আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) সংসদীয় আসনে হেভিওয়েট ও প্রবীণ নেতা বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলমের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৭ প্রার্থী এখনো মাঠে রয়েছেন।
গত ৩ জানুয়ারি শনিবার কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ আসনে দাখিলকৃত ১২জন প্রার্থীর মধ্যে তথ্যের গড়মিলসহ বিভিন্ন অসঙ্গতির কারনে জাতীয় পার্টি মনোনীত মোহাম্মদ আয়ূব হুসেন (লাঙ্গল) বার্ষিক আয়-ব্যায়ের হিসাব বিবরণীতে তথ্য না দেয়ায়, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মনোনীত কুলিয়ারচর উপজেলা কমিটির সভাপতি ডা. মোহাম্মদ হাবিল মিয়া (কাস্তে) সম্ভাব্য অর্থ প্রাপ্তি – সম্পদ ও দায়ের তথ্য অসম্পূর্ণ থাকায়, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনসিপি) মনোনীত মো. নজরুল ইসলাম (শাপলা কলি) সম্পদ ও দায়ের তথ্য পূরণ না করায় ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনসিপি)’র জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা শরিফুল হক জয় এর ১ শতাংশ সর্মথকের ভোটের তথ্য সঠিক না থাকায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
এসময় বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভৈরব উপজেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ মুছা খান (হাতপাখা), বৃহত্তর সুন্নী জোট সমর্থিত বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত কেন্দ্রীয় পরিষদের নির্বাহী সদস্য ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. রুবেল হোসেন (মোমবাতি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম-মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর সহকারী মহাসচিব আতাউল্লাহ আমীন (রিকশা), খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী খেলাফত মজলিস ভৈরব উপজেলা শাখার সভাপতি সাইফুল ইসলাম (দেয়াল ঘড়ি), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী নাঈমুল হাসান (আপেল) ও গণফোরাম মনোনীত শাফি উদ্দিন আহাম্মদ (উদীয়মান সূর্য) দের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
৮জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করার পর থেকে তারা বিএনপি মনোনীত মো. শরীফুল আলমের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে মাঠে রয়েছেন।
তবে হাল ছাড়তে রাজী নন মনোনয়নপত্র বাতিলকৃত ৪ প্রার্থীরাও। তারা তাদের প্রার্থীতা বাতিলে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করে আপিলসহ আইনি পদক্ষেপ ও প্রতিকারের শেষ চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলে গণমাধ্যমকে জানান।
জানাযায়, গত ২৯ ডিসেম্বর সোমবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহনের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১২ জন প্রার্থী কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা, কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. ইয়াসিন খন্দকার এবং ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার কে.এম. মামুনুর রশীদ এর নিকট পৃথক ভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
অপরদিকে জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় ভৈরব উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা কবির হোসাইন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আতাউল্লাহ আমীনকে রিকসা প্রতীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
ডিএস





















