ঝিনাইদহে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাদশাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত ১২ আগস্ট সন্ধ্যায় পাশের বাড়িতে তার মাকে খুঁজতে বের হয়ে গণধর্ষণের শিকার হন ওই ছাত্রী। তার চাচা সাংবাদিকদের জানান, ঈদের দিন সন্ধ্যায় পৌর এলাকার খাজুরা গ্রামের মুন্তাজ আলীর ছেলে বাদশা, মন্টু মন্ডলের ছেলে রুহুল আমীন ও একই গ্রামের জাফরের ছেলে মুন্নু তার ভাতিজিকে মাঠ থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে ক্যাডেট কলেজের সামনের একটি আবাসন এলাকায় তাকে ফেলে যায়। এক পর্যায়ে ভূমিহীন পাড়ার এক ব্যক্তি তাকে (ভাতিজি) বাড়ি পৌঁছে দেন। এরপর সে অভিভাবকদের কাছে এ ঘটনা জানায়।
২১ আগস্ট বুধবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার খাজুরা গ্রামের জোয়ারদারপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বাদশা ওই এলাকার বাসিন্দা।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান খান জানান, ঈদের দিন রাতে খাজুরা গ্রামে এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়। সে শহরের মুক্তিযোদ্ধা মসিউর রহমান বালিকা বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণিতে পড়ে।
তিনি বলেন, গোপন সূত্রে পুলিশ জানতে পারে এ মামলার প্রধান আসামি জোয়ারদারপাড়া এলাকায় অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সকালে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাদশা ছোরা হাতে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, তখন আত্মরক্ষার্থে পুলিশ শটগান দিয়ে গুলি করলে তার পায়ে লাগে। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়।
বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ





















