০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

২০২০ সালেই মিলবে উড়ন্ত গাড়ি

যানজটসহ অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে এবার উড়ন্ত গাড়ি (ফ্লাইং কার) নিয়ে আসছে ব্রিটেনের ডাচ সংস্থা পিএএল-ভি ইন্টারন্যাশনাল। ২০২০ সালের মধ্যেই বাজারে পাওয়া যাবে এই গাড়ি। এরই মধ্যে ব্রিটেনে প্রি-বুকিং নেয়াও শুরু করেছে ডাচ প্রতিষ্ঠানটি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন প্রথম দিকে শুধুমাত্র ব্রিটেন, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া যাবে এই গাড়ি।

নির্মাতারা জানিয়েছেন তিন চাকার এই উড়ন্ত হাড়ি চলবে পেট্রোলে। এর জ্বালানি ধারণ ক্ষমতা হবে ১০০ লিটার। একবার জ্বালানি ভর্তি করে সড়কপথে সর্বাধিক ১ হাজার ৩১৫ কিলোমিটার চলতে পারবে। আর আকাশপথে যেতে পারবে ৪৮২ কিলোমিটার পর্যন্ত। সড়কে সর্বোচ্চ গতি হবে ১৬০ কিলোমিটার, আর উড়ন্ত অবস্থায় ১৮০ কিলোমিটার।

৬৬৪ কেজির ওজনের এই গাড়িতে আসন সংখ্যা থাকবে ২টি। আর মাল বহন করা যাবে ২০ কেজির মতো। ড্রাইভ মোড থেকে হেলিকপ্টার মোডে পরিবর্তনে সময় লাগবে মাত্র ১০ মিনিট। টেক-অফের জন্য লাগবে ৩৩০ মিটার জায়গা। এটি সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার মিটার বা সাড়ে ১১ হাজার ফুট উঁচু দিয়ে উড়তে পারবে।

নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পিএএল-ভি জানিয়েছে, ইউরোপ-যুক্তরাষ্ট্রে ইউরোপীয় বিমান সুরক্ষা এজেন্সির নিয়মে চলবে এই গাড়ি। তবে ব্রিটেনে এই গাড়ির জন্য থাকবে আলাদা নিয়ম।

ইউরোপ-আমেরিকায় এমন একটি গাড়ির মালিক হতে চাইলে আপনাকে গুনতে হবে বাংলাদেশি প্রায় তিন কোটি টাকা।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হামে আক্রান্তদের বড় অংশই টিকাবিহীন শিশু

২০২০ সালেই মিলবে উড়ন্ত গাড়ি

প্রকাশিত : ১২:৪২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮

যানজটসহ অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে এবার উড়ন্ত গাড়ি (ফ্লাইং কার) নিয়ে আসছে ব্রিটেনের ডাচ সংস্থা পিএএল-ভি ইন্টারন্যাশনাল। ২০২০ সালের মধ্যেই বাজারে পাওয়া যাবে এই গাড়ি। এরই মধ্যে ব্রিটেনে প্রি-বুকিং নেয়াও শুরু করেছে ডাচ প্রতিষ্ঠানটি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন প্রথম দিকে শুধুমাত্র ব্রিটেন, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া যাবে এই গাড়ি।

নির্মাতারা জানিয়েছেন তিন চাকার এই উড়ন্ত হাড়ি চলবে পেট্রোলে। এর জ্বালানি ধারণ ক্ষমতা হবে ১০০ লিটার। একবার জ্বালানি ভর্তি করে সড়কপথে সর্বাধিক ১ হাজার ৩১৫ কিলোমিটার চলতে পারবে। আর আকাশপথে যেতে পারবে ৪৮২ কিলোমিটার পর্যন্ত। সড়কে সর্বোচ্চ গতি হবে ১৬০ কিলোমিটার, আর উড়ন্ত অবস্থায় ১৮০ কিলোমিটার।

৬৬৪ কেজির ওজনের এই গাড়িতে আসন সংখ্যা থাকবে ২টি। আর মাল বহন করা যাবে ২০ কেজির মতো। ড্রাইভ মোড থেকে হেলিকপ্টার মোডে পরিবর্তনে সময় লাগবে মাত্র ১০ মিনিট। টেক-অফের জন্য লাগবে ৩৩০ মিটার জায়গা। এটি সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার মিটার বা সাড়ে ১১ হাজার ফুট উঁচু দিয়ে উড়তে পারবে।

নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পিএএল-ভি জানিয়েছে, ইউরোপ-যুক্তরাষ্ট্রে ইউরোপীয় বিমান সুরক্ষা এজেন্সির নিয়মে চলবে এই গাড়ি। তবে ব্রিটেনে এই গাড়ির জন্য থাকবে আলাদা নিয়ম।

ইউরোপ-আমেরিকায় এমন একটি গাড়ির মালিক হতে চাইলে আপনাকে গুনতে হবে বাংলাদেশি প্রায় তিন কোটি টাকা।

বিবি/রেআ