১২:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
চরম খাদ্যসংকটের শঙ্কায় গাজাবাসী

গাজায় খাদ্যের মজুদ শেষ হওয়ার ঘোষণা দিলো ডব্লিউএফপি

গাজায় খাদ্যের মজুত শেষ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এতে চরম খাদ্যসংকটের শঙ্কায় গাজাবাসী।

শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, গাজায় শেষ খাদ্য সরবরাহ তারা পৌঁছে দিয়েছে। এখন আর তাদের কাছে কোনো খাদ্য মজুত নেই।

বিবৃতিতে জানানো হয়, ইসরায়েলের প্রায় দুই মাসের অবরোধের ফলে তৈরি হয়েছে এ বিপর্যয়। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন খাবার পেত লাখ লাখ ফিলিস্তিনি। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির আওতায় যেসব দাতব্য রান্নাঘরকে এতদিন সহায়তা করা হতো, সেখানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে শেষ চালান।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, অল্প কিছু দিনের মধ্যেই খাদ্যশূন্য হয়ে পড়বে এ রান্নাঘরগুলো। অবরোধের ফলে অন্য সব উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গাজার প্রায় ২০ লাখ মানুষের মধ্যে ৮০ শতাংশই এতদিন নির্ভরশীল ছিল এসব দাতব্য রান্নাঘরের খাবারের ওপর।

উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ গাজায় খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধসহ সব ধরনের সরবরাহ প্রবেশ বন্ধ করে দেয় তেলআবিব।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সন্ধ্যায় পডকাস্টে আগামীর বাংলাদেশের রোডম্যাপ শোনাবেন তারেক রহমান

চরম খাদ্যসংকটের শঙ্কায় গাজাবাসী

গাজায় খাদ্যের মজুদ শেষ হওয়ার ঘোষণা দিলো ডব্লিউএফপি

প্রকাশিত : ০১:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

গাজায় খাদ্যের মজুত শেষ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এতে চরম খাদ্যসংকটের শঙ্কায় গাজাবাসী।

শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, গাজায় শেষ খাদ্য সরবরাহ তারা পৌঁছে দিয়েছে। এখন আর তাদের কাছে কোনো খাদ্য মজুত নেই।

বিবৃতিতে জানানো হয়, ইসরায়েলের প্রায় দুই মাসের অবরোধের ফলে তৈরি হয়েছে এ বিপর্যয়। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন খাবার পেত লাখ লাখ ফিলিস্তিনি। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির আওতায় যেসব দাতব্য রান্নাঘরকে এতদিন সহায়তা করা হতো, সেখানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে শেষ চালান।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, অল্প কিছু দিনের মধ্যেই খাদ্যশূন্য হয়ে পড়বে এ রান্নাঘরগুলো। অবরোধের ফলে অন্য সব উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গাজার প্রায় ২০ লাখ মানুষের মধ্যে ৮০ শতাংশই এতদিন নির্ভরশীল ছিল এসব দাতব্য রান্নাঘরের খাবারের ওপর।

উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ গাজায় খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধসহ সব ধরনের সরবরাহ প্রবেশ বন্ধ করে দেয় তেলআবিব।

ডিএস./