সুজানগরে স্কুলছাত্রীসহ এক গৃহবধূকে জোড় পূর্বক গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একজন সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। বর্তমানে সে পাবনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ অভিযোগে শুক্রবার রাতে পৌরসভার ভবানীপুর এলাকার মৃত জয়নাল খার ছেলে আনোয়ার হোসেন আনাই (৩৫), মোসলেম শেখের ছেলে হাসান শেখ ((২৫), ছালাম প্রাং এর ছেলে সাব্বির প্রাং (১৯), রাধানগর এলাাকার রতন প্রাং এর ছেলে রাসেল প্রাং (২২) ও নিয়োগীর বনগ্রাম এলাকার সিদ্দিক প্রাং এর ছেলে শিপন প্রাং (২০) কে গ্রেফতার করেছে সুজানগর থানা পুলিশ।
এদিকে ধর্ষণের অভিযোগে স্কুলছাত্রীর বড় বোন লাকি খাতুন শুক্রবার সুজানগর থানায় আট জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে স্থানীয় মাস্টারপাড়া এলাকার বড় বোন লাকির ভাড়া বাসা থেকে বিয়ের প্রলোভনে পড়ে ওই স্কুলছাত্রী প্রেমিক সজিব এর সঙ্গে বের হয়। এরপর প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন আনাই তাদের নিয়ে যায় পৌর সদরের ভবানীপুর মহল্লার প্রবাসী মিন্টু হোসেনের বাড়িতে।
সেখানে আনাই ও পৌর কাউন্সিলর সাহেবুলের আপন ভাই নায়েবসহ আরো কয়েকজন ওই স্কুলছাত্রীকে জোড়পূর্বক গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন মেয়েটির পরিবার। মেয়েটি পরদিন বাড়িতে গিয়ে সবকিছু জানালে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে স্বজনরা।
অপরদিকে, একইদিনে উপজেলার হাটখালী ইউনিয়ের শোলাকিয়া গ্রামে এক গৃহবধূকে গণধর্ষেণের অভিযোগে সুজানগর থানায় পৃথক আরেকটি মামলা দায়ের হয়েছে। আর এ অভিযোগে একই এলাকার মৃত হুটু কাজীর ছেলে জনাব আলী কাজীকে (৫০) শুক্রবার আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নয় জনকে আসামী করে শুক্রবার থানায় মামলা দায়ের করেন ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ।
মামলার ভিত্তিতে জানা যায়, গৃহবধূর স্বামী বাড়িতে না থাকায় মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে নিজ বাড়ি থেকে গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ডেকে নিয়ে গিয়ে একটি টিনের ঘরের মধ্যে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে উক্ত আসামীরা।
থানা অফিসার ইনচার্জ শরিফুল আলম জানান, ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া পৃথক দুইটি মামলার আটককৃত আসামীদের শনিবার পাবনা কোর্টে পাঠানো হয়েছে আর পলাতক অপর আসামীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।
বিবি/জেজে


















