০৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ আটক ২

কুমিল্লা নগরীর মুরাদপুর, নুর পুর এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর পৃথক দুটি অভিযানে অস্ত্র ব্যবসায়ী হায়দার ও পেনু মির্জাকে ৪টি শর্টগানসহ আটক করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, তারা ছদ্মনাম ব্যবহার করে অস্ত্রের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ভোররাত ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত নগরীর দুটি ভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আটককৃতরা হলেন কুমিল্লা নগরীর মুরাদপুর এলাকার মো. আবু হায়দার (৪০), নগরীর নূরপুর এলাকার মজিবর রহমান (৩৮)। মজিবরের ছদ্মনাম নাম পেনু মির্জা ।

অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে শর্টগান ৪টি, বিদেশি চাকু ১টি, ছেনি ১টি, অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ২টি, বাটন ফোন ২টি ,পাসপোর্ট ১টি, এলজির কার্তুজ ১টি উদ্ধার করা হয়।

যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, অল্প পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হলেও গোয়েন্দা তথ্য ও মোবাইল ফরেনসিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। যেমন, প্রাথমিক অডিও বিশ্লেষণে জানা যায়, পেনু মির্জা ৭.৬৫ পিস্তল এক লক্ষ টাকায় বিক্রি করতেন। এছাড়া হায়দার আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করতেন বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়।

এই দুই অস্ত্র ব্যবসায়ী এখন পর্যন্ত চারটি আগ্নেয়াস্ত্র বহনের প্রমাণসহ ধরা পড়লেও তাদের চ্যানেলে দুটি ৭.৬৫ পিস্তল লেনদেন হয়েছে। এমন তথ্য ইতোমধ্যে গোয়েন্দা সংস্থার হাতে এসেছে।

এছাড়া, অপরাধী অপরাধ জগতে ছদ্মনাম ব্যবহারের প্রবণতাও এই অভিযানের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে, যেমন পেনু মির্জা নামটি। মূল পরিচয় গোপন রাখতে এটি ব্যবহৃত হতো।

কুমিল্লানগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী (২৩ বীর) ও র‍্যাব-১১-এর যৌথ অভিযান ধারাবাহিকভাবে ফলপ্রসূ প্রমাণিত হচ্ছে বলে জানায় যৌথ বাহিনী।

ডিএস./

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

কুমিল্লায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ আটক ২

প্রকাশিত : ০৫:০৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

কুমিল্লা নগরীর মুরাদপুর, নুর পুর এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর পৃথক দুটি অভিযানে অস্ত্র ব্যবসায়ী হায়দার ও পেনু মির্জাকে ৪টি শর্টগানসহ আটক করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, তারা ছদ্মনাম ব্যবহার করে অস্ত্রের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ভোররাত ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত নগরীর দুটি ভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আটককৃতরা হলেন কুমিল্লা নগরীর মুরাদপুর এলাকার মো. আবু হায়দার (৪০), নগরীর নূরপুর এলাকার মজিবর রহমান (৩৮)। মজিবরের ছদ্মনাম নাম পেনু মির্জা ।

অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে শর্টগান ৪টি, বিদেশি চাকু ১টি, ছেনি ১টি, অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ২টি, বাটন ফোন ২টি ,পাসপোর্ট ১টি, এলজির কার্তুজ ১টি উদ্ধার করা হয়।

যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, অল্প পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হলেও গোয়েন্দা তথ্য ও মোবাইল ফরেনসিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। যেমন, প্রাথমিক অডিও বিশ্লেষণে জানা যায়, পেনু মির্জা ৭.৬৫ পিস্তল এক লক্ষ টাকায় বিক্রি করতেন। এছাড়া হায়দার আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করতেন বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়।

এই দুই অস্ত্র ব্যবসায়ী এখন পর্যন্ত চারটি আগ্নেয়াস্ত্র বহনের প্রমাণসহ ধরা পড়লেও তাদের চ্যানেলে দুটি ৭.৬৫ পিস্তল লেনদেন হয়েছে। এমন তথ্য ইতোমধ্যে গোয়েন্দা সংস্থার হাতে এসেছে।

এছাড়া, অপরাধী অপরাধ জগতে ছদ্মনাম ব্যবহারের প্রবণতাও এই অভিযানের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে, যেমন পেনু মির্জা নামটি। মূল পরিচয় গোপন রাখতে এটি ব্যবহৃত হতো।

কুমিল্লানগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী (২৩ বীর) ও র‍্যাব-১১-এর যৌথ অভিযান ধারাবাহিকভাবে ফলপ্রসূ প্রমাণিত হচ্ছে বলে জানায় যৌথ বাহিনী।

ডিএস./