০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

বাবার বিরুদ্ধে শিশুপুত্রকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ

নরসিংদীর রায়পুরায় নিজ ঘর থেকে শাহিন মিয়া নামে আট মাস বয়সী এক শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় রায়পুরা উপজেলার মরজাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে শিশুটির বাবা আপন মিয়া পলাতক।

রাজমিস্ত্রী আপন মিয়া নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চলের বাবুল মিয়ার ছেলে। আপন মিয়া পেশায় রাজমিস্ত্রি। রায়পুরার মরজাল গ্রামের অর্চনা বেগমের বাড়িতে ভাড়া থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন তিনি। পুলিশের ধারণা, আপন মিয়াই শিশুটিকে খুন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকালে আপন মিয়া শিশুপুত্র শাহিনকে নিয়ে ঘরে শুয়ে ছিলেন। কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা মারুফা বেগম ঘরে গিয়ে শিশুপুত্রের গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে রায়পুরা থানা পুলিশ শিশুটির লাশ উদ্ধার করে।

২০১৬ সালে বিয়ের পর থেকে স্ত্রী মারুফা বেগম ও স্বামী আপন মিয়ার মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলে আসছিলো। পারিবারিক এই কলহের জেরে বাবা আপন মিয়া শিশুপুত্র শাহিনকে গলা কেটে হত্যার পর পালিয়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাবাসাদের জন্য শিশুটির মা মারুফা বেগম, চাচা স্বপন মিয়া ও দাদা বাবুল মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

বাবার বিরুদ্ধে শিশুপুত্রকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত : ০২:৫৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

নরসিংদীর রায়পুরায় নিজ ঘর থেকে শাহিন মিয়া নামে আট মাস বয়সী এক শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় রায়পুরা উপজেলার মরজাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে শিশুটির বাবা আপন মিয়া পলাতক।

রাজমিস্ত্রী আপন মিয়া নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চলের বাবুল মিয়ার ছেলে। আপন মিয়া পেশায় রাজমিস্ত্রি। রায়পুরার মরজাল গ্রামের অর্চনা বেগমের বাড়িতে ভাড়া থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন তিনি। পুলিশের ধারণা, আপন মিয়াই শিশুটিকে খুন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকালে আপন মিয়া শিশুপুত্র শাহিনকে নিয়ে ঘরে শুয়ে ছিলেন। কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা মারুফা বেগম ঘরে গিয়ে শিশুপুত্রের গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে রায়পুরা থানা পুলিশ শিশুটির লাশ উদ্ধার করে।

২০১৬ সালে বিয়ের পর থেকে স্ত্রী মারুফা বেগম ও স্বামী আপন মিয়ার মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলে আসছিলো। পারিবারিক এই কলহের জেরে বাবা আপন মিয়া শিশুপুত্র শাহিনকে গলা কেটে হত্যার পর পালিয়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাবাসাদের জন্য শিশুটির মা মারুফা বেগম, চাচা স্বপন মিয়া ও দাদা বাবুল মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।