১১:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা

প্রতিবন্ধী ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যার পর বাবা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। গাজীপুর টঙ্গীবাজার বস্তাপট্টি এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। নিহতরা হলেন- আবদুল হালিম (৪০) ও তার ছেলে নোমান হোসেন (৮)।

মঙ্গলবার গভীর রাত ৩টার দিকে টঙ্গীবাজার বস্তাপট্টি এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের ওসি কামাল হোসেন জানান, স্ত্রী ইসনাহার বেগম ও প্রতিবন্ধী ছেলে নোমানকে নিয়ে আবদুল হালিম টঙ্গীবাজার বস্তাপট্টি এলাকার শাহজাদার বাড়ির পঞ্চম তলায় ভাড়া থাকতেন। তাদের পরিবারে অভাব-অনটন লেগেই থাকতে। ছেলে নোমান প্রায় অসুস্থ থাকত। অভাবের কারণে তিনি চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। এ নিয়ে আবদুল হালিম মনঃক্ষুণ্ন ছিলেন।

মঙ্গলাবার রাতে খাবার খেয়ে স্ত্রী ও সন্তানসহ হালিম নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে হালিম নোমানকে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

রাত ৩টার দিকে তার স্ত্রী ইসনাহার বেগম চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকার শুনে অন্যান্য ভাড়াটে ও স্থানীয় লোকজন ছুটে আসেন। এ সময় ঘরের মেঝেতে নোমানকে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। আর বারান্দার গ্রিলে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় আবদুল হালিমের মরদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেন তারা।তবে ধারণা করা হচ্ছে, অভাবের কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

পুলিশ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে বলে জানান ওসি।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা

প্রকাশিত : ০২:১৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৯

প্রতিবন্ধী ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যার পর বাবা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। গাজীপুর টঙ্গীবাজার বস্তাপট্টি এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। নিহতরা হলেন- আবদুল হালিম (৪০) ও তার ছেলে নোমান হোসেন (৮)।

মঙ্গলবার গভীর রাত ৩টার দিকে টঙ্গীবাজার বস্তাপট্টি এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের ওসি কামাল হোসেন জানান, স্ত্রী ইসনাহার বেগম ও প্রতিবন্ধী ছেলে নোমানকে নিয়ে আবদুল হালিম টঙ্গীবাজার বস্তাপট্টি এলাকার শাহজাদার বাড়ির পঞ্চম তলায় ভাড়া থাকতেন। তাদের পরিবারে অভাব-অনটন লেগেই থাকতে। ছেলে নোমান প্রায় অসুস্থ থাকত। অভাবের কারণে তিনি চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। এ নিয়ে আবদুল হালিম মনঃক্ষুণ্ন ছিলেন।

মঙ্গলাবার রাতে খাবার খেয়ে স্ত্রী ও সন্তানসহ হালিম নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে হালিম নোমানকে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

রাত ৩টার দিকে তার স্ত্রী ইসনাহার বেগম চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকার শুনে অন্যান্য ভাড়াটে ও স্থানীয় লোকজন ছুটে আসেন। এ সময় ঘরের মেঝেতে নোমানকে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। আর বারান্দার গ্রিলে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় আবদুল হালিমের মরদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেন তারা।তবে ধারণা করা হচ্ছে, অভাবের কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

পুলিশ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে বলে জানান ওসি।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