণ করছেন।বোরো রোপন শুরু হয়েছে সাতকানিয়া পৌরসভা,সোনাকানিয়া,ঢেমশা, কেওঁচিয়া, বাজালিয়া সহ কিছু ইউনিয়নে।
বাংলাদেশে চাষযোগ্য জমি দিন দিন কমছে এবং বাড়ছে লোকসংখ্যা । ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মেটাতে হাইব্রিড ধান চাষের বিকল্প নেই। উফশী জাতের তুলনায় হাইব্রিড ধান চাষে ৩০-৪০% ফলন বৃদ্ধি হয়। তাই হাইব্রিড ধান চাষাবাদ এখন সময়ের দাবি।
হাইব্রিড ধান উৎপাদন পদ্ধতি উফশী ধানচাষ পদ্ধতির মতোই,তবে হাইব্রিড ধানচাষের ক্ষেত্রে বীজতলার জন্য বিশেষ যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। হাইব্রিড ধান চাষের উল্লেখযোগ্য দিক হলো হাইব্রিড ধানের জন্য প্রতি হেক্টরে মাত্র ২০ কেজি বীজ ব্যবহার করা হয়।
ঢেমশা ৩ নং ওয়ার্ডের কৃষক আরফান বলেন, এই বোরো মৌসুমে আমি ১২ কাণি জমিতে চাষাবাদ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছি, ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জমিতে আমি নিজে এবং আরো ৩/৪ জন নিয়মিত কাজ করছে। এই বোরো চাষে ১২ কাণিতে আনুমানিক ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা খরচ হবে বলে জানান তিনি,শীত মৌসুমে পানি সেচের একটু সমস্যা হয় তারপরেও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন হবে বলে আশাবাদী।
উপজেলা কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান বলেন,এবার আমাদের বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৭৩৯৮ হেক্টর। গতবার আবাদ হয়েছিল ৭৩০০ হেক্টর। সাতকানিয়া উপজেলা বোরো বীজতলা হয়েছে উফশী ২৬৩ হেক্টর ও হাইব্রিড ১৭০ হেক্টর, আজ পর্যন্ত বোরো আবাদ ৭৩০ হেক্টর।
এবার প্রণোদনা পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ৫৮৭০ জন কৃষককে ৫ কেজি করে উফশী বোরো ধান বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার এবং ৪৫০০ জন কৃষককে ২ কেজি করে হাইব্রিড বোরো ধান বীজ বিতরণ করা হয়েছে।
ডিএস//




















