০৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

১০৪ বছর বয়সের সখিনার দায়িত্ব নিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা

অবশেষে সংবাদ মাধ্যমে নজরে আনা বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সেই ১০৪ বছর বয়সের কোনো প্রকার সরকারি সাহায্য বা ভাতা না পাওয়া সেই বৃদ্ধা সখিনা বিবির সকল দায় দায়িত্ব নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

বারইখালী ইউনিয়নের উত্তর সুতালড়ী গ্রামের মৃত আফেল উদ্দিনের স্ত্রী সখিনা বেগম ১০৪ বছর বয়সেও পাননি কোন প্রকার সরকারি সাহায্য। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমন খবর প্রচারের পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান আজ রবিবার ওই বৃদ্ধা নারীকে খুঁজে তার অফিসে আনেন। এ সময় তিনি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকেও ডেকে সখিনা বেগমের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড ইস্যু করান।

সখিনা বেগমের কথিত মতে তার বয়স এখন ১০৪ বছর। স্বামী মারা গেছেন ১৯৭৩ সালে। ৪ ছেলে মেয়ে যে যার মত বিভিন্ন শহরে দিনমজুরি খেটে সংসার চালায়। বর্তমানে ওই গ্রামেই থাকেন তবে নিজের বলে কিছু নেই। থাকেন দরিদ্র নাতি সবুজ শেখের ঘরে। বিভিন্নজনের দেওয়া সাহায্যে চলে তার নৈমিত্তিক খরচ।

সখিনা বেগমের বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার সংবাদ প্রচার হলে বিষয়টি নজরে আসে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের। আজ তাকে নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এনে সম্মানের সাথে হাতে তুলে দেওয়া হয় বয়স্ক ভাতার কার্ড, ৩০ কেজি চাল ও দু’পিচ শাড়ী।

নির্বাহী কর্মকর্তা এ সময় বলেন, ‘সখিনা বেগম এমন বৃদ্ধা বয়স পর্যন্ত সাহায্যের আওতায় আসেনি এটা দু:খজনক। এখন থেকে তার সকল দায়িত্ব আমি নিলাম’। বিষয়টি নজরে আনার জন্য তিনি গণমাধ্যম কর্মীদেরকে ধন্যবাদ জানান।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইসরায়েলি বর্বরোচিত হামলায় দুই শিশুসহ ‘গর্ভবতী’ মা নিহত

১০৪ বছর বয়সের সখিনার দায়িত্ব নিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা

প্রকাশিত : ০৪:২৬:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

অবশেষে সংবাদ মাধ্যমে নজরে আনা বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সেই ১০৪ বছর বয়সের কোনো প্রকার সরকারি সাহায্য বা ভাতা না পাওয়া সেই বৃদ্ধা সখিনা বিবির সকল দায় দায়িত্ব নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

বারইখালী ইউনিয়নের উত্তর সুতালড়ী গ্রামের মৃত আফেল উদ্দিনের স্ত্রী সখিনা বেগম ১০৪ বছর বয়সেও পাননি কোন প্রকার সরকারি সাহায্য। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমন খবর প্রচারের পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান আজ রবিবার ওই বৃদ্ধা নারীকে খুঁজে তার অফিসে আনেন। এ সময় তিনি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকেও ডেকে সখিনা বেগমের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড ইস্যু করান।

সখিনা বেগমের কথিত মতে তার বয়স এখন ১০৪ বছর। স্বামী মারা গেছেন ১৯৭৩ সালে। ৪ ছেলে মেয়ে যে যার মত বিভিন্ন শহরে দিনমজুরি খেটে সংসার চালায়। বর্তমানে ওই গ্রামেই থাকেন তবে নিজের বলে কিছু নেই। থাকেন দরিদ্র নাতি সবুজ শেখের ঘরে। বিভিন্নজনের দেওয়া সাহায্যে চলে তার নৈমিত্তিক খরচ।

সখিনা বেগমের বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার সংবাদ প্রচার হলে বিষয়টি নজরে আসে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের। আজ তাকে নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এনে সম্মানের সাথে হাতে তুলে দেওয়া হয় বয়স্ক ভাতার কার্ড, ৩০ কেজি চাল ও দু’পিচ শাড়ী।

নির্বাহী কর্মকর্তা এ সময় বলেন, ‘সখিনা বেগম এমন বৃদ্ধা বয়স পর্যন্ত সাহায্যের আওতায় আসেনি এটা দু:খজনক। এখন থেকে তার সকল দায়িত্ব আমি নিলাম’। বিষয়টি নজরে আনার জন্য তিনি গণমাধ্যম কর্মীদেরকে ধন্যবাদ জানান।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