০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

নওগাঁয় মাদ্রাসাছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নওগাঁর রানীনগরে হাফেজ আবু হাসাস জিসান (১৮) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার বেতগাড়ী হাফেজিয়া মাদরাসার শ্রেণীকক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় ওই মাদ্রাসার চার ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। জিসান গ্রামের ডাক্তার বারিক হোসেনের ছেলে।

এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশেই মাদ্রাসা হওয়ায় প্রতিদিন রাতে ৮-৯টার দিকে বাড়িতে এসে খেয়ে শুয়ে পড়তো। কিন্তু সোমবার রাত ১০টা পর্যন্ত সিজান বাড়িতে না আসায় মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। এছাড়া ওইদিন সন্ধ্যার দিকে মাদ্রাসায় জোরে জোরে তার পড়ার শব্দ অনেকেই শুনেছে। মঙ্গলবার সকালে মাদ্রাসার এক ছেলে শ্রেণীকক্ষে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে সবাইকে জানায়। এরপর থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়া হলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে।

জিসানের মামা আব্দুর রশিদ বলেন, ঝুলন্ত অবস্থায় তার দুহাত পাঞ্জাবি দিয়ে বাঁধা ছিল। এছাড়া স্কাফ (মাথায় দেয়া কাপড়) দিয়ে শ্রেণীকক্ষের তীরের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলানো ছিলো। আমার ভাগ্নেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

রানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান বলেন, লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। মাদরাসার চার ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তদন্ত করে ঘটনার সম্পৃক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

নওগাঁয় মাদ্রাসাছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত : ০৩:০৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

নওগাঁর রানীনগরে হাফেজ আবু হাসাস জিসান (১৮) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার বেতগাড়ী হাফেজিয়া মাদরাসার শ্রেণীকক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় ওই মাদ্রাসার চার ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। জিসান গ্রামের ডাক্তার বারিক হোসেনের ছেলে।

এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশেই মাদ্রাসা হওয়ায় প্রতিদিন রাতে ৮-৯টার দিকে বাড়িতে এসে খেয়ে শুয়ে পড়তো। কিন্তু সোমবার রাত ১০টা পর্যন্ত সিজান বাড়িতে না আসায় মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। এছাড়া ওইদিন সন্ধ্যার দিকে মাদ্রাসায় জোরে জোরে তার পড়ার শব্দ অনেকেই শুনেছে। মঙ্গলবার সকালে মাদ্রাসার এক ছেলে শ্রেণীকক্ষে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে সবাইকে জানায়। এরপর থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়া হলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে।

জিসানের মামা আব্দুর রশিদ বলেন, ঝুলন্ত অবস্থায় তার দুহাত পাঞ্জাবি দিয়ে বাঁধা ছিল। এছাড়া স্কাফ (মাথায় দেয়া কাপড়) দিয়ে শ্রেণীকক্ষের তীরের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলানো ছিলো। আমার ভাগ্নেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

রানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান বলেন, লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। মাদরাসার চার ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তদন্ত করে ঘটনার সম্পৃক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।