টাঙ্গাইলে গণসংহতি আন্দোলনের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন সদর উপজেলার আহবায়ক মো. মোফাখখারুল ইসলাম, সদস্য সচিব ফারজানা জেসমিন, সদস্য তুষার আহমেদ, নাগরপুর উপজেলার সংগঠক আলিম মোল্লা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন জেলার সভাপতি ফাতেমা রহমান বীথি, অর্থ সম্পাদক আনিকা রহমান, দপ্তর সম্পাদক প্রেমা সরকার, সদস্য সিয়াম, পারভেজসহ অন্যান্য সাধারণ সদস্যবৃন্দ। পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে নেতৃবৃন্দ স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং জুলাই অভ্যুত্থানসহ সকল গণআন্দোলনের শহীদদের ত্যাগকে স্মরণ করেন। তারা বলেন, বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার প্রত্যয়ে। অথচ স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরও সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। দুর্নীতি, বৈষম্য, বেকারত্ব ও দমননীতি আজও দেশকে জর্জরিত করে রেখেছে।
গণসংহতি আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ঘোষণা করেন আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে রাষ্ট্র হবে জনগণের মালিকানাধীন, গুটিকয়েক ধনী গোষ্ঠীর নয়। যেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও কর্মসংস্থানের মৌলিক অধিকার রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে। যেখানে নারী-পুরুষ, শহর-গ্রাম, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য সমান সুযোগ থাকবে। যেখানে প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থা থাকবে স্বাধীন, দুর্নীতিমুক্ত,জনবান্ধব এবং জবাবদিহিতার আওতাধীন। যেখানে গণতন্ত্র মানে হবে জনগণের মতামত ও অংশগ্রহণমূলক।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ২৩ বছরের সংগ্রাম আমাদের শিখিয়েছে অন্যায়, বৈষম্য ও দমননীতির বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিরোধ ছাড়া মুক্তির পথ নেই। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে, জনগণের ঐক্যই স্বৈরাচারকে পরাজিত করতে পারে। আমরা বিশ্বাস করি, সেই ঐক্যই নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রধান শক্তি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনার থেকে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন যে, গণসংহতি আন্দোলন আগামী দিনেও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করে তুলবে।
ডিএস./






















