০৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

৬০০ কোটি টাকার বেশি অনিয়মিত লেনদেনের অভিযোগে নগদের কার্যালয়ে ‍দুদকের অভিযান

মুঠোফোনে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’- এর প্রধান কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে রোববার (১ জু1ন) সকাল ১১টা থেকে দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান শুরু করে।

মুঠোফোনে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’- এর প্রধান কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে রোববার (১ জুন) সকাল ১১টা থেকে দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান শুরু করে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করতে আজকের অভিযান পরিচালনা করছে সংস্থাটি। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক লেনদেন বা নিয়মবহির্ভূত কিছু ঘটেছে কি না— সেসব তথ্য-উপাত্তও সংগ্রহ করা হবে বলে দুদক সূত্রটি জানিয়েছে।

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি আরও একবার অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন। তখন ৭৫ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার, প্রায় পাঁচ হাজার অবৈধ এজেন্ট এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা ভেঙে প্রতিষ্ঠানটিতে ৭০ শতাংশ বিদেশি শেয়ারের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করে দুদক।

সে সময় দুদকের অভিযান পরিচালনাকারী টিম নগদের ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার বেশি অনিয়মিত লেনদেনের তথ্য পাওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানায়। এ ছাড়া নগদ বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত ই-মানি তৈরি করে বেশ কিছু বিদেশি কোম্পানির মাধ্যমে অর্থ পাচার করছে বলেও জানায় দুদক।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

৬০০ কোটি টাকার বেশি অনিয়মিত লেনদেনের অভিযোগে নগদের কার্যালয়ে ‍দুদকের অভিযান

প্রকাশিত : ০৬:৫৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

মুঠোফোনে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’- এর প্রধান কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে রোববার (১ জু1ন) সকাল ১১টা থেকে দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান শুরু করে।

মুঠোফোনে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’- এর প্রধান কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে রোববার (১ জুন) সকাল ১১টা থেকে দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান শুরু করে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করতে আজকের অভিযান পরিচালনা করছে সংস্থাটি। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক লেনদেন বা নিয়মবহির্ভূত কিছু ঘটেছে কি না— সেসব তথ্য-উপাত্তও সংগ্রহ করা হবে বলে দুদক সূত্রটি জানিয়েছে।

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি আরও একবার অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন। তখন ৭৫ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার, প্রায় পাঁচ হাজার অবৈধ এজেন্ট এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা ভেঙে প্রতিষ্ঠানটিতে ৭০ শতাংশ বিদেশি শেয়ারের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করে দুদক।

সে সময় দুদকের অভিযান পরিচালনাকারী টিম নগদের ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার বেশি অনিয়মিত লেনদেনের তথ্য পাওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানায়। এ ছাড়া নগদ বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত ই-মানি তৈরি করে বেশ কিছু বিদেশি কোম্পানির মাধ্যমে অর্থ পাচার করছে বলেও জানায় দুদক।