নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানার আওতাধীন এলাকায় এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের চেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় গভীর উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর চৌঘাট আদিবাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ১১ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর ওপর গত ১০ এপ্রিল বিকেলে জোরপূর্বক নির্যাতনের চেষ্টা চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি কৌশলে শিশুটিকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতনের চেষ্টা করে।
এ সময় শিশুটি সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। আত্মরক্ষার্থে সে অভিযুক্তকে কামড় দেয় এবং সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং বিষয়টি পরিবার ও স্থানীয়দের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়।
সংবাদ পাওয়ার পরপরই নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশে ধামইরহাট থানার অফিসার ইন চার্জের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মোঃ ফারুক হোসেন (৪০), পিতা-মোঃ মোজাহার, সাং-চৌঘাট (কাগজকুটা), ডাকঘর-বন্ধাবর, থানাঃ ধামইরহাট, জেলাঃ নওগাঁ কে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা যৌন হয়রানির ঘটনায় জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের পাশাপাশি অভিভাবক ও সমাজের সকল স্তরের মানুষকে আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
ডিএস./



















