একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে উপজেলা সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তা পদে ৫১৭ জনকে নিয়োগ দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে নির্বাচন কমিশন। নতুন পদ সৃষ্টি করে তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুব তালুকদার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘এ নিয়োগ সংসদ নির্বাচনের আগেই হবে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তারা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।’
এর আগে নবম সংসদের আগে বিএনপির আমলে এ ধরনের নিয়োগে বিতর্ক হয়েছিল। সেখানে স্বজনপ্রীতি ঘটে। পরে এ নিয়োগটি এটিএম শামসুল হুদা কমিশন বাতিল করে।
নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনে নতুন নিয়োগে বিতর্ক হবে কি না সাংবাদিকদের এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না। যাচাই-বাছাই করে নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো বিতর্ক হবে না।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ইসির জনবলের সংখ্যা তিন হাজার। সংশোধনীয় অর্গানোগ্রামে পাঁচ হাজার করা হয়েছে। তাই নতুন করে দুহাজার লোক নিয়োগ করা হচ্ছে এবং এটি নির্বাচনের আগেই।’
গতকাল ইসির বিদ্যমান জনবল থেকে পাঁচ কর্মকর্তাকে পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়েছে। তবে যুগ্ম সচিব কাউকে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার ১০টি পদের বিপরীতে ৯ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এরা ৪র্থ গ্রেডভুক্ত হবেন। উপসচিব পদে ২৯ জনকে পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়েছে। এরা পঞ্চম গ্রেডভুক্ত হবেন।
এ ছাড়া সিনিয়র সহকারী সচিব ৩৭ জনকে পদোন্নতি সুপারিশ করা হয়েছে। এরা ৬ষ্ঠ গ্রেডের আওতায় পড়বেন।
বরিশাল সিটি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নির্বাচনে কমিশন ঘোষণা দেয়নি। তদন্ত চলছিল কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা গতকাল কীভাবে ফলাফল ঘোষণা কিভাবে ফলাফল ঘোষণা করল জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কোনো উত্তর নেই।’
বিবি/ইএম




















