সরকারে পটপরিবর্তন হলেও থেমে নেই মাদক কারবার। এর মধ্যে সহজে বহনযোগ্য হওয়ায় ইয়াবার প্রতি আগ্রহ বেশি বিক্রেতাদের।ব্যবসায়ীদের ভাষ্যে, দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতাকে পুঁজি করে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান ঢুকেছে।এ ছাড়া ৫ আগস্টের পর থেকে পুলিশের কার্যক্রমও স্থবির। ফলে বন্দর নগরীতে ইয়াবার খুচরা বিক্রি বেড়েছে দ্বিগুণ।চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন থানা এলাকায় প্রকাশ্যে চলছে মাদক ক্রয়-বিক্রয়।
বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী। তারা বলছেন, পুলিশের কার্যক্রমের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে মাদকের কারবার এখন ওপেন সিক্রেট।
কিশোর ও তরুণরা এ কাজে যুক্ত। পুলিশ যেন দেখেও দেখে না।মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযানও চোখে পড়েনি।যদিও নগর পুলিশ বলছে, পুলিশের কার্যক্রম অনেক সক্রিয়। বিভিন্ন থানা এলাকায় বিপুল ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।এরইমধ্যে গতকাল রাতে চট্টগ্রাম নগরী চান্দগাঁও থানা এলাকা থেকে ১৫০০ পিস ইয়াবাসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দেড়টায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের বিপরীত পাশে কাপ্তাইগামী বাস স্টেশনের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানার পালংখালী ইউপির মৃত ইসহাক আহম্মদের ছেলে মো. বেলাল উদ্দীন ওরফে গুরা মিয়া (২৭), একই এলাকার জয়নাল আবেদিনের ছেলে নুরুল আবছার (২৮) ও মৃত মোজাফ্ফর আহাম্মদের ছেলে আমির হোসেন (৩৩)বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতার উদ্দীন।
তিনি জানান, গতকাল রাতে দেড়টায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের বিপরীত পাশে কাপ্তাইগামী বাস স্টেশনের সামনে একটি মিনি ট্রাককে থামার সংকেত দেয়া হয়। পরে ট্রাকটি থেকে ১৫০০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
ডিএস../.





















