১২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

খাসোগির ব্যাপারে সৌদি সরকারের কাছে ব্যাখ্যা দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিক জামাল খাসোগির নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে সৌদি আরবের কাছে বুধবার ব্যাখ্যা দাবি করেছেন। ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর থেকে তার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে কনস্যুলেটের ভেতরে হত্যা করা হয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন তুর্কি কর্মকর্তারা।

ট্রাম্প বলেন, এ ব্যাপারে তিনি সৌদি আরবের ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ে’ একাধিকবার কথা বলেছেন। উল্লেখ্য, সৌদি আরব ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলোর অন্যতম এবং মার্কিন অস্ত্রের একটি বড় বাজার।

ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, এ ব্যাপারে সৌদি আরবের কাছে ‘আমরা সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘শুধু সাংবাদিক কেন, কারো ক্ষেত্রেই আমরা এমন ঘটনা ঘটতে দিতে পারিনা।’

তিনি বলেন, ‘এটা নিয়ে যা চলছে তাতে আমরা খুবই হতাশ। আমরা এমনটা পছন্দ করিনা এবং এ ব্যাপারে আমরা সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চাচ্ছি।’

ট্রাম্পের মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স জানান, গত দু’দিনেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বল্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহকারী ও তার জামাই জারেড কুশনার যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন।

বুধবার ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়, যুবরাজ মোহাম্মদ নিজেই খাসোগিকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

কারো নাম উল্লেখ না করে গোয়েন্দা আলোচনা নিয়ে আড়িপাতা মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওই সংবাদপত্রের খবরে বলা হয়, প্রলোভন দেখিয়ে খাসোগিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া রাজ্য থেকে ডেকে নিয়ে তাকে আটক করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার কথা শুনেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

বিভিন্ন মানবাধিকার ও সাংবাদিক গ্রুপ এ ঘটনার কঠোর সমালোচনা করে।

ট্রাম্প জানান, তিনি খাসোগির বাগদত্তা হ্যাটিস সেনগিজের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে সাক্ষাতের অপেক্ষায় রয়েছেন।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

খাসোগির ব্যাপারে সৌদি সরকারের কাছে ব্যাখ্যা দাবি ট্রাম্পের

প্রকাশিত : ০২:৩৯:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিক জামাল খাসোগির নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে সৌদি আরবের কাছে বুধবার ব্যাখ্যা দাবি করেছেন। ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর থেকে তার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে কনস্যুলেটের ভেতরে হত্যা করা হয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন তুর্কি কর্মকর্তারা।

ট্রাম্প বলেন, এ ব্যাপারে তিনি সৌদি আরবের ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ে’ একাধিকবার কথা বলেছেন। উল্লেখ্য, সৌদি আরব ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলোর অন্যতম এবং মার্কিন অস্ত্রের একটি বড় বাজার।

ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, এ ব্যাপারে সৌদি আরবের কাছে ‘আমরা সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘শুধু সাংবাদিক কেন, কারো ক্ষেত্রেই আমরা এমন ঘটনা ঘটতে দিতে পারিনা।’

তিনি বলেন, ‘এটা নিয়ে যা চলছে তাতে আমরা খুবই হতাশ। আমরা এমনটা পছন্দ করিনা এবং এ ব্যাপারে আমরা সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চাচ্ছি।’

ট্রাম্পের মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স জানান, গত দু’দিনেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বল্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহকারী ও তার জামাই জারেড কুশনার যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন।

বুধবার ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়, যুবরাজ মোহাম্মদ নিজেই খাসোগিকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

কারো নাম উল্লেখ না করে গোয়েন্দা আলোচনা নিয়ে আড়িপাতা মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওই সংবাদপত্রের খবরে বলা হয়, প্রলোভন দেখিয়ে খাসোগিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া রাজ্য থেকে ডেকে নিয়ে তাকে আটক করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার কথা শুনেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

বিভিন্ন মানবাধিকার ও সাংবাদিক গ্রুপ এ ঘটনার কঠোর সমালোচনা করে।

ট্রাম্প জানান, তিনি খাসোগির বাগদত্তা হ্যাটিস সেনগিজের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে সাক্ষাতের অপেক্ষায় রয়েছেন।

বিবি/রেআ