০১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিষিদ্ধ থ্রি-হুইলার, ভ্রুক্ষেপ নেই হাইওয়ে পুলিশের

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দীর্ঘ ৩৯ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সীতাকুণ্ড উপজেলার বড় দারোগারহাট থেকে সিটি গেইট পর্যন্ত মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের নাকের ডগায় অবাধে চলাচল করছে নিষিদ্ধ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা, নসিমন ও করিমন। এতে করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কটি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। মহাসড়কটিতে প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও ঝরছে প্রাণ। বিশেষ করে সড়কের ইউটার্নগুলোতে রাস্তা পার হওয়ার সময় ও উল্টো পথে চলাচলের কারণে বেশী দুর্ঘটনা ঘটছে। কাগজে কলমে মহাসড়কে তিন চাকার বাহন চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও বাস্তবে তার উল্টো চিত্র। হাইওয়ে পুলিশের সামনে দিয়ে নিয়মিত দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এসব নিষিদ্ধ থ্রি-হুইলার।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বেপরোয়া গতিতে দূরপাল্লা বাস, ট্রাকের সাথে পাল্লা দিয়ে ব্যাটারী চালিত আটোরিক্সা ও সিএনজি চালিত অটোরিক্সা যাত্রী নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। কোথাও কোনো বাঁধা নেই। জুলাই-আগস্ট পরবর্তী সময়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এই ৩৯ কিলোমিটার অংশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা কিছুটা স্থবির হয়ে পড়ায় নিষিদ্ধ এসব যানবাহনের ফের বেপরোয়া চলাচল শুরু হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পুলিশের চোখের সামনেই অবাধে চলছে এসব থ্রি-হুইলার।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১৯ জুন বুধবার দুপুর দেড় টার দিকে কুমিরা ইউনিয়নের মগপুকুর এলাকায় হাইওয়ে পুলিশ দেখে পালানোর সময় একটি যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিক্সা দুর্ঘটনা কবলিত হয়। এতে অটোরিক্সা চালক ঘটনাস্থলে নিহত হয় এবং এক যাত্রী আহত হয়। গত ৩ জুলাই রবিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার ছোট কুমিরা এলাকায় সিএনজি অটোরিক্সা উল্টে গিয়ে মোঃ সোহাগ নামে এক সিএনজি অটোরিক্সা চালক নিহত হয়েছে। এছাড়াও গত ২৯ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুর ২টায় পৌরসদরের শেখপাড়া এলাকায় একটি যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিক্সাকে অপর একটি দ্রুতগামী ট্রাক চাপা দিলে ঘটনাস্থলে মোঃ রিফাত নামে এক যাত্রী নিহত হয়। একই ঘটনায় আরো দুই যাত্রী আহত হন। গত ৩ নভেম্বর শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের ফৌজদারহাট-বায়েজিদ লিংক রোডে সিএনজি অটোরিক্সা-কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে মনির চৌধুরী ও জিয়া উদ্দিন নামে দুই সিএনজির যাত্রী নিহত হয়েছে। একই ঘটনায় সিএনজি অটোরিক্সা চালক শহিদুল ইসলাম গুরুত্ব আহত হন।

গত ২৯ ডিসেম্বর রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের সিরাজ ভূঁইয়ার রাস্তার মাথা এলাকায় একটি ধান মাড়াই এর মেশিন নিয়ে যাওয়ার সময় ভ্যান গাড়ীকে দ্রুত গতিতে আসা অপর একটি ট্রাক পেছন থেকে ধাক্কা দিলে মেশিনসহ গাড়ীটি সড়কের পাশে ছিটকে পড়লে পাশে দুইজন মোটরসাইকেল আরোহী ঘটনাস্থলে নিহত হয়। একই ঘটনায় আরো দুই জন আহত হন। গত ৪ মে রবিবার কুমিরা ইউনিয়নের রয়েল গেইট এলাকায় একটি সিএনজি অটোরিক্সাকে পিকআপ ভ্যান ধাক্কা দিলে চার জন এসএসসি পরীক্ষার্থী আহত হয়।

সর্বশেষ ১০ মে শনিবার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের চারালকান্দি সোনারগাঁও পেট্রোল পাম্পের সামনে একটি সিএনজি অটোরিক্সা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অজ্ঞাত একটি গাড়ীর পেছনে ধাক্কা দিলে সাকিব মুন্না নামে এক সিএনজি চালক গুরুত্বর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে দেশের লাইফ লাইন হিসেবে পরিচিত ব্যস্ত এই মহাসড়কে প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার গাড়ী চলাচল করে থাকে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়কপথে পণ্য নেওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এসব পরিবহন অনেক সময় উল্টো পথেও ছুটে চলছে। এতে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা, যাচ্ছে প্রাণ অথবা পঙ্গুত্ব বরণ করতে হচ্ছে অনেকে। পুলিশের অভিযানের কারণে কিছুদিন বন্ধ থাকলেও আবারও বেড়েছে এসব গাড়ীর দৌরাত্ম্য।

