০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশেই চোরাই তেলের দোকান আছে ৪০টি

সড়কের পাশে ছোট ঝুপড়ি দোকান। দোকানের সামনে রাখা আছে টিনের ড্রাম। তার ওপরে প্লাস্টিকের কাটা জেরিক্যান। ক্রেতারা দেখলেই বুঝে যান দোকানটিতে চোরাই তেল কেনাবেচা হয়।

বলছিলাম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশেই অবৈধ জ্বালানী তেলের দোকানের কথা। এসব দোকানে পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, যমুনা অয়েল কোম্পানী লিমিটেডসহ সরকারী বিভিন্ন ট্যাঙ্কার থেকে চালকরা তেল চুরি করে বিক্রি করেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশের কুমিরা থেকে ফৌজদারহাট-বন্দর সংযোগ সড়কের ২৫ কিলোমিটারেই রয়েছে ৪০টি চোরাই তেলের দোকান। তারমধ্যে ফৌজদারহাট-বন্দর সংযোগ সড়কের ১২ কিলোমিটারেই রয়েছে চোরাই তেলের এ রকম ১৬টি দোকান। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে ভোর রাতে এসব দোকানের সামনে একের পর এক যানবাহন দাঁড়িয়ে তেল বিক্রি করে। আর তাদের কাছ থেকে তেল কিনে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।

খোলাবাজারে এভাবে জ্বালানী তেল বিক্রি করা অবৈধ হলেও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। এ ছাড়া জ্বালানী তেলের কতটি অবৈধ দোকান রয়েছে, তার কোনো তথ্য নেই ফায়ার সার্ভিস, থানা ও হাইওয়ে পুলিশ, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ কিংবা প্রশাসনের কাছে।

তদারকি না থাকায় যত্রতত্র গড়ে উঠেছে চোরাই তেলের এসব অবৈধ দোকান। তেল দাহ্য পদার্থ হওয়ায় এসব দোকানে প্রায় ঘটছে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সর্বশেষ গত ২৬ জানুয়ারী দিবাগত রাত ১২টা ৮ মিনিটের সময় উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় এ রকম একটি অবৈধ দোকানে তেলবাহী গাড়ী দাঁড় করিয়ে তেল চুরির সময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তেলের দোকানটির ওপরে ফার্নিচারের শোরুম, স্টেশনারী, গার্মেন্টসের জুট, বেয় কয়েকটি চায়ের দোকান, কুলিং কর্ণার, ফার্নিচার দোকান, রড সিমেন্টের দোকানসহ ১৫টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট প্রথম দফায় ৯ ঘণ্টা, দ্বিতীয় দফায় একটি ইউনিট তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফৌজদারহাট-বন্দর সংযোগ সড়কের দুই পাশে চোরাই তেলের ১৬টি দোকান রয়েছে। প্রতিটি দোকানের সামনে এক-দুজন করে লোক বসা থাকেন। এ দোকানগুলোর সামনেই তেলবাহী গাড়ী দাঁড়ানোর পর পাইপ দিয়ে জ্বালানী তেল ট্যাংক থেকে বের করে নেওয়া হয়। বাংলাবাজারের যে দোকানে কিছুদিন আগে আগুন লেগেছে, তার ঠিক পূর্বপাশে ক্যাডেট কলেজের মূল ফটক লাগোয়া স্থানে এ রকম তেলের দোকান রয়েছে। তাছাড়া বাঁশবাড়িয়া, ছোট কুমিরা, কাশেম জুট মিল গেইট এলাকায়ও এ ধরনের দোকান দেখা যায়।

ছোট কুমিরা এলাকায় কসাইখানার পাশের এ রকম চোরাই তেলের একটি দোকান রয়েছে। দোকানটির মালিক মোঃ রাসেল বলেন, সীতাকুণ্ডে কতটি তেলের দোকান আছে তার জানা নেই। তিনি এখন টুকটাক তেল বিক্রি করেন। বাজারমূল্য থেকে কমদামে তেল কিনে খুচরায় বিক্রি করেন। এতে প্রতি লিটারে তার ৫ থেকে ১০ টাকা লাভ থাকে।

এ ব্যবসা করতে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে কিছু দালাল তাদের কাছ থেকে মাসোহারা নিয়ে যায় বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চোরাই তেল ব্যবসায়ী। তিনি প্রতিবেদককে বলেন, আমরা বাজার মূল্যের চেয়ে অর্ধেক দামে জ্বালানী তেল কিনে নিয়ে বিক্রি করি। এতে আমাদের লাভ থাকে। মাঝে মাঝে পুলিশের সোর্স আসে। মাসে মাসে তারা দোকান অনুসারে ৩ হাজার, ৫ হাজার কিংবা ১০ হাজার টাকা করে নিয়ে যায়। তাই ঝামেলা হয় না।

