১১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

একে অপরের ভক্ত

বাংলাদেশের স্বনামধন্য অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা। বাংলাদেশের নাট্যজগতে উজ্জল এক স্থান অধিকার করে আছেন তিনি। আশির দশকে তিনি ছিলেন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী। বিশেষ করে আফজাল হোসেন এবং হুমায়ুন ফরীদির সাথে তার জুটি ব্যাপক দর্শক সমাদর লাভ করে। প্রচুর মঞ্চ নাটক এবং চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। এ প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীরা আদর্শ হিসেবেই সামনে রাখেন তাকে। অন্যদিকে বাংলাদেশের অন্যতম একজন মডেল সাদিয়া ইসলাম মৌ। একজন সফল নৃত্যশিল্পীও। চিত্রাঙ্গদা, শ্যামা, মায়ার খেলা, চণ্ডালিকা, নকশীকাঁথার মাঠ, ইত্যাদি নাটকে অভিনয় করে দেখিয়েছেন অভিনয়ের কারিশমা। মডেলিংয়ের আদর্শও তিনি।

মজার বিষয় হচ্ছে এ দুই তারকা একে অপরের ভক্ত। অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছে অনেক। আড্ডাও হয়েছে। শুধু হয়নি একসঙ্গে কাজ করা। এবার সেটাও হলো। ফ্যাশন হাউজ ‘বিশ্বরঙ’র কর্ণধার বিপ্লব সাহার উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে বিশ্বরঙ’র ফটোশুটে অংশ নিলেন তারা। কাজের মাধ্যমে প্রথমবার একফ্রেমে বন্ধি হলেন দেশী শোবিজের এ দুই আইকন।

বিশ্বরঙ’র ফটোশুটে সাদিয়া ইসলাম মৌ ও সুবর্ণা মুস্তাফা
প্রথমবার একসঙ্গে কাজের অনুভূতি জানিয়ে সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন,‘ আমি মৌয়ের একজন ভক্ত। ওর মডেলিং, নৃত্য ও সৌন্দর্য্য সবই আমাকে মুগ্ধ করে। অবাক হলাম ওর সঙ্গে আমার কোন কাজ হয়নি! বিশ্বরঙর কল্যাণে প্রথমবার কাজ হলো আমাদের। পোশাকের ফটোশুট হলেও এখানে আমাদের দেশের পতাকাকে প্রেজেন্ট করা হয়েছে। কনসেপ্টটা দারুন ছিল। সময়টাও দারুন কেটেছে। দীর্ঘ সময় আমরা প্রানবন্ত আড্ডা দিয়েছি। বিপ্লব সাহাকে ধন্যবাদ এমন একটি কাজের জন্য।’

সুবর্ণা মুস্তাফা
মৌয়ের পছন্দের তালিকায়ও শীর্ষে রয়েছেন সুবর্ণা মুস্তাফা। পছন্দের মানুষের সঙ্গে প্রথম কাজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে মৌ বলেন, ‘সুবর্ণা আপা আমাদের লিজেন্ড অভিনেত্রী। আমার পছন্দের মানুষ। প্রথমে বিপ্লব সাহা যখন তার সঙ্গে কাজের অফার দেয়। আমার অন্য রকম ভালো লাগা কাজ করেছিল। শটে যাওয়ার আগে বলেছিলাম আমরা কাজ করবো না, গল্প করবো। যদি ভালো লাগে তাহলে কাজে সময় দেবো। বিপ্লব দাদা রাজি ছিলো তাতেই। কারণ আমি সুবর্ণা আপার সঙ্গে দীর্ঘ সময় আড্ডা দেয়াটা হাতছাড়া করতে চাইনি। সব শেষে আড্ডাও হয়েছে, কাজও হয়েছে। এটা আমার জন্য সরণীয় মুহুর্ত হয়ে থাকবে।’

বিশ্বরঙ’র ফটোশুটে মৌ
এ দুই তারকাকে নিয়ে একসঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বিশ্বরঙের কর্ণধার বিপ্লব সাহা বলেন, ‘দুইজনই আমাদের মিডিয়ার উজ্জল নক্ষত্র। তাদের একসঙ্গে করে বিশ্বরঙ কাজ করেছে এটা বিশ্বরঙের জন্য গর্বের। আমি তো দেশের অনেক মডেল নিয়েই কাজ করি। তবে তাদের মতো বড় মাপের মডেল নিয়ে কাজ করতে নানা অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হই। কজের প্রতি তাদের ডেডিগেশন দেখে মুগ্ধ না হয়ে পারিনা। এতো বড় মাপের আর্টিস্ট হয়েও সেটে আমাদের আগে পৌছে যান তারা। কত কেয়াফুল হয়ে কাজ করেন। দুইজনের কাছেই আমি কৃতজ্ঞ। বিজয় দিবসের ফটোশুট এটি। পোশাকে বিজয় দিবসকে তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে উপস্থাপন করা হয়েছে আমাদের জাতীয় পতাকাকে।’