জানা গেছে, মহাসড়কে চলাচলরত থ্রি-হুইলারকে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ চিহ্নিত করে আইন প্রণয়নের মধ্য দিয়ে ২০১৬ সালের আগস্ট মাস থেকে স্থায়ীভাবে মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়। ওই নিষেধাজ্ঞায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারীতে প্রায় আট বছর মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল অনেকটাই বন্ধ ছিল। মহাসড়কে নিষিদ্ধ ওই সব যানবাহন আটক, জব্দ ও জরিমানা করা হাইওয়ে পুলিশের নিত্যকর্মের অংশে পরিণত হয়। পুলিশের ভয়ে রিকশাচালকরাও মহাসড়কে কম উঠতো।

তবে মহাসড়কে চলাচলরত কয়েকজন সিএনজি অটোরিক্সা চালকের সাথে কথা বলে জানা যায়, পুলিশ এখন তেমন গাড়ী ধরে না তাই মহাসড়কে চলাচল করছেন তারা। কোথাও কোনো বাঁধা পায় না, নেই কোনো হয়রানি। আর মহাসড়কে চলাচল করলে যাত্রী ও পাওয়া যায় বেশী।

অন্যদিকে সচেতন মহল বলছে, হাইওয়ে পুলিশকে ম্যানেজ না করলে এসব গাড়ী মহাসড়কে চলাচল করে কীভাবে? কিছু দালাল চক্রের টোকেনের সহযোগীতায় মহাসড়কে চলছে এসব নিষিদ্ধ সিএনজি ও অটোরিকশা।

এবিষয়ে কুমিরা হাইওয়ে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই ফারুক অনেকটা অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন, আমাদের অভিযান হচ্ছে। আমরা ধরে প্রতিনিয়ত মামলা দিচ্ছি। কিন্তু কোনোভাবেই থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধ করা যাচ্ছে না। এখন অভিযানে মামলা দিতে গেলে বা থ্রি-হুইলার আটক করতে গেলেও পুলিশের সঙ্গে চালকরা উগ্রতা দেখায়। তারপরও আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

ডিএস/

ট্যাগ :

আজ বিশ্ব ক্যানসার দিবস

মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিষিদ্ধ থ্রি-হুইলার, ভ্রুক্ষেপ নেই হাইওয়ে পুলিশের

প্রকাশিত : ০৫:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দীর্ঘ ৩৯ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সীতাকুণ্ড উপজেলার বড় দারোগারহাট থেকে সিটি গেইট পর্যন্ত মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের নাকের ডগায় অবাধে চলাচল করছে নিষিদ্ধ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা, নসিমন ও করিমন। এতে করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কটি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। মহাসড়কটিতে প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও ঝরছে প্রাণ। বিশেষ করে সড়কের ইউটার্নগুলোতে রাস্তা পার হওয়ার সময় ও উল্টো পথে চলাচলের কারণে বেশী দুর্ঘটনা ঘটছে। কাগজে কলমে মহাসড়কে তিন চাকার বাহন চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও বাস্তবে তার উল্টো চিত্র। হাইওয়ে পুলিশের সামনে দিয়ে নিয়মিত দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এসব নিষিদ্ধ থ্রি-হুইলার।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বেপরোয়া গতিতে দূরপাল্লা বাস, ট্রাকের সাথে পাল্লা দিয়ে ব্যাটারী চালিত আটোরিক্সা ও সিএনজি চালিত অটোরিক্সা যাত্রী নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। কোথাও কোনো বাঁধা নেই। জুলাই-আগস্ট পরবর্তী সময়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এই ৩৯ কিলোমিটার অংশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা কিছুটা স্থবির হয়ে পড়ায় নিষিদ্ধ এসব যানবাহনের ফের বেপরোয়া চলাচল শুরু হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পুলিশের চোখের সামনেই অবাধে চলছে এসব থ্রি-হুইলার।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১৯ জুন বুধবার দুপুর দেড় টার দিকে কুমিরা ইউনিয়নের মগপুকুর এলাকায় হাইওয়ে পুলিশ দেখে পালানোর সময় একটি যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিক্সা দুর্ঘটনা কবলিত হয়। এতে অটোরিক্সা চালক ঘটনাস্থলে নিহত হয় এবং এক যাত্রী আহত হয়। গত ৩ জুলাই রবিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার ছোট কুমিরা এলাকায় সিএনজি অটোরিক্সা উল্টে গিয়ে মোঃ সোহাগ নামে এক সিএনজি অটোরিক্সা চালক নিহত হয়েছে। এছাড়াও গত ২৯ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুর ২টায় পৌরসদরের শেখপাড়া এলাকায় একটি যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিক্সাকে অপর একটি দ্রুতগামী ট্রাক চাপা দিলে ঘটনাস্থলে মোঃ রিফাত নামে এক যাত্রী নিহত হয়। একই ঘটনায় আরো দুই যাত্রী আহত হন। গত ৩ নভেম্বর শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের ফৌজদারহাট-বায়েজিদ লিংক রোডে সিএনজি অটোরিক্সা-কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে মনির চৌধুরী ও জিয়া উদ্দিন নামে দুই সিএনজির যাত্রী নিহত হয়েছে। একই ঘটনায় সিএনজি অটোরিক্সা চালক শহিদুল ইসলাম গুরুত্ব আহত হন।

