১২:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টোকসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ড্রতেই শেষ লর্ডস টেস্ট

বেন স্টোকসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ড পেল ইনিংস ঘোষণার সুযোগ। প্রথম ইনিংসে জোফরা আর্চারের বাউন্সারে মাথায় আঘাত পেয়েও স্টিভেন স্মিথের ৯২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলা। ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম ‘কনকাশন’ বদলি হিসেবে খেলতে নামার ইতিহাস গড়া মার্নাস লাবুশেনের ব্যাট হাতে লড়াই।

শেষ বেলায় লাবুশেনকে ফিরিয়ে আবার জেগে উঠে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল ইংলিশরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠেনি। ম্যাচ ড্র-ই হয়েছে। প্রথম টেস্টে জয়ী অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে আছে সিরিজে।

চতুর্থ দিন দলের বিপর্যয়ে ব্যাট হাতে ১১৫ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন বেন স্টোকস। ছিলেন অপরাজিত। রোববার ম্যাচের শেষ দিনে ৫ উইকেটে ২৫৮ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ইংল্যান্ড।

প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের লিড ছিল ৮ রান। সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৬৭। ম্যাচের তখন বাকি সম্ভাব্য ৪৮ ওভার। তাই উইকেটে টিকে থাকাই মূলত অস্ট্রেলিয়ার সামনে মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। জোফরা আর্চারের প্রথম স্পেলে আগুনে বোলিংয়ে সে লক্ষ্যটাও যেনো কঠিন হয়ে ওঠে অজিদের সামনে। তবে ট্রাভিস হেড ও লাবুশেন গড়ে তোলেন প্রতিরোধ।

ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ‘কনকাশন সাব’ হিসেবে মাঠে নামেন লাবুশেন। মাত্রই কিছুদিন আগে আইসিসি তাদের নিয়মে এই সাব-এর অন্তর্ভূক্তি এনেছে। যেখানে কোনো ক্রিকেটার মাথায় আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়লে তার বদলি হিসেবে অন্য ক্রিকেটার খেলতে পারবেন। মাথায় আঘাত পেয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে স্মিথ খেলতে না পারার সুযোগ পান লাবুশেন।

নিজের পাওয়া সুযোগ বেশ ভালোই কাজে লাগিয়েছেন লেগস্পিনার ও ব্যাটসম্যান লানুশেন। দলের খারাপ সময়ে তার ব্যাট থেকে আসে ১০০ বলে ৫৯ রান। ট্রাভিস হেড ৪২ রানে অপরাজিত থেকে দলকে শেষ পর্যন্ত টেনে নেন ড্রয়ের দিকে। ম্যাচ শেষে সেরার পুরস্কার ওঠে বেন স্টোকসের হাতে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ২৫৮

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ২৫০

ইংল্যান্ড ২য় ইনিংস: (আগের দিন ৯৬/৪) ৭১ ওভারে ২৫৮/৫ (ডি.)(স্টোকস ১১৫*, বাটলার ৩১, বেয়ারস্টো ৩০*; কামিন্স ১৭-৬-৩৫-৩, হেইজেলউড ১৩-১-৪৩-০, সিডল ১৫-৪-৫৪-২, লায়ন ২৬-৩-১০২-০)।

অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ২৬৭) ৪৭.৩ ওভারে ১৫৪/৬ (ওয়ার্নার ৫, ব্যানক্রফট ১৬, খাওয়াজা ২, লাবুশেন ৫৯, হেড ৪২*, ওয়েড ১, পেইন ৪, কামিন্স ১*; ব্রড ৭-০-২৯-০, আর্চার ১৫-২-৩২-৩, ওকস ৩-০-১১-০, লিচ ১৬.৩-৫-৩৭-৩, স্টোকস ৩-১-১৬-০, রুট ১-০-৭-০, ডেনলি ২-২-০-০)।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সিআইডি প্রধানের জরুরী ব্রিফিং