বিবি/রেআ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

একে অপরের ভক্ত

প্রকাশিত : ০১:৫২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৮

বাংলাদেশের স্বনামধন্য অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা। বাংলাদেশের নাট্যজগতে উজ্জল এক স্থান অধিকার করে আছেন তিনি। আশির দশকে তিনি ছিলেন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী। বিশেষ করে আফজাল হোসেন এবং হুমায়ুন ফরীদির সাথে তার জুটি ব্যাপক দর্শক সমাদর লাভ করে। প্রচুর মঞ্চ নাটক এবং চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। এ প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীরা আদর্শ হিসেবেই সামনে রাখেন তাকে। অন্যদিকে বাংলাদেশের অন্যতম একজন মডেল সাদিয়া ইসলাম মৌ। একজন সফল নৃত্যশিল্পীও। চিত্রাঙ্গদা, শ্যামা, মায়ার খেলা, চণ্ডালিকা, নকশীকাঁথার মাঠ, ইত্যাদি নাটকে অভিনয় করে দেখিয়েছেন অভিনয়ের কারিশমা। মডেলিংয়ের আদর্শও তিনি।

মজার বিষয় হচ্ছে এ দুই তারকা একে অপরের ভক্ত। অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছে অনেক। আড্ডাও হয়েছে। শুধু হয়নি একসঙ্গে কাজ করা। এবার সেটাও হলো। ফ্যাশন হাউজ ‘বিশ্বরঙ’র কর্ণধার বিপ্লব সাহার উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে বিশ্বরঙ’র ফটোশুটে অংশ নিলেন তারা। কাজের মাধ্যমে প্রথমবার একফ্রেমে বন্ধি হলেন দেশী শোবিজের এ দুই আইকন।

বিশ্বরঙ’র ফটোশুটে সাদিয়া ইসলাম মৌ ও সুবর্ণা মুস্তাফা
প্রথমবার একসঙ্গে কাজের অনুভূতি জানিয়ে সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন,‘ আমি মৌয়ের একজন ভক্ত। ওর মডেলিং, নৃত্য ও সৌন্দর্য্য সবই আমাকে মুগ্ধ করে। অবাক হলাম ওর সঙ্গে আমার কোন কাজ হয়নি! বিশ্বরঙর কল্যাণে প্রথমবার কাজ হলো আমাদের। পোশাকের ফটোশুট হলেও এখানে আমাদের দেশের পতাকাকে প্রেজেন্ট করা হয়েছে। কনসেপ্টটা দারুন ছিল। সময়টাও দারুন কেটেছে। দীর্ঘ সময় আমরা প্রানবন্ত আড্ডা দিয়েছি। বিপ্লব সাহাকে ধন্যবাদ এমন একটি কাজের জন্য।’

সুবর্ণা মুস্তাফা
মৌয়ের পছন্দের তালিকায়ও শীর্ষে রয়েছেন সুবর্ণা মুস্তাফা। পছন্দের মানুষের সঙ্গে প্রথম কাজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে মৌ বলেন, ‘সুবর্ণা আপা আমাদের লিজেন্ড অভিনেত্রী। আমার পছন্দের মানুষ। প্রথমে বিপ্লব সাহা যখন তার সঙ্গে কাজের অফার দেয়। আমার অন্য রকম ভালো লাগা কাজ করেছিল। শটে যাওয়ার আগে বলেছিলাম আমরা কাজ করবো না, গল্প করবো। যদি ভালো লাগে তাহলে কাজে সময় দেবো। বিপ্লব দাদা রাজি ছিলো তাতেই। কারণ আমি সুবর্ণা আপার সঙ্গে দীর্ঘ সময় আড্ডা দেয়াটা হাতছাড়া করতে চাইনি। সব শেষে আড্ডাও হয়েছে, কাজও হয়েছে। এটা আমার জন্য সরণীয় মুহুর্ত হয়ে থাকবে।’

বিশ্বরঙ’র ফটোশুটে মৌ
এ দুই তারকাকে নিয়ে একসঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বিশ্বরঙের কর্ণধার বিপ্লব সাহা বলেন, ‘দুইজনই আমাদের মিডিয়ার উজ্জল নক্ষত্র। তাদের একসঙ্গে করে বিশ্বরঙ কাজ করেছে এটা বিশ্বরঙের জন্য গর্বের। আমি তো দেশের অনেক মডেল নিয়েই কাজ করি। তবে তাদের মতো বড় মাপের মডেল নিয়ে কাজ করতে নানা অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হই। কজের প্রতি তাদের ডেডিগেশন দেখে মুগ্ধ না হয়ে পারিনা। এতো বড় মাপের আর্টিস্ট হয়েও সেটে আমাদের আগে পৌছে যান তারা। কত কেয়াফুল হয়ে কাজ করেন। দুইজনের কাছেই আমি কৃতজ্ঞ। বিজয় দিবসের ফটোশুট এটি। পোশাকে বিজয় দিবসকে তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে উপস্থাপন করা হয়েছে আমাদের জাতীয় পতাকাকে।’

বিবি/রেআ