১১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইলে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পেলো ৫০০ পরিবার

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের ওমরপুর এলাকায় নদী ভাঙন রোধে আপদকালীন জরুরী অস্থায়ী তীর প্রতিরক্ষামুলক কাজের অংশ হিসেবে ধলেশ্বরী নদীর বাম তীরে ৫১০ মিটার এলাকাজুড়ে জিও-টিউব ও জিও-ব্যাগ ডাম্পিং এবং প্লেসিং কাজ করা হচ্ছে।

২৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে আপদকালীন জরুরী প্রতিরক্ষামূলক এই কাজের শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মতিউর রহমান, টাঙ্গাইল সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা আক্তার, সদর উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক শরীফা হক জানান, যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর বাম তীরে আকস্মিক নদী ভাঙ্গন দেখা দেয়। ভাঙনের ফলে ঘর-বাড়ী, আবাদি জমি, গ্রামীণ রাস্তা, মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হুমকিতে পড়ে। আপদকালীন জরুরি অস্থায়ী তীর প্রতিরক্ষামুলক কাজের অংশ হিসেবে ধলেশ্বরী নদীর বাম ৯৮ লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়ে তীরে ৫১০ মিটার এলাকাজুড়ে জিও-টিউব ও জিও-ব্যাগ ডাম্পিং এবং প্লেসিং কাজ করা হচ্ছে। এরফলে নদীর তীরের প্রায় ৫০০ পরিবারের বসতবাড়ি, আবাদি জমি, গ্রামীণ রাস্তা এবং মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিরাপদে থাকবে। পরবর্তীতে ভাঙন রোধে স্থায়ীভাবে প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

টাঙ্গাইলে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পেলো ৫০০ পরিবার

প্রকাশিত : ০৪:৫৭:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের ওমরপুর এলাকায় নদী ভাঙন রোধে আপদকালীন জরুরী অস্থায়ী তীর প্রতিরক্ষামুলক কাজের অংশ হিসেবে ধলেশ্বরী নদীর বাম তীরে ৫১০ মিটার এলাকাজুড়ে জিও-টিউব ও জিও-ব্যাগ ডাম্পিং এবং প্লেসিং কাজ করা হচ্ছে।

২৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে আপদকালীন জরুরী প্রতিরক্ষামূলক এই কাজের শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মতিউর রহমান, টাঙ্গাইল সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা আক্তার, সদর উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক শরীফা হক জানান, যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর বাম তীরে আকস্মিক নদী ভাঙ্গন দেখা দেয়। ভাঙনের ফলে ঘর-বাড়ী, আবাদি জমি, গ্রামীণ রাস্তা, মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হুমকিতে পড়ে। আপদকালীন জরুরি অস্থায়ী তীর প্রতিরক্ষামুলক কাজের অংশ হিসেবে ধলেশ্বরী নদীর বাম ৯৮ লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়ে তীরে ৫১০ মিটার এলাকাজুড়ে জিও-টিউব ও জিও-ব্যাগ ডাম্পিং এবং প্লেসিং কাজ করা হচ্ছে। এরফলে নদীর তীরের প্রায় ৫০০ পরিবারের বসতবাড়ি, আবাদি জমি, গ্রামীণ রাস্তা এবং মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিরাপদে থাকবে। পরবর্তীতে ভাঙন রোধে স্থায়ীভাবে প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

ডিএস./