০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাতকানিয়ায় গাছে গাছে আমের মুকুলের সমারোহ

আম একটি গ্রীষ্মকালীন ফল,সাধারণত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে আমগাছে মুকুল আসা শুরু করে, এ সময়ে মুকুলে অনেক পরিমাণে ফুল থাকে,বাংলাদেশে ওই সময়টাতে বৃষ্টিপাত হয় না এবং বাতাসে আর্দ্রতা কিছুটা কম থাকে, আবহাওয়া শুষ্ক থাকে। যে কারণে ওই সময়টা আমের মুকুলের পুষ্ট হতে সাহায্য করে।

মাঘ মাস প্রায় শেষের দিকে, প্রকৃতিতে শীতের প্রকোপ এবার কিছুটা কম থাকায় বেশ আগেভাগেই মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে চট্টগ্রামের শহর থেকে শুরু করে গ্রামের আম বাগানগুলো।

সাতকানিয়ার কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, এমন ভাবে মুকুল এসেছে থোকা থোকা মুকুলেরভারে ঝুলে পড়েছে আম গাছের ডালপালা।

কোনো কোনো গাছে আমের মুকুল থেকে বেরিয়েছে ছোট ছোট আম গুটি, বাগান মালিকরা আমের ভালো ফলন পেতে ছত্রাকনাশক প্রয়োগসহ বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা ভালো ফলনের স্বপ্ন বুনছেন।

বৈশাখ জ্যৈষ্ঠে মাসে পাকাঁ আম পাওয়া যাবে এমনটিই বলছেন আম বাগানিরা, দেশে বিভিন্ন জাতের আম রয়েছে তার মধ্য গোবিন্দভোগ,ল্যাংড়া, হিমসাগর, ফজলি, হাঁড়িভাঙ্গা অন্যতম।

উপজেলা কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান জানান,সাতকানিয়ায় আম আবাদকৃত জমির পরিমাণ রয়েছে ৩১ হেক্টর। জাতের মধ্যে রাঙ্গুয়াই, বারি-৪,আম্রপালি, কাটিমন সহ আরো কয়েক ধরনের আম রয়েছে । আমের বাগান বেশি আছে ছদাহা, মাদার্শা, চরতী, এওচিয়া, কাঞ্চনা, পুরানগড়, ধর্মপুর ইউনিয়নে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সাতকানিয়ায় গাছে গাছে আমের মুকুলের সমারোহ

প্রকাশিত : ০৬:৫৬:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আম একটি গ্রীষ্মকালীন ফল,সাধারণত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে আমগাছে মুকুল আসা শুরু করে, এ সময়ে মুকুলে অনেক পরিমাণে ফুল থাকে,বাংলাদেশে ওই সময়টাতে বৃষ্টিপাত হয় না এবং বাতাসে আর্দ্রতা কিছুটা কম থাকে, আবহাওয়া শুষ্ক থাকে। যে কারণে ওই সময়টা আমের মুকুলের পুষ্ট হতে সাহায্য করে।

মাঘ মাস প্রায় শেষের দিকে, প্রকৃতিতে শীতের প্রকোপ এবার কিছুটা কম থাকায় বেশ আগেভাগেই মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে চট্টগ্রামের শহর থেকে শুরু করে গ্রামের আম বাগানগুলো।

সাতকানিয়ার কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, এমন ভাবে মুকুল এসেছে থোকা থোকা মুকুলেরভারে ঝুলে পড়েছে আম গাছের ডালপালা।

কোনো কোনো গাছে আমের মুকুল থেকে বেরিয়েছে ছোট ছোট আম গুটি, বাগান মালিকরা আমের ভালো ফলন পেতে ছত্রাকনাশক প্রয়োগসহ বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা ভালো ফলনের স্বপ্ন বুনছেন।

বৈশাখ জ্যৈষ্ঠে মাসে পাকাঁ আম পাওয়া যাবে এমনটিই বলছেন আম বাগানিরা, দেশে বিভিন্ন জাতের আম রয়েছে তার মধ্য গোবিন্দভোগ,ল্যাংড়া, হিমসাগর, ফজলি, হাঁড়িভাঙ্গা অন্যতম।

উপজেলা কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান জানান,সাতকানিয়ায় আম আবাদকৃত জমির পরিমাণ রয়েছে ৩১ হেক্টর। জাতের মধ্যে রাঙ্গুয়াই, বারি-৪,আম্রপালি, কাটিমন সহ আরো কয়েক ধরনের আম রয়েছে । আমের বাগান বেশি আছে ছদাহা, মাদার্শা, চরতী, এওচিয়া, কাঞ্চনা, পুরানগড়, ধর্মপুর ইউনিয়নে।

ডিএস./