সলিমপুরের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ খোরশেদ আলম ও জহিরুল ইসলামের ভাষ্য, বন্দর সংযোগ সড়ক ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড উপজেলার বিভিন্ন অংশে অবৈধ জ্বালানী তেলের দোকান গড়ে উঠেছে। পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ বিভিন্ন পেট্রোলপাম্প ও সরকারী কাজের ট্যাঙ্কার দিয়ে জ্বালানী তেল নেওয়া হয়। এসব যানবাহনের চালককে হাত করে অবৈধ ব্যবসায়ীরা কম দামে তেল কিনে নেয়। তারা পেট্রোলপাম্পের চেয়েও কম দামে তেল বিক্রি করতে পারেন। দীর্ঘদিন ধরে এই চক্র সক্রিয় থাকলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

এসব তথ্য জানিয়ে জলিলগেটে অবস্থিত মা ফাতেমা সিএনজি ও পেট্রোলপাম্পের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ রুবেল বলেন, কিছু পেট্রলপাম্পে ভাড়া করা ট্যাঙ্কলরি দিয়ে জ্বালানী তেল সরবরাহ করা হয়। এসব লরির চালকরা অবৈধভাবে গড়ে ওঠা তেলের দোকানে চুরি করে তেল বিক্রি করেন। এতে করে বিপদের আশঙ্কা থাকে। বাংলাবাজারের অগ্নিকাণ্ড এরই উদাহরণ। অবৈধ জ্বালানী তেলের দোকান বন্ধ না হলে আরও ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আল মামুন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ২০/২৫টি অবৈধ তেলের দোকান থাকতে পারে। তবে সঠিক তথ্য তার কাছে নেই।

মহাসড়কের পাশে ঠিক কতটি চোরাই তেলের দোকান রয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই পুলিশের কাছেও।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে গড়ে ওঠা জ্বালানী তেলের দোকানগুলোর তথ্য সংগ্রহ করতেছি। শিগরই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে এম রফিকুল ইসলাম বলেন, সড়ক-মহাসড়কের পাশের জমি সওজের। তারাই কেবল জানে এ ধরনের কতটি অবৈধ তেলের দোকান রয়েছে। দোকানগুলো অবৈধ হলে সওজ উচ্ছেদ অভিযান চালাতে পারে। সে ক্ষেত্রে আমরা সওজকে সহযোগীতা করবো।

এ বিষয়ে সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন বলেন, আমাদের কাছে সড়কের পাশের যত অবৈধ স্থাপনা আছে, তার তালিকা রয়েছে, কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে চোরাই তেলের অবৈধ দোকান কয়টি আছে, তার কোনো হিসাব নেই। দু-এক দিনের মধ্যে আমরা এ ধরনের তালিকা তৈরী করে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর জন্য উপজেলা প্রশাসনকে জানাবো।

ডিএস../

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশেই চোরাই তেলের দোকান আছে ৪০টি

প্রকাশিত : ১২:৪৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সড়কের পাশে ছোট ঝুপড়ি দোকান। দোকানের সামনে রাখা আছে টিনের ড্রাম। তার ওপরে প্লাস্টিকের কাটা জেরিক্যান। ক্রেতারা দেখলেই বুঝে যান দোকানটিতে চোরাই তেল কেনাবেচা হয়।

বলছিলাম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশেই অবৈধ জ্বালানী তেলের দোকানের কথা। এসব দোকানে পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, যমুনা অয়েল কোম্পানী লিমিটেডসহ সরকারী বিভিন্ন ট্যাঙ্কার থেকে চালকরা তেল চুরি করে বিক্রি করেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশের কুমিরা থেকে ফৌজদারহাট-বন্দর সংযোগ সড়কের ২৫ কিলোমিটারেই রয়েছে ৪০টি চোরাই তেলের দোকান। তারমধ্যে ফৌজদারহাট-বন্দর সংযোগ সড়কের ১২ কিলোমিটারেই রয়েছে চোরাই তেলের এ রকম ১৬টি দোকান। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে ভোর রাতে এসব দোকানের সামনে একের পর এক যানবাহন দাঁড়িয়ে তেল বিক্রি করে। আর তাদের কাছ থেকে তেল কিনে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।

খোলাবাজারে এভাবে জ্বালানী তেল বিক্রি করা অবৈধ হলেও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। এ ছাড়া জ্বালানী তেলের কতটি অবৈধ দোকান রয়েছে, তার কোনো তথ্য নেই ফায়ার সার্ভিস, থানা ও হাইওয়ে পুলিশ, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ কিংবা প্রশাসনের কাছে।

