০১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতকে কাঁপিয়ে হংকংয়ের বিদায়

এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হংকংয়ের কাছে প্রায় হারতেই বসেছিলো ভারত। খাদের কিনারা থেকে বেঁচে শেষ পর্যন্ত ২৬ রানের জয় পায় ছয়বারের চ্যাম্পিয়নরা।

হংকংয়ের মতো পুঁচকে একটি দেশের কোনো ব্যাটসম্যানকে ৩৪ ওভার পর্যন্ত আউট করতে পারেনি ভারতীয় বোলাররা। হংকংও ততক্ষণে স্কোরবোর্ডে রান তুলে ফেলেছিল ১৭৪। ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে এ নিয়ে তিনবার ৩৩ ওভারের মধ্যে প্রতিপক্ষের ওপেনারদের উইকেট নিতে পারেনি বোলাররা।

এশিয়া কাপের ১৪তম আসরের চতুর্থ ম্যাচে আগে ব্যাট করা ভারত শিখর ধাওয়ানের সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৫ রান সংগ্রহ করে। জবাবে দুই ওপেনার নিজাকাত খান ও আনশুমান রাথের ১৭৪ রানের অন্যবদ্য জুটি সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ২৫৯ রানের বেশি করতে পারেনি হংকং।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৮৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত শিবিরে রিতিমত কাঁপন ধরিয়ে দেন নিজাকাত ও রাথ। দলীয় ৩৪ ওভারে ১৭৪ রানের জুটি গড়ে ফেলেন তারা।

হংকংয়ের দুই ওপেনার নিজাকাত খান এবং অংশমান রাথকে মনে হচ্ছিল যেন ভারতীয় বোলারদের সামনে বিশাল এক হিমালয় পর্বত। তাদেরকে নড়ানো যায় না, টলানো যায় না।

ভুবনেশ্বর কুমার, শার্দুল ঠাকুর, ইয়ুযবেন্দ্র চাহাল, কুলদ্বীপ যাদব এবং কেদার যাদব- এই ছয় বোলার একের পর এক চেষ্টা করেও পারেননি হংকংয়ের দুই ওপেনারের মধ্যে ফাটল ধরাতে।

তবে ভারতীয় অভিষিক্ত পেসার খলিল আহমেদ এই জুটির ভাঙন ধরানোর পরই আস্তে আস্তে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় হংকং। নিজাকাত ব্যক্তিগত ৯২ রানে খলিলের বলে এলবির ফাঁদে পড়েন।

দলীয় এক রান পরেই ৭৩ রান করা অধিনায়ক রাথকে রোহিত শর্মার ক্যাচে পরিণত করে প্যাভিলিয়নে পাঠান স্পিনার কুলদিপ যাদব। পরে খলিল, যাদব ও যুজভেন্দ্র চাহালের বোলিংয়ের সামনে আর পেরে ওঠেনি হংকং। খলিল ও চাহাল ৩টি করে উইকেট নেন। যাদব পান বাকি দুটি উইকেট।

টসে হেরে এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ধাওয়ানের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরির পরও দলীয় ৩শ’ রান ছুঁতে পারেনি ভারত। ১২০ বলে ১৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ১২৭ করেন ধাওয়ান। এছাড়া ৬০ রান আসে আম্বাতি রায়দুর ব্যাট থেকে।৩৩ রান করেন দিনেশ কার্তিক।

হংকং বোলারদের মধ্যে কিঞ্চিত শাহা সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন। এহসান খান ২টি উইকেট তুলে নেন। আসরে টানা দুই হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল হংকং। ‘এ’ গ্রুপ থেকে প্রথম ম্যাচে তারা পাকিস্তানের বিপক্ষে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছিল।

এদিকে একদিন পরেই ফের মাঠে নামতে হচ্ছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারতকে। তাও আবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে। যেখানে অবশ্য দু’দলই সুপার ফোর নিশ্চিত করেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভারতকে কাঁপিয়ে হংকংয়ের বিদায়

