মার্কিন আদালত কর্তৃক জব্দ হওয়া ইরানের ব্যাংকগুলোর ১৭৫ কোটি ডলার ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া ইরানের দায়েরকৃত মামলাটি বাতিল করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারকদের কাছে আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছিল, জব্দকৃত অর্থ ১৯৮৩ সালে বৈরুতে মার্কিন নৌঘাঁটিতে বোমা হামলায় নিহত সেনাদের পরিবারের সহায়তায় ব্যবহার করা হবে।
আইসিজেতে উত্থাপিত মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী অভিযোগ করেন, হিজবুল্লাহকে সর্বতোভাবে সহায়তা করে আসছে ইরান। লেবাননের রাজধানী বৈরুতে মার্কিন নৌঘাঁটিতে ‘ট্রাকবোমা’ হামলা করেছিল তেহরানের মদদপুষ্ট এ শিয়া রাজনৈতিক ও সামরিক গোষ্ঠীটি।
সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন কর্মকর্তা রিচার্ড ভাইসেক বলেন, ‘ইরান নোংরা হাত নিয়ে আদালতে এসেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদে ইরানের সহায়তার বিষয়টি হচ্ছে এ মামলার মূলকথা। ইরানের কুকর্মের মধ্যে রয়েছে সন্ত্রাসবাদী বোমা হামলা, গুপ্ত হত্যা, অপহরণ ও উড়োজাহাজ ছিনতাই।’ তবে ওই বোমা হামলার সঙ্গে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করে আসছে ইরান।
ট্রাইব্যুনালে পরিচালিত শুনানিটি তেহরানের বিপক্ষে চলমান মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে শুনানি থেকে আলাদা একটি ঘটনা। ইরানের দুটি দাবিই ইসলামী বিপ্লবের ২৪ বছর আগের মৈত্রী চুক্তির ওপর দাঁড়িয়ে করা হয়েছে। তবে গত সপ্তাহে ছয় দশকেরও পুরনো মৈত্রী চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানে ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর উভয় দেশ একে অন্যের কঠিন শত্রুতে পরিণত হয়েছে।
বিবি/রেআ





