তদারকি না থাকায় যত্রতত্র গড়ে উঠেছে চোরাই তেলের এসব অবৈধ দোকান। তেল দাহ্য পদার্থ হওয়ায় এসব দোকানে প্রায় ঘটছে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সর্বশেষ গত ২৬ জানুয়ারী দিবাগত রাত ১২টা ৮ মিনিটের সময় উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় এ রকম একটি অবৈধ দোকানে তেলবাহী গাড়ী দাঁড় করিয়ে তেল চুরির সময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তেলের দোকানটির ওপরে ফার্নিচারের শোরুম, স্টেশনারী, গার্মেন্টসের জুট, বেয় কয়েকটি চায়ের দোকান, কুলিং কর্ণার, ফার্নিচার দোকান, রড সিমেন্টের দোকানসহ ১৫টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট প্রথম দফায় ৯ ঘণ্টা, দ্বিতীয় দফায় একটি ইউনিট তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফৌজদারহাট-বন্দর সংযোগ সড়কের দুই পাশে চোরাই তেলের ১৬টি দোকান রয়েছে। প্রতিটি দোকানের সামনে এক-দুজন করে লোক বসা থাকেন। এ দোকানগুলোর সামনেই তেলবাহী গাড়ী দাঁড়ানোর পর পাইপ দিয়ে জ্বালানী তেল ট্যাংক থেকে বের করে নেওয়া হয়। বাংলাবাজারের যে দোকানে কিছুদিন আগে আগুন লেগেছে, তার ঠিক পূর্বপাশে ক্যাডেট কলেজের মূল ফটক লাগোয়া স্থানে এ রকম তেলের দোকান রয়েছে। তাছাড়া বাঁশবাড়িয়া, ছোট কুমিরা, কাশেম জুট মিল গেইট এলাকায়ও এ ধরনের দোকান দেখা যায়।

ছোট কুমিরা এলাকায় কসাইখানার পাশের এ রকম চোরাই তেলের একটি দোকান রয়েছে। দোকানটির মালিক মোঃ রাসেল বলেন, সীতাকুণ্ডে কতটি তেলের দোকান আছে তার জানা নেই। তিনি এখন টুকটাক তেল বিক্রি করেন। বাজারমূল্য থেকে কমদামে তেল কিনে খুচরায় বিক্রি করেন। এতে প্রতি লিটারে তার ৫ থেকে ১০ টাকা লাভ থাকে।

এ ব্যবসা করতে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে কিছু দালাল তাদের কাছ থেকে মাসোহারা নিয়ে যায় বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চোরাই তেল ব্যবসায়ী। তিনি প্রতিবেদককে বলেন, আমরা বাজার মূল্যের চেয়ে অর্ধেক দামে জ্বালানী তেল কিনে নিয়ে বিক্রি করি। এতে আমাদের লাভ থাকে। মাঝে মাঝে পুলিশের সোর্স আসে। মাসে মাসে তারা দোকান অনুসারে ৩ হাজার, ৫ হাজার কিংবা ১০ হাজার টাকা করে নিয়ে যায়। তাই ঝামেলা হয় না।

সলিমপুরের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ খোরশেদ আলম ও জহিরুল ইসলামের ভাষ্য, বন্দর সংযোগ সড়ক ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড উপজেলার বিভিন্ন অংশে অবৈধ জ্বালানী তেলের দোকান গড়ে উঠেছে। পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ বিভিন্ন পেট্রোলপাম্প ও সরকারী কাজের ট্যাঙ্কার দিয়ে জ্বালানী তেল নেওয়া হয়। এসব যানবাহনের চালককে হাত করে অবৈধ ব্যবসায়ীরা কম দামে তেল কিনে নেয়। তারা পেট্রোলপাম্পের চেয়েও কম দামে তেল বিক্রি করতে পারেন। দীর্ঘদিন ধরে এই চক্র সক্রিয় থাকলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

এসব তথ্য জানিয়ে জলিলগেটে অবস্থিত মা ফাতেমা সিএনজি ও পেট্রোলপাম্পের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ রুবেল বলেন, কিছু পেট্রলপাম্পে ভাড়া করা ট্যাঙ্কলরি দিয়ে জ্বালানী তেল সরবরাহ করা হয়। এসব লরির চালকরা অবৈধভাবে গড়ে ওঠা তেলের দোকানে চুরি করে তেল বিক্রি করেন। এতে করে বিপদের আশঙ্কা থাকে। বাংলাবাজারের অগ্নিকাণ্ড এরই উদাহরণ। অবৈধ জ্বালানী তেলের দোকান বন্ধ না হলে আরও ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আল মামুন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ২০/২৫টি অবৈধ তেলের দোকান থাকতে পারে। তবে সঠিক তথ্য তার কাছে নেই।

মহাসড়কের পাশে ঠিক কতটি চোরাই তেলের দোকান রয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই পুলিশের কাছেও।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে গড়ে ওঠা জ্বালানী তেলের দোকানগুলোর তথ্য সংগ্রহ করতেছি। শিগরই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে এম রফিকুল ইসলাম বলেন, সড়ক-মহাসড়কের পাশের জমি সওজের। তারাই কেবল জানে এ ধরনের কতটি অবৈধ তেলের দোকান রয়েছে। দোকানগুলো অবৈধ হলে সওজ উচ্ছেদ অভিযান চালাতে পারে। সে ক্ষেত্রে আমরা সওজকে সহযোগীতা করবো।

এ বিষয়ে সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন বলেন, আমাদের কাছে সড়কের পাশের যত অবৈধ স্থাপনা আছে, তার তালিকা রয়েছে, কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে চোরাই তেলের অবৈধ দোকান কয়টি আছে, তার কোনো হিসাব নেই। দু-এক দিনের মধ্যে আমরা এ ধরনের তালিকা তৈরী করে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর জন্য উপজেলা প্রশাসনকে জানাবো।

ডিএস../