স্টোকসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ড্রতেই শেষ লর্ডস টেস্ট

প্রকাশিত : ০১:২৩:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৯

বেন স্টোকসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ড পেল ইনিংস ঘোষণার সুযোগ। প্রথম ইনিংসে জোফরা আর্চারের বাউন্সারে মাথায় আঘাত পেয়েও স্টিভেন স্মিথের ৯২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলা। ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম ‘কনকাশন’ বদলি হিসেবে খেলতে নামার ইতিহাস গড়া মার্নাস লাবুশেনের ব্যাট হাতে লড়াই।

শেষ বেলায় লাবুশেনকে ফিরিয়ে আবার জেগে উঠে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল ইংলিশরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠেনি। ম্যাচ ড্র-ই হয়েছে। প্রথম টেস্টে জয়ী অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে আছে সিরিজে।

চতুর্থ দিন দলের বিপর্যয়ে ব্যাট হাতে ১১৫ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন বেন স্টোকস। ছিলেন অপরাজিত। রোববার ম্যাচের শেষ দিনে ৫ উইকেটে ২৫৮ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ইংল্যান্ড।

প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের লিড ছিল ৮ রান। সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৬৭। ম্যাচের তখন বাকি সম্ভাব্য ৪৮ ওভার। তাই উইকেটে টিকে থাকাই মূলত অস্ট্রেলিয়ার সামনে মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। জোফরা আর্চারের প্রথম স্পেলে আগুনে বোলিংয়ে সে লক্ষ্যটাও যেনো কঠিন হয়ে ওঠে অজিদের সামনে। তবে ট্রাভিস হেড ও লাবুশেন গড়ে তোলেন প্রতিরোধ।

ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ‘কনকাশন সাব’ হিসেবে মাঠে নামেন লাবুশেন। মাত্রই কিছুদিন আগে আইসিসি তাদের নিয়মে এই সাব-এর অন্তর্ভূক্তি এনেছে। যেখানে কোনো ক্রিকেটার মাথায় আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়লে তার বদলি হিসেবে অন্য ক্রিকেটার খেলতে পারবেন। মাথায় আঘাত পেয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে স্মিথ খেলতে না পারার সুযোগ পান লাবুশেন।

নিজের পাওয়া সুযোগ বেশ ভালোই কাজে লাগিয়েছেন লেগস্পিনার ও ব্যাটসম্যান লানুশেন। দলের খারাপ সময়ে তার ব্যাট থেকে আসে ১০০ বলে ৫৯ রান। ট্রাভিস হেড ৪২ রানে অপরাজিত থেকে দলকে শেষ পর্যন্ত টেনে নেন ড্রয়ের দিকে। ম্যাচ শেষে সেরার পুরস্কার ওঠে বেন স্টোকসের হাতে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ২৫৮

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ২৫০

ইংল্যান্ড ২য় ইনিংস: (আগের দিন ৯৬/৪) ৭১ ওভারে ২৫৮/৫ (ডি.)(স্টোকস ১১৫*, বাটলার ৩১, বেয়ারস্টো ৩০*; কামিন্স ১৭-৬-৩৫-৩, হেইজেলউড ১৩-১-৪৩-০, সিডল ১৫-৪-৫৪-২, লায়ন ২৬-৩-১০২-০)।

অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ২৬৭) ৪৭.৩ ওভারে ১৫৪/৬ (ওয়ার্নার ৫, ব্যানক্রফট ১৬, খাওয়াজা ২, লাবুশেন ৫৯, হেড ৪২*, ওয়েড ১, পেইন ৪, কামিন্স ১*; ব্রড ৭-০-২৯-০, আর্চার ১৫-২-৩২-৩, ওকস ৩-০-১১-০, লিচ ১৬.৩-৫-৩৭-৩, স্টোকস ৩-১-১৬-০, রুট ১-০-৭-০, ডেনলি ২-২-০-০)।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