১০:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

রাজধানীতে নিজ বাসায় মা-ছেলে খুন

রাজধানীর কাকরাইলে মা-ছেলেকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। কাকরাইলের আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম রোডের এক বাড়িতে বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম শামসুন্নাহার (৪৫) ও তার নিহত ছেলের নাম শাওন (ও লেভেল শিক্ষার্থী)। নিহতের স্বামী আবদুল করিম পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী। তিনি আঁদা-রসুন-পেঁয়াজ আমদানিকারক।

রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বাড়িটির বেডরুমে মায়ের গলাকাটা মরদেহ এবং সিঁড়িতে সন্তানের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছি।

ঘটনাস্থল থেকে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় জানান, ‘ছয়তলা বাসার পঞ্চমতলায় তিনটি রুম নিয়ে তারা থাকতেন। এর মধ্যে নারীর মরদেহ বেডরুমে উপুর হয়ে শোয়ানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। আর চতুর্থ তলার সিঁড়িতে উপুর হয়ে শোয়া অবস্থায় ছেলের মরদেহ পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, ডিএমপির ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহ করবে তাই মরদেহ উদ্ধার করিনি। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী আবদুল করিম, গৃহকর্মী রাশেদা বেগম ও একজন দারোয়ানকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

তিনি আরও জানান, নিহত শামসুন্নাহারের তিন ছেলে। বড় ছেলে মুন্না লন্ডনে থাকে, মেজ ছেলে অনিক কানাডায় থাকে ও ছোট ছেলে নিহত শাওন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীতে নিজ বাসায় মা-ছেলে খুন

প্রকাশিত : ১০:৫০:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০১৭

রাজধানীর কাকরাইলে মা-ছেলেকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। কাকরাইলের আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম রোডের এক বাড়িতে বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম শামসুন্নাহার (৪৫) ও তার নিহত ছেলের নাম শাওন (ও লেভেল শিক্ষার্থী)। নিহতের স্বামী আবদুল করিম পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী। তিনি আঁদা-রসুন-পেঁয়াজ আমদানিকারক।

রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বাড়িটির বেডরুমে মায়ের গলাকাটা মরদেহ এবং সিঁড়িতে সন্তানের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছি।

ঘটনাস্থল থেকে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় জানান, ‘ছয়তলা বাসার পঞ্চমতলায় তিনটি রুম নিয়ে তারা থাকতেন। এর মধ্যে নারীর মরদেহ বেডরুমে উপুর হয়ে শোয়ানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। আর চতুর্থ তলার সিঁড়িতে উপুর হয়ে শোয়া অবস্থায় ছেলের মরদেহ পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, ডিএমপির ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহ করবে তাই মরদেহ উদ্ধার করিনি। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী আবদুল করিম, গৃহকর্মী রাশেদা বেগম ও একজন দারোয়ানকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

তিনি আরও জানান, নিহত শামসুন্নাহারের তিন ছেলে। বড় ছেলে মুন্না লন্ডনে থাকে, মেজ ছেলে অনিক কানাডায় থাকে ও ছোট ছেলে নিহত শাওন।