১০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
স্বামী-শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক, হত্যার অভিযোগ পরিবারের

আনোয়ারায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা উপজেলায় হালিমা আক্তার মুন্নি (২১) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। পরিবারের দাবি— এটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অন্যদিকে ঘটনার পর থেকেই স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের পলাতক থাকা সন্দেহকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

রবিবার (১০ মে) ভোরে উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের পশ্চিম বরৈয়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ির নিজ কক্ষ থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত হালিমা আক্তার উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চন মুন্সির বাড়ির মো. ইসহাকের মেয়ে। তার এক বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। অন্যদিকে স্বামী মিজানুর রহমান পশ্চিম বরৈয়া এলাকার কালু মাঝির বাড়ির নবী হোসেনের ছেলে।

নিহতের পরিবারের দাবি, হালিমাকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

হালিমার বাবা মো. ইসহাক জানান, ভোরে তার জামাই ফোন করে হালিমার আত্মহত্যার খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি মেয়ের শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান।

তিনি বলেন, “ঘরে গিয়ে দেখি মেয়ের মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় থাকলেও তার পা মাটির সঙ্গে লাগানো ছিল। এতে আমাদের সন্দেহ হয়েছে, তাকে হত্যা করে পরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হালিমার ওপর নির্যাতন চলত। এসব বিষয় নিয়ে একাধিকবার পারিবারিকভাবে মীমাংসাও করা হয়েছিল।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী মো. বাশার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তখন নিহতের বাবার বাড়ির লোকজন উপস্থিত থাকলেও শ্বশুরবাড়ির কাউকে পাওয়া যায়নি।

আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, “মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বামী-শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক, হত্যার অভিযোগ পরিবারের

আনোয়ারায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত : ০৪:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা উপজেলায় হালিমা আক্তার মুন্নি (২১) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। পরিবারের দাবি— এটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অন্যদিকে ঘটনার পর থেকেই স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের পলাতক থাকা সন্দেহকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

রবিবার (১০ মে) ভোরে উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের পশ্চিম বরৈয়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ির নিজ কক্ষ থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত হালিমা আক্তার উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চন মুন্সির বাড়ির মো. ইসহাকের মেয়ে। তার এক বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। অন্যদিকে স্বামী মিজানুর রহমান পশ্চিম বরৈয়া এলাকার কালু মাঝির বাড়ির নবী হোসেনের ছেলে।

নিহতের পরিবারের দাবি, হালিমাকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

হালিমার বাবা মো. ইসহাক জানান, ভোরে তার জামাই ফোন করে হালিমার আত্মহত্যার খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি মেয়ের শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান।

তিনি বলেন, “ঘরে গিয়ে দেখি মেয়ের মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় থাকলেও তার পা মাটির সঙ্গে লাগানো ছিল। এতে আমাদের সন্দেহ হয়েছে, তাকে হত্যা করে পরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হালিমার ওপর নির্যাতন চলত। এসব বিষয় নিয়ে একাধিকবার পারিবারিকভাবে মীমাংসাও করা হয়েছিল।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী মো. বাশার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তখন নিহতের বাবার বাড়ির লোকজন উপস্থিত থাকলেও শ্বশুরবাড়ির কাউকে পাওয়া যায়নি।

আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, “মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ডিএস./