খাগড়াছড়ি’র গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়নের দূর্গম কুকিছড়া এলাকায় রাতের আধারে বৌদ্ধ বিহার ও বৌদ্ধ মুর্তি ভাংচুরের প্রতিবাদ মিছিল হয়েছে।
বিহার ও বৌদ্ধ মুর্তি ভাঙ্গার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেলে গুইমারা রামসু বাজার এলাকা থেকে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী সহস্রাধিক নারী-পুরুষের এক বিশাল বিােভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি গুইমারাউপজেলা প্রধান প্রধান সড়ক প্রদণি করে। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর বাধা উপো করে মিছিলটি গুইমারা রিজিয়নের সংরিত এলাকায় প্রবেশ করতে চাইলে পুলিশের ব্যরিকেডে মধ্যে গুইমারা ব্রীজের যান চলাচল বন্ধ করে প্রতিবাদ সভা করে। এতে বক্তব্য রাখেন গুইমারা দেওয়ানপাড়া মিশন বৌদ্ধ বিহারের ভিু জ্যোতিসারা ভান্তে। এসময় তিনি ২৪ঘন্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় না আসলে প্রবারণা পূর্নিমা বর্জন সহ লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা দেন।
এতে প্রশাসনের প থেকে খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সালাহ উদ্দিন, গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়ুয়া গুইমারা ভার অফিসার ইনচার্জ গিয়াস উদ্দিন, গুইমারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মেমং মারমা, সিন্দুকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান রেদাক মারমা সহ জনপ্রতিনিধি ও সরকারী কর্মকর্তারা এঘটনার সুষ্ঠ ও নিরপে তদন্তের পাশাপাশি দোষীদের গ্রেফতার ও শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
২২অক্টোবর গভীর রাতে দুস্কৃতিকারী কে বা কাহারা বিহারে ঘর ভেঙ্গে ঘরের বিভিন্ন অংশ পাশে ও সিমেন্টের তৈরী বৌদ্ধ মুর্তি ভাংচুর করে পালিয়ে যায়। এসময় বৌদ্ধ বিহারে কোন ভিু বা লোকজন ছিল না।
বৌদ্ধ বিহার ও মুর্তি ভাংচুরের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সকল প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে বলে গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ গিয়াস উদ্দিন জানান।
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের আওতাধীন হাফছড়ি ইউনিয়নের কুকিছড়া এলাকায় পরিত্যাক্ত একটি সেনাক্যাম্পের জায়গায় নব নির্মিত ধর্মীয় উপসনালয় “জেতবন বৌদ্ধ বিহার” ভাংচুর করেছে দুর্বিত্তরা। সোমবার মধ্যরাতে এ ভাংচুর করা হয়। এসময় বিহারের পাশাপাশি নব স্থাপিত বৌদ্ধ মুর্তিটিও গুটিয়ে দেয় দুর্বিত্তরা। ঘটনার পর এলাকা জুড়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সেনাবাহিনী, পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ গনমাধ্যম কর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এসময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনসহ বুদ্ধ মুর্তিটি পুনস্থাপনের ঘোষনা দেয়া। এদিকে ঘটনার পরপরই একটি স্বার্থেন্নেশি মহল নিরাপত্তা বাহিনীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে অপপ্রচারের তিব্র নিন্দা জানিয়ে মাটিরাঙ্গা সেনা জোন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল রাইসুল ইসলাম জানান, আর একদিন পর বুদ্ধা ধর্মাবলম্বীদের প্রধান এবং ধর্মীয় উৎসব বৌদ্ধ পূর্ণিমা, এ উৎসবটিকে ভুন্ডুল করার জন্য একটি স্বার্থেন্নেশি মহল এ নেক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়ে প্রশাসনে উপর দায় চাপানের চেষ্টা করছে। সেখানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাহাড়ে শান্তি সম্পৃতি রক্ষায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে, সেখান সেনাবাহিনীকে নিয়ে অপপ্রচার কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায়না। যারা এ ঘটনার সাথে জড়িত তাদের খুজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।
বিবি / ইএম






















