গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ০৮ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।
এসআই (নিঃ) মোজাম্মেল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার এজাহারনামীয় আসামী ১। মোঃ সবুজ মন্ডল (৩৮), পিতা-আঃ সাত্তার মন্ডল,কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চর কালিবাড়ী মিলগেইট এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।
এসআই (নিঃ) খলিলুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ১। মানিক মিয়া ওরফে পুটিয়া মানিক (৪০), পিতা-মৃত হিরা মিয়া, সাং-৬৮ সেহড়া চামড়া গুদাম, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন ৫৩ নং শামীম কেবিনেট ফার্ম সেহড়া চামড়ার গুদামের সামনে রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করা হয় এবং তাহার নিকট হইতে ০৪ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
এসআই (নিঃ) গোলাম রব্বানী সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ১। মোঃ মোনায়েম খান (২৪), পিতা-একে.এম কামাল হোসেন খান, কে কোতোয়ালী থানাধীন বাড়ারার পাড়স্থ এশিয়া ব্রীক্স এর গেইটের সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করা হয় এবং তাহার নিকট হইতে ১৫ পিস ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।
এসআই (নিঃ) রিপন চন্দ্র সরকার সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া চুরি মামলার আসামী ১। মোঃ নাঈম খান পাঠান (৩৮), পিতা-মাওলানা মোঃ আব্দুর রহমান ২। মোঃ আব্দুল্লাহ তুষার চন্দ্র দে (২২), পিতা-মন্টু চন্দ্র কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চরপাড়া এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।
এসআই (নিঃ) আব্দুল হক সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ মোফাজ্জল হোসেন (৪৫), পিতামৃত-চানু মিয়া, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন বয়ড়া এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।
র-১৪ এর অফিসার সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ১। মোঃ বকতিয়ার (৩৫), পিতা-মোঃ রফি উদ্দিন কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন সুহিলা এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয় এবং তাহার নিকট ৩৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।
ইহাছাড়াও এএসআই (নিঃ) সুকান্ত দেবনাথ থানা এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করিয়া ০১টি পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেফতার করেন।
পরোয়ানাভূক্ত আসামীর নাম ও ঠিকানা
১। মোঃ মিনাল মিয়া, পিতা-মোঃ জয়নাল আবেদীন, সাং-চর ঈশ্বরদিয়া থানা-কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহ
প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হইয়াছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ডিএস




















