০৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

চাল আত্মসাতের মামলায় খাদ্য কর্মকর্তা কারাগারে

ফরিদপুরে দুদকের দায়ের করা প্রায় দেড়কোটি টাকা মূল্যের চাল আত্মসাতের মামলায় তারিকুজ্জামান (৪৬) নামে এক খাদ্য কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
র‌বিবার (৩১ আগস্ট) বিকে‌লে ফরিদপুর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে জামিন চাইলে  বিচারক জিয়া হায়দার আসামির জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠা‌নোর নির্দেশ দেন। পরে তাকে কড়া পুলিশ পাহারায় ফরিদপুর জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।
 তারিকুজ্জামান গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বড় পারুলিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদীন শরীফের ছেলে।
তি‌নি সপ‌রিবা‌রে ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ ঝিলটুলী এলাকায় বাস করতেন। বর্তমানে তিনি প্রধান নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে রেশনিং বিভাগের এলাকা রেশনিং কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
ফরিদপুর দুর্নীতি দমন সমন্বিত কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, তারিকুজ্জামান সাবেক জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) এবং চরভদ্রাসন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকাকালীন সানোয়ার হোসেন নামে অপর এক খাদ্য কর্মকর্তার যোগসাজসে চরভদ্রাসন উপজেলায় বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত এক কোটি ৩৫ লাখ ৮১ হাজার ৫০১ টাকা মূল্যের চাল আত্মসাৎ করেন। এমন অভিযোগে গত ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক সরদার আবুল বাশার বাদি হয়ে  ওই মামলাটি দায়ের করেন।
 মামলায় এই দুই কর্মকর্তাকে আসামী করা হয়েছে।
অপর আসামী সানোয়ার হোসেন তৎকালীন বোয়ালমারী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে ছিলেন।
 এ মামলায় গত ২৯ মে আদালতে অ‌ভি‌যোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদপুর দুদকের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক ইমরান আকন।
এ ব‌্যাপা‌রে দুদক কর্মকর্তা ইমরান আকন জানান, দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নির্দেশে  মামলার তদন্ত করে আদালতের চার্জশিট দাখিল করা হয়।  তাদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ তৎসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় প্রাথমিকভাবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
এ মামলায় তারিকুজ্জামান আদালতে জামিন প্রার্থনা কর‌লে স্পেশাল জেলা জজ তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠা‌নোর নি‌র্দেশ দেন। অপর আসামী সানোয়ার হোসেন পলাতক
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাল আত্মসাতের মামলায় খাদ্য কর্মকর্তা কারাগারে

প্রকাশিত : ০৮:৩৫:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
ফরিদপুরে দুদকের দায়ের করা প্রায় দেড়কোটি টাকা মূল্যের চাল আত্মসাতের মামলায় তারিকুজ্জামান (৪৬) নামে এক খাদ্য কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
র‌বিবার (৩১ আগস্ট) বিকে‌লে ফরিদপুর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে জামিন চাইলে  বিচারক জিয়া হায়দার আসামির জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠা‌নোর নির্দেশ দেন। পরে তাকে কড়া পুলিশ পাহারায় ফরিদপুর জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।
 তারিকুজ্জামান গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বড় পারুলিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদীন শরীফের ছেলে।
তি‌নি সপ‌রিবা‌রে ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ ঝিলটুলী এলাকায় বাস করতেন। বর্তমানে তিনি প্রধান নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে রেশনিং বিভাগের এলাকা রেশনিং কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
ফরিদপুর দুর্নীতি দমন সমন্বিত কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, তারিকুজ্জামান সাবেক জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) এবং চরভদ্রাসন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকাকালীন সানোয়ার হোসেন নামে অপর এক খাদ্য কর্মকর্তার যোগসাজসে চরভদ্রাসন উপজেলায় বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত এক কোটি ৩৫ লাখ ৮১ হাজার ৫০১ টাকা মূল্যের চাল আত্মসাৎ করেন। এমন অভিযোগে গত ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক সরদার আবুল বাশার বাদি হয়ে  ওই মামলাটি দায়ের করেন।
 মামলায় এই দুই কর্মকর্তাকে আসামী করা হয়েছে।
অপর আসামী সানোয়ার হোসেন তৎকালীন বোয়ালমারী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে ছিলেন।
 এ মামলায় গত ২৯ মে আদালতে অ‌ভি‌যোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদপুর দুদকের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক ইমরান আকন।
এ ব‌্যাপা‌রে দুদক কর্মকর্তা ইমরান আকন জানান, দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নির্দেশে  মামলার তদন্ত করে আদালতের চার্জশিট দাখিল করা হয়।  তাদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ তৎসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় প্রাথমিকভাবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
এ মামলায় তারিকুজ্জামান আদালতে জামিন প্রার্থনা কর‌লে স্পেশাল জেলা জজ তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠা‌নোর নি‌র্দেশ দেন। অপর আসামী সানোয়ার হোসেন পলাতক