০৮:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানি জনগণ কখনো চাপ ও হুমকির মুখে নতজানু হয় না

মার্কিন প্রভাবশালী সাময়িকী ‘ফরেন পলিসি’ লিখেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেছিলেন তার চাপের কাছে ইরান নতি স্বীকার করবে। কিন্তু ইরানি জনগণ এমন একটি জাতি যারা কখনো চাপ ও হুমকির মুখে নতজানু হয় না।’

সাময়িকীটির অনলাইনে প্রকাশিত এক নিবন্ধে মার্কিন পররাষ্ট্র নীতিতে চলমান সংকটের জন্য ট্রাম্পের একরোখা নীতিকে দায়ী করে বলা হয়েছে, ট্রাম্প এতদিনে হয়তো একথা উপলব্ধি করেছেন যে, ইরান মার্কিন চাপের কাছে আত্মসমর্পন করবে না।

ফরেন পলিসি’র নিবন্ধে বলা হয়েছে, যখন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি হোয়াইট হাউজকে ‘বুদ্ধি প্রতিবন্ধী’ বলে অভিহিত করেছেন তখন বিষয়টা অনেক কঠোর শুনিয়েছে। কিন্তু আপনাকে একথাও উপলব্ধি করতে হবে যে, কেন হাসান রুহানি এত কঠোর ভাষা প্রয়োগ করতে বাধ্য হলেন।

নিবন্ধে আরো বলা হয়েছে, ট্রাম্প ভেবেছিলেন তিনি ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেলে তেহরান তার পায়ে পড়ে কাকুতি-মিনতি করবে। কিন্তু ইরান যখন উল্টো আরচণ করে তখন ট্রাম্পের মাথা নষ্ট হয়ে যায়।

মার্কিন এই সাময়িকী বলছে, ট্রাম্পের আশপাশের লোকজন ইরানকে উসকে দিয়ে দেশটির সঙ্গে একটি যুদ্ধ বাধাতে এবং এর দায় তেহরানের ওপর চাপাতে চেয়েছিল। কিন্তু এই লোকজনই ট্রাম্পকে বুঝিয়েছেন যে, আমেরিকা যুদ্ধ করার লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে না। পার্সট্যুডে।

 

বিবি/এমএ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

ইরানি জনগণ কখনো চাপ ও হুমকির মুখে নতজানু হয় না

প্রকাশিত : ০৫:০০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০১৯

মার্কিন প্রভাবশালী সাময়িকী ‘ফরেন পলিসি’ লিখেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেছিলেন তার চাপের কাছে ইরান নতি স্বীকার করবে। কিন্তু ইরানি জনগণ এমন একটি জাতি যারা কখনো চাপ ও হুমকির মুখে নতজানু হয় না।’

সাময়িকীটির অনলাইনে প্রকাশিত এক নিবন্ধে মার্কিন পররাষ্ট্র নীতিতে চলমান সংকটের জন্য ট্রাম্পের একরোখা নীতিকে দায়ী করে বলা হয়েছে, ট্রাম্প এতদিনে হয়তো একথা উপলব্ধি করেছেন যে, ইরান মার্কিন চাপের কাছে আত্মসমর্পন করবে না।

ফরেন পলিসি’র নিবন্ধে বলা হয়েছে, যখন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি হোয়াইট হাউজকে ‘বুদ্ধি প্রতিবন্ধী’ বলে অভিহিত করেছেন তখন বিষয়টা অনেক কঠোর শুনিয়েছে। কিন্তু আপনাকে একথাও উপলব্ধি করতে হবে যে, কেন হাসান রুহানি এত কঠোর ভাষা প্রয়োগ করতে বাধ্য হলেন।

নিবন্ধে আরো বলা হয়েছে, ট্রাম্প ভেবেছিলেন তিনি ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেলে তেহরান তার পায়ে পড়ে কাকুতি-মিনতি করবে। কিন্তু ইরান যখন উল্টো আরচণ করে তখন ট্রাম্পের মাথা নষ্ট হয়ে যায়।

মার্কিন এই সাময়িকী বলছে, ট্রাম্পের আশপাশের লোকজন ইরানকে উসকে দিয়ে দেশটির সঙ্গে একটি যুদ্ধ বাধাতে এবং এর দায় তেহরানের ওপর চাপাতে চেয়েছিল। কিন্তু এই লোকজনই ট্রাম্পকে বুঝিয়েছেন যে, আমেরিকা যুদ্ধ করার লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে না। পার্সট্যুডে।

 

বিবি/এমএ