কুমিল্লার ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের পাশে সদর দক্ষিণ উপজেলার মোস্তফাপুর এলাকায় আমিনুল ইসলাম নামের এক যুবককে গলা কেটে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িত সজিব নামের এক যুবককে জেলার চান্দিনা এতবারপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১। র্যাবের অভিযানে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ১ টি হাসুয়া, ১ টি রক্তমাখা লুঙ্গি ও ১ টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (১৩ই সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা র্যাব-১১ শাকতলা অফিসে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে র্যাব।
র্যাব-১১ কোম্পানী কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম জানায়, গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার মোস্তফাপুর এলাকায় বালুর নীচ থেকে আমিনুল ইসলাম নামে এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা যায় ভিকটিম আমিনুল ইসলাম কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট ও দেবীদ্বার এলাকার বন্ধুদের সাথে সিলেটে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে তার এক দিন আগে ৯তারিখে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়। র্যাব তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা ও প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি আভিযানিক দল কুমিল্লার চান্দিনা এতবারপুর এলাকা হতে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামী সজিব (২০)কে গ্রেফতার করে। সহযোগী হিসেবে আর ২ জনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ০১ টি হাসুয়া, ০১ টি রক্তমাখা লুঙ্গি ও ০১ টি মোবাইল উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃত সজিব চান্দিনা উপজেলার বদরপুর গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে।
র্যাব আরও জানায়, হত্যাকান্ডে জড়িত অপর আসামী সিরাজ (২৫) চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে আমিনুল ইসলাম এর নিকট থেকে প্রতারণামূলকভাবে নগদ ১০ লক্ষ টাকা নেয়। গত ১০ তারিখ রাতে গ্রেফতারকৃত সজিবসহ অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে নিয়ে কুমিল্লার মোস্তফাপুর এলাকায় বালু ভরাট করা উচু জমিতে নিয়ে পেছন দিক থেকে গলায় কুপিয়ে ও জবাই করে মৃত্যু নিশ্চিত করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বালু চাপা দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরবর্তীতে আসামীরা গ্রেফতার এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করে।
গ্রেফতারকৃত সজিবকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে বলে জানায় র্যাব। গ্রেফতারকৃত আসামী সজিবকে কুমিল্লার সদর দক্ষিন থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডিএস./



















