০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১০০% ছাড়ে ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’!

‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’প্রায় সব সময়ই লোকসানে থাকে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’। নানা সংকট আর অনিয়মের জেরে প্রতিষ্ঠানটিতে সরকারকে বড় অংকের ভর্তুকি দিতে হয়। ফলে বেশিরভাগ সময়ই বিতর্কের মুখে পড়তে হয় বিমান সংস্থাকে। তবে যত বিতর্কই থাকুক এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছাড়ে টিকেট নেয়া কমেনি।

গত ১০ বছরে নিজেদের কর্মীদের ৮০ ভাগ থেকে শতভাগ ছাড়ে প্রায় ৪৮ হাজার টিকেট দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ১০ বছরে বিমানকর্মীরা যে পরিমাণ টিকেট নিয়েছেন তার মূল্য প্রায় ৭০ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রতি বছর প্রায় ৭ কোটি টাকার টিকেট প্রায় বিনামূল্যে নিচ্ছেন তারা।

বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চাহিদা মোতাবেক বিমান সংস্থা থেকে সরবরাহকৃত এক রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিপুল পরিমাণ টিকেট এভাবে দেয়ায় প্রশ্ন তুলেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত বিমানকর্মীদের নেয়া ৪৮ হাজার টিকেটই দেয়া হয়েছে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি টিকেট নিয়েছেন প্রকৌশল অ্যান্ড ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজমেন্ট শাখার কর্মীরা। এই শাখার ৫৫১ জন কর্মী নিয়েছেন ১০ হাজার ৮৪৮টি টিকেট।

এ বিষয়ে বিমানের উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার সংবাদমাধ্যমকে একটি লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। সেখানে বলা হয়েছে, বিমানের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা বিভিন্ন রেয়াতি টিকেট প্রাপ্য হন। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক গন্তব্যে একেকজন (নির্ভরশীলসহ) বছরে সর্বোচ্চ ২০টি টিকেট প্রাপ্য হন ৮৫ থেকে ১০০ শতাংশ রেয়াতি হারে।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে চারটিতে ধানের শীষ এবং একটিতে শাপলা কলি বিজয়ী

১০০% ছাড়ে ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’!

প্রকাশিত : ০৬:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০১৯

‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’প্রায় সব সময়ই লোকসানে থাকে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’। নানা সংকট আর অনিয়মের জেরে প্রতিষ্ঠানটিতে সরকারকে বড় অংকের ভর্তুকি দিতে হয়। ফলে বেশিরভাগ সময়ই বিতর্কের মুখে পড়তে হয় বিমান সংস্থাকে। তবে যত বিতর্কই থাকুক এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছাড়ে টিকেট নেয়া কমেনি।

গত ১০ বছরে নিজেদের কর্মীদের ৮০ ভাগ থেকে শতভাগ ছাড়ে প্রায় ৪৮ হাজার টিকেট দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ১০ বছরে বিমানকর্মীরা যে পরিমাণ টিকেট নিয়েছেন তার মূল্য প্রায় ৭০ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রতি বছর প্রায় ৭ কোটি টাকার টিকেট প্রায় বিনামূল্যে নিচ্ছেন তারা।

বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চাহিদা মোতাবেক বিমান সংস্থা থেকে সরবরাহকৃত এক রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিপুল পরিমাণ টিকেট এভাবে দেয়ায় প্রশ্ন তুলেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত বিমানকর্মীদের নেয়া ৪৮ হাজার টিকেটই দেয়া হয়েছে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি টিকেট নিয়েছেন প্রকৌশল অ্যান্ড ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজমেন্ট শাখার কর্মীরা। এই শাখার ৫৫১ জন কর্মী নিয়েছেন ১০ হাজার ৮৪৮টি টিকেট।

এ বিষয়ে বিমানের উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার সংবাদমাধ্যমকে একটি লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। সেখানে বলা হয়েছে, বিমানের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা বিভিন্ন রেয়াতি টিকেট প্রাপ্য হন। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক গন্তব্যে একেকজন (নির্ভরশীলসহ) বছরে সর্বোচ্চ ২০টি টিকেট প্রাপ্য হন ৮৫ থেকে ১০০ শতাংশ রেয়াতি হারে।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