প্রকাশিত : ০৯:৫৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হংকংয়ের কাছে প্রায় হারতেই বসেছিলো ভারত। খাদের কিনারা থেকে বেঁচে শেষ পর্যন্ত ২৬ রানের জয় পায় ছয়বারের চ্যাম্পিয়নরা।

হংকংয়ের মতো পুঁচকে একটি দেশের কোনো ব্যাটসম্যানকে ৩৪ ওভার পর্যন্ত আউট করতে পারেনি ভারতীয় বোলাররা। হংকংও ততক্ষণে স্কোরবোর্ডে রান তুলে ফেলেছিল ১৭৪। ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে এ নিয়ে তিনবার ৩৩ ওভারের মধ্যে প্রতিপক্ষের ওপেনারদের উইকেট নিতে পারেনি বোলাররা।

এশিয়া কাপের ১৪তম আসরের চতুর্থ ম্যাচে আগে ব্যাট করা ভারত শিখর ধাওয়ানের সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৫ রান সংগ্রহ করে। জবাবে দুই ওপেনার নিজাকাত খান ও আনশুমান রাথের ১৭৪ রানের অন্যবদ্য জুটি সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ২৫৯ রানের বেশি করতে পারেনি হংকং।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৮৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত শিবিরে রিতিমত কাঁপন ধরিয়ে দেন নিজাকাত ও রাথ। দলীয় ৩৪ ওভারে ১৭৪ রানের জুটি গড়ে ফেলেন তারা।

হংকংয়ের দুই ওপেনার নিজাকাত খান এবং অংশমান রাথকে মনে হচ্ছিল যেন ভারতীয় বোলারদের সামনে বিশাল এক হিমালয় পর্বত। তাদেরকে নড়ানো যায় না, টলানো যায় না।

ভুবনেশ্বর কুমার, শার্দুল ঠাকুর, ইয়ুযবেন্দ্র চাহাল, কুলদ্বীপ যাদব এবং কেদার যাদব- এই ছয় বোলার একের পর এক চেষ্টা করেও পারেননি হংকংয়ের দুই ওপেনারের মধ্যে ফাটল ধরাতে।

তবে ভারতীয় অভিষিক্ত পেসার খলিল আহমেদ এই জুটির ভাঙন ধরানোর পরই আস্তে আস্তে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় হংকং। নিজাকাত ব্যক্তিগত ৯২ রানে খলিলের বলে এলবির ফাঁদে পড়েন।

দলীয় এক রান পরেই ৭৩ রান করা অধিনায়ক রাথকে রোহিত শর্মার ক্যাচে পরিণত করে প্যাভিলিয়নে পাঠান স্পিনার কুলদিপ যাদব। পরে খলিল, যাদব ও যুজভেন্দ্র চাহালের বোলিংয়ের সামনে আর পেরে ওঠেনি হংকং। খলিল ও চাহাল ৩টি করে উইকেট নেন। যাদব পান বাকি দুটি উইকেট।

টসে হেরে এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ধাওয়ানের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরির পরও দলীয় ৩শ’ রান ছুঁতে পারেনি ভারত। ১২০ বলে ১৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ১২৭ করেন ধাওয়ান। এছাড়া ৬০ রান আসে আম্বাতি রায়দুর ব্যাট থেকে।৩৩ রান করেন দিনেশ কার্তিক।

হংকং বোলারদের মধ্যে কিঞ্চিত শাহা সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন। এহসান খান ২টি উইকেট তুলে নেন। আসরে টানা দুই হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল হংকং। ‘এ’ গ্রুপ থেকে প্রথম ম্যাচে তারা পাকিস্তানের বিপক্ষে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছিল।

এদিকে একদিন পরেই ফের মাঠে নামতে হচ্ছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারতকে। তাও আবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে। যেখানে অবশ্য দু’দলই সুপার ফোর নিশ্চিত করেছে।