গত ২৯ ডিসেম্বর রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের সিরাজ ভূঁইয়ার রাস্তার মাথা এলাকায় একটি ধান মাড়াই এর মেশিন নিয়ে যাওয়ার সময় ভ্যান গাড়ীকে দ্রুত গতিতে আসা অপর একটি ট্রাক পেছন থেকে ধাক্কা দিলে মেশিনসহ গাড়ীটি সড়কের পাশে ছিটকে পড়লে পাশে দুইজন মোটরসাইকেল আরোহী ঘটনাস্থলে নিহত হয়। একই ঘটনায় আরো দুই জন আহত হন। গত ৪ মে রবিবার কুমিরা ইউনিয়নের রয়েল গেইট এলাকায় একটি সিএনজি অটোরিক্সাকে পিকআপ ভ্যান ধাক্কা দিলে চার জন এসএসসি পরীক্ষার্থী আহত হয়।

সর্বশেষ ১০ মে শনিবার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের চারালকান্দি সোনারগাঁও পেট্রোল পাম্পের সামনে একটি সিএনজি অটোরিক্সা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অজ্ঞাত একটি গাড়ীর পেছনে ধাক্কা দিলে সাকিব মুন্না নামে এক সিএনজি চালক গুরুত্বর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে দেশের লাইফ লাইন হিসেবে পরিচিত ব্যস্ত এই মহাসড়কে প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার গাড়ী চলাচল করে থাকে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়কপথে পণ্য নেওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এসব পরিবহন অনেক সময় উল্টো পথেও ছুটে চলছে। এতে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা, যাচ্ছে প্রাণ অথবা পঙ্গুত্ব বরণ করতে হচ্ছে অনেকে। পুলিশের অভিযানের কারণে কিছুদিন বন্ধ থাকলেও আবারও বেড়েছে এসব গাড়ীর দৌরাত্ম্য।

জানা গেছে, মহাসড়কে চলাচলরত থ্রি-হুইলারকে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ চিহ্নিত করে আইন প্রণয়নের মধ্য দিয়ে ২০১৬ সালের আগস্ট মাস থেকে স্থায়ীভাবে মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়। ওই নিষেধাজ্ঞায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারীতে প্রায় আট বছর মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল অনেকটাই বন্ধ ছিল। মহাসড়কে নিষিদ্ধ ওই সব যানবাহন আটক, জব্দ ও জরিমানা করা হাইওয়ে পুলিশের নিত্যকর্মের অংশে পরিণত হয়। পুলিশের ভয়ে রিকশাচালকরাও মহাসড়কে কম উঠতো।

তবে মহাসড়কে চলাচলরত কয়েকজন সিএনজি অটোরিক্সা চালকের সাথে কথা বলে জানা যায়, পুলিশ এখন তেমন গাড়ী ধরে না তাই মহাসড়কে চলাচল করছেন তারা। কোথাও কোনো বাঁধা পায় না, নেই কোনো হয়রানি। আর মহাসড়কে চলাচল করলে যাত্রী ও পাওয়া যায় বেশী।

অন্যদিকে সচেতন মহল বলছে, হাইওয়ে পুলিশকে ম্যানেজ না করলে এসব গাড়ী মহাসড়কে চলাচল করে কীভাবে? কিছু দালাল চক্রের টোকেনের সহযোগীতায় মহাসড়কে চলছে এসব নিষিদ্ধ সিএনজি ও অটোরিকশা।

এবিষয়ে কুমিরা হাইওয়ে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই ফারুক অনেকটা অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন, আমাদের অভিযান হচ্ছে। আমরা ধরে প্রতিনিয়ত মামলা দিচ্ছি। কিন্তু কোনোভাবেই থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধ করা যাচ্ছে না। এখন অভিযানে মামলা দিতে গেলে বা থ্রি-হুইলার আটক করতে গেলেও পুলিশের সঙ্গে চালকরা উগ্রতা দেখায়। তারপরও আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

ডিএস/