বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা। শাপলা দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি ঔষধি গুনাগুনেও ভরপুর ও অত্যন্ত পুষ্টিকর। বর্ষা মৌসুমে বিস্তীর্ণ জমির পানিতে শাপলা জন্মে থাকে। আর সেই শাপলা তুলে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন অনেকে।বলছি গাজীপুর জেলাধীন শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নে প্রত্যন্ত গ্রাম ধলাদিয়ার কথা রাজাবাড়ী ইউনিয়নের অনেক পরিবার বর্ষা মৌসুমে শাপলা বিক্রি করে সংসার চালান।
অস্বচ্ছল পরিবারের মহিলারাই মূলত বর্ষা মৌসুমে শাপলা তুলে ও বিক্রি করে থাকেন। শাপলা বিক্রিতে কোনো পুঁজির দরকার হয় না। কেবল বর্ষার পানিতে নিমজ্জিত জমি থেকে শাপলা তুলে আনতে হয়। এরপর রোধে শুকিয়ে নিলেই হলো ব্যাস বিক্রির উপযোগী আবার বিক্রির জন্য বিভিন্ন বাজারেও যেতে হয় না তাদের পাইকাররাই সংগ্রহ করে সবার বাড়ি থেকে।
শুধু অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে শাপলা ফুলে সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ভাগ্যবদল করেছেন রিনা বেগম । তার সাফল্য দেখে স্থানীয় মাহফুজা, নাছরিনসহ অনেকেই এখন শাপলা ফুলের ব্যবসায় অনুপ্রাণিত হয়ে উঠেছেন। পাল্টে যেতে শুরু করেছে গ্রামের দৃশ্যপট। চার ছেলে পাচঁ মেয়ের সংসারের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয় প্রতিনিয়ত,তাই স্বামীকে সহায়তা করতেই তার এ কাজ করা।
ধলাদিয়া ডিগ্রি কলেজের ঠিক উত্তরেই বিল, সেখানকার এক অস্বচ্ছল পরিবারের বউ (রিনা বেগম) এ গ্রামেই শাপলা ফুল দিয়ে ব্যবসার গােড়াপত্তন করেছেন তিনি। পঞ্চাশোর্ধ এ মহিলা রঙিন ফুলের মতােই বদলেছেন তার জীবনের রঙ। এ ব্যবসা শুরু করা ও অভাব থেকে ঘুরে দাড়ানাের গল্পে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমরা আমাদের পরিশ্রমের সঠিক দাম পাইনা তিনি আরো বলেন আমার যদি জায়গা থাকতাে তাহলে আমি জমজমা (জমজমাট) করে শাপলা ফুলের চাষ করতে পারতাম। এজন্য সরকারি পৃষ্ঠপােষকতা দাবি করেন।
বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম




















