০৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাড়ে তিন লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবে ডিএসসিসি

এবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে সাড়ে তিন লাখেরও বেশি শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

আগামী ১৯ জানুয়ারি ১ হাজার ৪৮৭টি কেন্দ্রে এ কার্যক্রম পরিচালনা করবে ডিএসসিসি। সোমবার নগর ভবনের ব্যাংক ফ্লোরে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আগামী ১৯ জানুয়ারি সারা দেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপিত হবে। আমরাও ঐদিন আমাদের আওতাধীন এলাকায় এই ক্যাপসুল খাওয়াব। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

তিনি বলেন, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৪৬ হাজার ৫০১ (১০০০০০ আইইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৯০ জন (২০০০০০ আইইউ) শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়াব আমরা। এজন্য ২ হাজার ৯৭৪ জন স্বেচ্ছাসেবক ও ১১২ জন সুপারভাইজার কাজ করবেন।

তিনি আরও বলেন, ডিএসসিসির ৫৭টি ওয়ার্ডের ১৪৮৭টি কেন্দ্রে ক্যাপসুল খাওয়াব আমরা। ভিটামিন ‘এ’ শিশুর রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়।

সারাদেশে এ বছর দুই কোটিরও বেশি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এদিন ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী সব শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

সভায় ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. শেখ সালাহ্উদ্দীনসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুষ্টিয়া-১ আসনে নিরাপত্তা শঙ্কা: ১৩৫ কেন্দ্রের ৬৬টিই ঝুঁকিপূর্ণ

সাড়ে তিন লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবে ডিএসসিসি

প্রকাশিত : ০১:৪৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জানুয়ারী ২০১৯

এবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে সাড়ে তিন লাখেরও বেশি শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

আগামী ১৯ জানুয়ারি ১ হাজার ৪৮৭টি কেন্দ্রে এ কার্যক্রম পরিচালনা করবে ডিএসসিসি। সোমবার নগর ভবনের ব্যাংক ফ্লোরে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আগামী ১৯ জানুয়ারি সারা দেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপিত হবে। আমরাও ঐদিন আমাদের আওতাধীন এলাকায় এই ক্যাপসুল খাওয়াব। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

তিনি বলেন, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৪৬ হাজার ৫০১ (১০০০০০ আইইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৯০ জন (২০০০০০ আইইউ) শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়াব আমরা। এজন্য ২ হাজার ৯৭৪ জন স্বেচ্ছাসেবক ও ১১২ জন সুপারভাইজার কাজ করবেন।

তিনি আরও বলেন, ডিএসসিসির ৫৭টি ওয়ার্ডের ১৪৮৭টি কেন্দ্রে ক্যাপসুল খাওয়াব আমরা। ভিটামিন ‘এ’ শিশুর রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়।

সারাদেশে এ বছর দুই কোটিরও বেশি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এদিন ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী সব শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

সভায় ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. শেখ সালাহ্উদ্দীনসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিবি/রেআ