পাটকেলঘাটার যুগিপুকুরিয়া গ্রামের ট্রাক চালক মৃত সৈয়দ আলী মোড়লের পুত্র ইসহাক মোড়ল (৪০) এর মৃত্যুর ঘটনায় নানা গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। এ মৃত্যুকে পুঁজি করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের চেষ্টাও করছে। সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ৭ই আগস্ট বুধবার দুপুর ২ টার দিকে মাদকে বুদ ইসহাক মোড়ল অনাকাক্সিক্ষতভাবে তার গ্রামের বাড়িতে প্রবেশ করে স্ত্রী, সন্তান ও ভাইবোনদের উদ্দেশ্য করে অশ্রব্যভাষায় গালিগালাজ করছিল। একপর্যায়ে তার বোন সোনাবান (৫৫), ভাই সোলাইমান মোড়ল, সুরমান মোড়ল ও অসীম মোড়ল তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্ত মাদকাসক্ত ইসহাক মোড়ল কোনকিছুই না বুঝে নিজের বুকের আঘাতে নিজের ঘরের ইট ভাংতে থাকে। একপর্যায়ে একাধিক ইট ও পিলার ভেঙে নিজেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
এসময় তার কন্যা উর্মী (১৮), রুমি (১৩), পুত্রসন্তান আলী হাসান (১০) সহ ইসহাকের ভায়েরা তাকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। এবিষয়ে পাটকেলঘাটা থানায় ৮ আগস্ট একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ১৮ আগস্ট সকালে থানার যুগিপুকুরিয়া গ্রামের সৈয়দ আলীর পুত্র ইসহাক মোড়লের মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে গিয়ে এলাকাবাসী ও তার ঔরসজাত সন্তানদের মুখে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয় যে, সে সারাক্ষণ মাদকে বুদ থাকত। হিতাহেত জ্ঞান থাকত না। ঘর সংসার বলতে কিছুই বুঝত না। মাতলামি করে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙা তার নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার ছিল। তার মৃত্যুতে এলাকাবাসী খুশি না হলেও মৃত্যুর জন্য যে কেউ দায়ী নয় তা অকপটে প্রত্যক্ষদর্শীরা এ প্রতিবেদককে জানিয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম





















