০৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

হোসেনপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতে নেই কোন রাস্তা

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মাধখলা গ্রামে ৪৮নং দক্ষিণ মাধখলা এ আর খাঁন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার জন্য কোন রাস্তা না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা।

স্কুল সূত্রে জানা যায়,গ্রামের হতদরিদ্র পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার আলো পৌঁছাতে দক্ষিণ মাধখলা গ্রামের মরহুম আব্দুর রাশিদ খাঁন ১৯৯৩ সালে স্থাপন করেন এ আর খান প্রাথমিক বিদ্যালয়।

এই বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হয়। বর্তমানে শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণির মধ্যে প্রায় দুই শতাধিক কোমলমতি শিশুরা পড়াশোনা করছে।

ওই স্কুলের আশেপাশে অর্ধশতাধিক দরিদ্র পরিবার বসবাস করায় রাস্তা নির্মাণে কেউ আগ্রহ দেখাচ্ছে না। ফলে রাস্তা না থাকায় দক্ষিণ মাধখলা এ আর খাঁন সরকারি প্রাথমিক স্কুলে যাতায়াতের জন্য বর্ষা মৌসুমে কাদামাটি যুক্ত জমির সরু আইল দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে বিদ্যালয়ে পৌছাতে হয়।এ কারণে অনেক সময় শিশুদের কাদা মাটিতে জামা কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। তাই বহু শিক্ষার্থী বর্ষা মৌসুমে স্কুলে যাওয়া কমিয়ে দেয়।

সরেজমিনে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী রাদিয়া খাতুন, হিরন, সালমা সহ অনেকেই জানায়, রাস্তা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে কাদা ভেঙ্গে স্কুলে যেতে ইচ্ছা হয় না।

এই সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক খাঁন বলেন,কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে জরুরী ভিত্তিতে রাস্তা নির্মাণ করা প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নিকট স্কুলের রাস্তা নির্মাণের জন্য লিখিত ভাবে আবেদন করলে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দিলেও তা আজও আলোর মুখ দেখেনি।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হরমুজে রাশিয়ার জন্য টোল মওকুফের সিদ্ধান্ত ইরানের

হোসেনপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতে নেই কোন রাস্তা

প্রকাশিত : ০১:৪৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মাধখলা গ্রামে ৪৮নং দক্ষিণ মাধখলা এ আর খাঁন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার জন্য কোন রাস্তা না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা।

স্কুল সূত্রে জানা যায়,গ্রামের হতদরিদ্র পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার আলো পৌঁছাতে দক্ষিণ মাধখলা গ্রামের মরহুম আব্দুর রাশিদ খাঁন ১৯৯৩ সালে স্থাপন করেন এ আর খান প্রাথমিক বিদ্যালয়।

এই বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হয়। বর্তমানে শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণির মধ্যে প্রায় দুই শতাধিক কোমলমতি শিশুরা পড়াশোনা করছে।

ওই স্কুলের আশেপাশে অর্ধশতাধিক দরিদ্র পরিবার বসবাস করায় রাস্তা নির্মাণে কেউ আগ্রহ দেখাচ্ছে না। ফলে রাস্তা না থাকায় দক্ষিণ মাধখলা এ আর খাঁন সরকারি প্রাথমিক স্কুলে যাতায়াতের জন্য বর্ষা মৌসুমে কাদামাটি যুক্ত জমির সরু আইল দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে বিদ্যালয়ে পৌছাতে হয়।এ কারণে অনেক সময় শিশুদের কাদা মাটিতে জামা কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। তাই বহু শিক্ষার্থী বর্ষা মৌসুমে স্কুলে যাওয়া কমিয়ে দেয়।

সরেজমিনে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী রাদিয়া খাতুন, হিরন, সালমা সহ অনেকেই জানায়, রাস্তা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে কাদা ভেঙ্গে স্কুলে যেতে ইচ্ছা হয় না।

এই সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক খাঁন বলেন,কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে জরুরী ভিত্তিতে রাস্তা নির্মাণ করা প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নিকট স্কুলের রাস্তা নির্মাণের জন্য লিখিত ভাবে আবেদন করলে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দিলেও তা আজও আলোর মুখ দেখেনি।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম