জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীগনগরের নওগাম থানায় শুক্রবার রাতের বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট। অধিকাংশই পুলিশ এবং ফরেন্সিক দলের আধিকারিক। আহত অন্তত ২৭ জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, আহতদের মধ্যে আরও পাঁচ জনের অবস্থা সঙ্কটজনক। সংবাদ সংস্থা পিটিআই ছ’জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। কয়েকটি সংবাদমাধ্যম দাবি করছে, মৃতের সংখ্যা নয়।
এতে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

শুক্রবার রাতের এ ঘটনা নওগাম থানায় ঘটে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
নিহতদের বড় অংশই পুলিশ সদস্য এবং ফরেনসিক টিমের কর্মকর্তা, যারা বিস্ফোরক পরীক্ষা ও নথিভুক্তকরণ কাজে ব্যস্ত ছিলেন। নিহতদের মধ্যে শ্রীনগর প্রশাসনের দু’জন কর্মকর্তা ও একজন নায়েব তহশিলদারও আছেন।
আহতদের সেনাবাহিনীর ৯২ বেস হাসপাতাল এবং এসকেআইএমএসে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বিস্ফোরণের পর উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পুরো এলাকা নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে ফেলা হয়।
স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, সম্প্রতি ওই এলাকায় সশস্ত্র সংগঠন জইস-ই-মোহাম্মদের পোস্টার পাওয়া গেলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং তল্লাশিতে বড় ধরনের বিস্ফোরক উদ্ধার করে। এ ঘটনায় কয়েকজন চিকিৎসকসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়।
গত অক্টোবরে আটক হওয়া চিকিৎসক আদিল আহমেদ রাথের বিরুদ্ধে পোস্টার লাগানো এবং নিরাপত্তা বাহিনী ও বহিরাগতদের ওপর বড় হামলার হুমকিমূলক বার্তা ছড়ানোর অভিযোগ ওঠে।
জিজ্ঞাসাবাদে তার মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্কের তথ্য পাওয়া যায়, যারা দিল্লিতে প্রাণঘাতী আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছিল।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরেক চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিলের নাম উঠে আসে।
ফারিদাবাদের আল–ফালাহ মেডিকেল কলেজে কর্মরত ওই চিকিৎসকের বাসায় অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন হাজার কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করা হয়। পরে শাকিল ও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডা. শাহীন সাঈদকে আটক করা হয়।
ডিএস./
























