সম্প্রীতি বজায় থাকলে পাহাড়ে উন্নয়নের জোয়ার বইবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে মন্তব্য করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের চট্রগ্রাম এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল এসএম মতিউর রহমান বলেছেন, যারা পার্বত্যাঞ্চলে শান্তি, সম্পৃতি বিনষ্ট করে দেশের উন্নয়নে বাঁধাগ্রস্থ করতে চায়, তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে। দেশের ভৌগলিক অখন্ড, স্বার্বভৌমত্ব নষ্ট কারীদের কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবেনা।
২৯ অক্টোবর সোমবার বহু প্রতিক্ষিত বাইন্যাছোলা-মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে জিওসি ২৪ পদাতিক ডিভিশন এবং চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল এস এম মতিউর রহমান এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম সাজেদুল ইসলাম।
খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা ও চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী বাইন্যাছোলা-মানিকপুর এলাকায় অন্তত ১০টি গ্রামে ১৫০টি পরিবার রয়েছে যেখানে ১০ থেকে ১২ কিলোমিটারের মধ্যে কোন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাই। তাই প্রাথমিক শিক্ষা অতিক্রম করার পরই ঝড়ে পরে শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে জনপ্রতিনিধির মধ্য হতে বক্তব্য রাখেন, ফটিকছড়ি ৭নং ইউপি চেয়ারম্যান মো. রশিদ উদ্দিন চৌধুরী কাতেব। তিনি বলেন, স্বল্প আয়ের কৃষি নির্ভর এলাকার ছেলে মেয়েরা আর্থিক অভাব অনটন ও যোগাযোগের সুব্যবস্থা না থাকায় পিছিয়ে পড়ছে উচ্চ শিক্ষা অর্জণ থেকে। তাই এলাকাবাসীর বহুদিনের দাবীর প্রেক্ষিতে লক্ষ্মীছড়ি জোনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আজ বিদ্যালয়টির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হলো।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিওসি ২৪ পদাতিক ডিভিশন এবং চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল এস এম মতিউর রহমান বলেন, পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আজ এই দুই জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন তারই ধারাবাহিকতা মাত্র। দেশের বর্তমান উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের গতিধারা আরও দ্রুত তরান্বিত করতে আমাদের পাশাপাশি জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, লক্ষ্মীছড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্জ আ. জব্বার, লক্ষ্মীছড়ি জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর জান্নাতুল ফেরদৌস, লক্ষ্মীছড়ির ১নং সদর ইউপি চেয়ারম্যান প্রবিল কুমার চাকমা, দুল্যাতলী ইউপি চেয়ারম্যান ত্রিলন চাকমা, বর্মাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান হরি মোহন চাকমা মানিকছড়ির যোগ্যাছোলা ইউপি চেয়ারম্যান ক্যজরী মারমা সহ এলাকার সর্বস্তরের পাহাড়ী বাঙ্গালী নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও জনসাধরণ।
পরে মহান সৃষ্টিকর্তার নামে দেশ ও জাতির কল্যানে ও বিদ্যালয়টির উত্তরোত্তর উন্নয়ন-সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাতে অংশ গ্রহণ করেন অতিথি ও উপস্থিত এলাকাবাসীরা।
বিবি / ইএম






















