০২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

জেলের জালে ১৮ কেজির কাতল, বিক্রি সাড়ে ১৭ হাজারে

ভোলার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে ১৭ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় কাতল মাছ। মাছটি উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা চডারমাথা মৎস্যঘাটের শাহাবুদ্দীন ফরাজির আড়তে মাছটির নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৫-৭ জন ক্রেতা অংশ নেন। পরে সর্বোচ্চ দর দিয়ে মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জামাল কোম্পানি।

জানা যায়, শনিবার ভোরে ৩ জন সহযোগীকে নিয়ে মাছ ধরতে ইলিশা লঞ্চঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে জাল ফেলেন স্থানীয় জেলে হানিফ মাঝি। একপর্যায়ে জাল টেনে তোলার সময় অন্যান্য মাছের সঙ্গে বড় আকারের কাতল মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি বিক্রির জন্য নদীতীরবর্তী ঘাটে নিয়ে আসেন তিনি। সেখানে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে মাছটি বিক্রি করা হয়।

জেলে হানিফ মাঝি বলেন, গত ২৯ অক্টোবর নদীতে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর নদীতে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত মাছ পাইনি। তবে আজ ভোরে নদীতে আমার জালে ১৭ কেজি ৭০০ গ্রামের কাতল মাছটি ধরা পড়েছে। বিক্রি করেছি, এতে আমি খুশি।

মাছটি বিক্রির উদ্দেশ্যে ঢাকার মাওয়া ঘাটে পাঠানো হবে জানিয়ে ক্রেতা জামাল কোম্পানি বলেন, মাওয়া ঘাটে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারব বলে আমি আশাবাদী। মাছটির নিলামে অনেকেই অংশগ্রহণ করেছিল, সর্বোচ্চ দামেই আমিই কিনে নিয়েছি।

আড়তদার শাহাবুদ্দীন ফরাজি বলেন, বড় একটি কাতল মাছ আমার গদিতে উঠেছে এমন খবরে মানুষের ভিড় পড়ে যায়। পরে উন্মুক্ত নিলামে ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে গত ২৯ অক্টোবর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় জেলেদের জালে বড় বড় ইলিশ, পাঙাস ও কাতলসহ অন্যান্য মাছ ধরা পড়ছে বলে জানিয়েছেন ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন। তিনি বলেন, আশা করি সামনের দিনগুলোতে আরও বেশি পরিমাণে বড় মাছ পাবেন জেলেরা।

 

_Rs_

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জেলের জালে ১৮ কেজির কাতল, বিক্রি সাড়ে ১৭ হাজারে

প্রকাশিত : ০২:১০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

ভোলার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে ১৭ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় কাতল মাছ। মাছটি উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা চডারমাথা মৎস্যঘাটের শাহাবুদ্দীন ফরাজির আড়তে মাছটির নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৫-৭ জন ক্রেতা অংশ নেন। পরে সর্বোচ্চ দর দিয়ে মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জামাল কোম্পানি।

জানা যায়, শনিবার ভোরে ৩ জন সহযোগীকে নিয়ে মাছ ধরতে ইলিশা লঞ্চঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে জাল ফেলেন স্থানীয় জেলে হানিফ মাঝি। একপর্যায়ে জাল টেনে তোলার সময় অন্যান্য মাছের সঙ্গে বড় আকারের কাতল মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি বিক্রির জন্য নদীতীরবর্তী ঘাটে নিয়ে আসেন তিনি। সেখানে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে মাছটি বিক্রি করা হয়।

জেলে হানিফ মাঝি বলেন, গত ২৯ অক্টোবর নদীতে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর নদীতে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত মাছ পাইনি। তবে আজ ভোরে নদীতে আমার জালে ১৭ কেজি ৭০০ গ্রামের কাতল মাছটি ধরা পড়েছে। বিক্রি করেছি, এতে আমি খুশি।

মাছটি বিক্রির উদ্দেশ্যে ঢাকার মাওয়া ঘাটে পাঠানো হবে জানিয়ে ক্রেতা জামাল কোম্পানি বলেন, মাওয়া ঘাটে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারব বলে আমি আশাবাদী। মাছটির নিলামে অনেকেই অংশগ্রহণ করেছিল, সর্বোচ্চ দামেই আমিই কিনে নিয়েছি।

আড়তদার শাহাবুদ্দীন ফরাজি বলেন, বড় একটি কাতল মাছ আমার গদিতে উঠেছে এমন খবরে মানুষের ভিড় পড়ে যায়। পরে উন্মুক্ত নিলামে ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে গত ২৯ অক্টোবর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় জেলেদের জালে বড় বড় ইলিশ, পাঙাস ও কাতলসহ অন্যান্য মাছ ধরা পড়ছে বলে জানিয়েছেন ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন। তিনি বলেন, আশা করি সামনের দিনগুলোতে আরও বেশি পরিমাণে বড় মাছ পাবেন জেলেরা।

 

_Rs_